Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » চামড়াশিল্পের সংকট ও রপ্তানি লক্ষ্য বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ
    অর্থনীতি

    চামড়াশিল্পের সংকট ও রপ্তানি লক্ষ্য বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ

    সিভি ডেস্কUpdated:সেপ্টেম্বর 29, 2025সেপ্টেম্বর 29, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    সিন্ডিকেট, ঋণ খেলাপি ও রপ্তানি সংকটে কোরবানির চামড়ার বাজারে স্থবিরতা
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের চামড়াশিল্প এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বার্ষিক এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি অতিক্রম করতে পারছে না। তবু সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে তা দশ বিলিয়নে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।

    খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মানের অভাব, অপরিকল্পিত অবকাঠামো, বিনিয়োগের ঘাটতি এবং পুরনো প্রযুক্তি শিল্পটিকে আটকে রেখেছে। বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশের চামড়া প্রিমিয়াম মূল্যে নিতে আগ্রহী নয়। স্থানীয় ট্যানারিরা সীমিত মুনাফার মধ্যেই আটকে পড়েছে। ফলে ২০৩০ সালের রপ্তানি লক্ষ্য বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

    সাভার ট্যানারি শিল্প এস্টেট দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চামড়া অবকাঠামো হলেও এখনো অসম্পূর্ণ। কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) কার্যক্রম ঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। দেশে নিবন্ধিত ২২০টি ট্যানারির মধ্যে অধিকাংশই লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সনদ অর্জন করতে ব্যর্থ। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়া যাচ্ছে না।

    মাত্র ৮টি প্রতিষ্ঠান এলডব্লিউজি সার্টিফাইড। এরা হল: এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড, অস্টান লিমিটেড, সুপারেক্স লেদার লিমিটেড, এবিসি লেদার লিমিটেড, রিফ লেদার লিমিটেড, এসএএফ লেদার লিমিটেড, সংশিন লেদার এবং সিমোনা ট্যানিং লিমিটেড। এলডব্লিউজি সনদ পেতে ১৭টি বিভাগে ১ হাজার ৭১০ নম্বর পেতে হয়। এর মধ্যে ৩০০ নম্বর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতে বাধ্যতামূলক। মোট নম্বরের ৫০ শতাংশ পেলে প্রতিষ্ঠানকে ‘নিরীক্ষিত’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিতে, বিশ্বের ২৫০০-এর বেশি চামড়া প্রতিষ্ঠান এলডব্লিউজি সার্টিফাইড। ইতালির ৯৬০, ভারতের ৩০১, চীনের ২৭৩, পাকিস্তানের ৬২, ভিয়েতনামের ২৭, তাইওয়ানের ২৪ এবং থাইল্যান্ডের ২২ প্রতিষ্ঠান এই সনদ পেয়ে আছে।

    পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি ছিল ৩৯৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ সালে তা নেমে এসেছে মাত্র ১২৭ মিলিয়নে। অর্থাৎ এক দশকে রপ্তানি ৫০ শতাংশেরও বেশি কমেছে। বিশ্বের চামড়াজাত পণ্যের বাজার প্রায় ৪২০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ খুবই সামান্য।

    বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বর্গফুট চামড়া উৎপাদন করে। তবু স্থানীয় রপ্তানিকারকরা প্রতি বছর প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলারের সমান এলডব্লিউজি সার্টিফাইড চামড়া আমদানি করছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় বাড়ছে। অধিকাংশ ট্যানারি পুরোনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে। আধুনিক, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের খরচ বহনযোগ্য নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দাম কম থাকায় মুনাফাও সীমিত।

    ট্যানারিরা নিজস্ব ইটিপি স্থাপন চেষ্টা করলেও সরকারের অনুমোদন সীমিত। মাত্র পাঁচটি প্রতিষ্ঠান পৃথক ইটিপি স্থাপন করতে পারছে। ফলে আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন অর্জন ব্যাহত হচ্ছে। এলডব্লিউজি সনদ না থাকায় বাংলাদেশ ইউরোপের বাজার ধরতে পারছে না।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিইটিপি দ্রুত সমাপ্তি ও আধুনিকীকরণ, এলডব্লিউজি সনদকে জাতীয় অগ্রাধিকার, কর ছাড় ও সহজ ঋণের মাধ্যমে সহায়তা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আবু ইউসুফ বলেন, “২০১৭ সালে হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি সরানো হলেও আন্তর্জাতিক মান উন্নয়ন হয়নি। সিইটিপির সক্ষমতা ২৫ হাজার কিউবিক ঘনমিটার হলেও কার্যত আছে ১৫ হাজার। কিছু ইটিপি অনুমোদন পাওয়া গেলেও বাস্তবায়ন হয়নি। ২০৩০ সালের রপ্তানি লক্ষ্য অর্জন হবে যদি আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়।”

    বাংলাদেশ চামড়াজাত পণ্য এবং পাদুকা প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, “সনদ না থাকায় আমরা বৈশ্বিক বাজারে পিছিয়ে পড়েছি। ন্যায্যমূল্যে দাম না পাওয়ায় অনেকেই খাত ছাড়ছে। এলডব্লিউজি সনদ থাকলে বেশি দামে বিক্রি সম্ভব হতো। বিদেশি বাজারেও শক্ত অবস্থান গড়ে তোলা যেত। তখন আমাদের লক্ষ্য অর্জনে কোনো সমস্যা হতো না।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    অর্থনীতির টালমাটাল সময়ে ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের প্রত্যাশা

    এপ্রিল 13, 2026
    বাণিজ্য

    শ্রম আইনে বড় পরিবর্তন আনলো সরকার

    এপ্রিল 13, 2026
    অর্থনীতি

    তামাক কর সংস্কারে আয় বাড়বে ৮৫ হাজার কোটি

    এপ্রিল 13, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.