Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, এপ্রিল 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » প্রকল্প সহায়তা কমছে ১৪ হাজার কোটি টাকা
    অর্থনীতি

    প্রকল্প সহায়তা কমছে ১৪ হাজার কোটি টাকা

    মনিরুজ্জামানUpdated:ডিসেম্বর 14, 2025ডিসেম্বর 14, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সরকার আগামী অর্থবছর ২০২৫-২৬-এর সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকল্প সহায়তার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর পরিকল্পনা করছে। গতকাল শনিবার সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সংস্থা নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    সূত্র বলেছে, বিদেশি প্রকল্প সহায়তা থেকে বরাদ্দ প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭২ হাজার কোটি টাকায় নামানো হতে পারে। এর ফলে মূল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ৮৬ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের তুলনায় বিদেশি সহায়তা ১৬.২৮ শতাংশ কমে যাবে। সরকারি কর্মকর্তা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত মূলত প্রথম ত্রৈমাসিকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বিদেশি তহবলে অর্থায়িত উন্নয়ন প্রকল্পের ধীরগতি ও অপ্রতুল বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে।

    মূলত, চলতি অর্থবছরের জন্য সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ছিল ২.৩৮ ট্রিলিয়ন, যার মধ্যে ১.৪৪ ট্রিলিয়ন অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে, ৮.৬০ হাজার কোটি টাকা বিদেশি প্রকল্প সহায়তা থেকে এবং ৮৬.৯৬০ কোটি টাকা স্বায়ত্তশাসিত ও অর্ধ-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা থেকে বরাদ্দ করা হয়েছিল।

    পরিকল্পনা কমিশনা ইতিমধ্যেই বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-কে কমিয়ে কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার কাজ শুরু করেছে, যা অর্থবছর ২০২৫-২৬ এর দ্বিতীয়ার্ধে প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ  এবং পরিকল্পনা কমিশনার কর্মকর্তারা বিদেশি সহায়তা কমানোর পেছনের কারণ হিসেবে কিছু মূল সমস্যা উল্লেখ করেছেন। তারা বলছেন, ভারতীয় লাইন অফ ক্রেডিট সমর্থিত প্রকল্পের জন্য ধীর তহবিল মুক্তি এবং অনেক বাস্তবায়ন সংস্থার কম কার্যকারিতা বাজেট হ্রাসের মূল কারণ।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের  একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “সরকার ইতিমধ্যেই জনসম্পদ ব্যয় কমানোর নীতি গ্রহণ করেছে। নতুন প্রকল্প অন্ধভাবে অনুমোদন করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে চলমান প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করে বরাদ্দ কমানো হচ্ছে।”

    একই সঙ্গে, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এর একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “মন্ত্রণালয় এবং বাস্তবায়ন সংস্থাগুলো বরাদ্দিত তহবিল কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়েছে, বিশেষ করে অর্থবছরের প্রথম কয়েক মাসে।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, প্রকল্পের খারাপ নকশা, প্রশাসনিক জট, জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ার ধীরগতি প্রকল্প বাস্তবায়নের বাধা সৃষ্টি করছে।

    পরিকল্পনা কমিশনার এক কর্মকর্তা বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকার হলো বাজেটের সুশাসন নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক ও আভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে সতর্ক অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ গ্রহণ করা। এর ফলে বাজেট বাস্তব ব্যয়ের সাথে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।”

    সূত্ররা জানাচ্ছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের বিলম্বের কারণে বিদেশি তহবিলের বড় অংশ এখনও ব্যবহার হয়নি। প্রকল্প সহায়তার কাটছাট—যা মূলত ঋণ ও অনুদান—প্রতি বছরই হয়। তবে প্রস্তাবিত হ্রাসের পরিমাণ প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় গঠনমূলক অসুবিধাগুলো তুলে ধরছে।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যদিও বাজেট কিছুটা কমতে পারে, তবুও অযথা ব্যয় কমানো এবং জনগণকেন্দ্রিক উচ্চ-প্রভাব প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া একটি বাস্তবসম্মত দৃষ্টিকোণ। পরিকল্পনা কমিশনা বাকি তহবিল প্রধানত এমন প্রকল্পে ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাচ্ছে, যেগুলো সরাসরি জনসাধারণের উপকারে আসে এবং অর্থনৈতিক ফলাফল বেশি দেয়, যেমন: পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শক্তি, এবং শিক্ষা খাত।

    অর্থবছর ২০২৫-২৬ এর সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত করার আশা করা হচ্ছে, যা সম্ভবত ডিসেম্বর শেষ বা জানুয়ারির প্রথম দিকে অনুষ্ঠিত হবে।

    সূত্ররা স্মরণ করিয়েছেন, আগের অর্থবছরে  সরকার প্রকল্প সহায়তা ১৯ শতাংশ কমিয়ে ১ ট্রিলিয়ন বরাদ্দ থেকে ৮১ হাজার কোটি টাকায় নামিয়েছিল। অর্থবছর ২০২৩-২৪ এ এটি ১০৫০০ কোটি টাকা কমিয়ে ৮৩.৫ হাজার কোটি এবং অর্থবছর ২০২৩-২৪ -এ ৯.৩০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ থেকে ৭৪.৫ হাজার কোটি টাকায় নামানো হয়েছিল।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ-এর কর্মকর্তা জানান, “আমরা গত মাসে আসন্ন সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এর প্রকল্প সহায়তার বরাদ্দ তৈরির সময় সকল মন্ত্রণালয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন সংস্থার সঙ্গে পরামর্শ করেছি। অনেক প্রধান মন্ত্রণালয় চলতি বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এর কিছু বরাদ্দ ছেড়ে দিয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    সিদ্ধান্তহীনতায় ১৩ অধ্যাদেশের পতন—কার্যকারিতা হারাল “গণভোট অধ্যাদেশ”

    এপ্রিল 11, 2026
    অর্থনীতি

    দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক ঋণই কি এখন শেষ ভরসা হয়ে উঠছে?

    এপ্রিল 11, 2026
    অর্থনীতি

    সংকটময় সময়ে বাজেটের কাঠামো কেমন হওয়া প্রয়োজন

    এপ্রিল 11, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.