ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) মনে করছে, দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্কৃতি এখনও গড়ে ওঠেনি। যদিও অর্থঋণ আদালত এবং বিকল্প বিরোধ আইন-২০০১ আছে, বাস্তবায়ন সীমিত এবং কার্যকর নয়।
গতকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ সুপ্রিম কোর্ট কার্যালয়ে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তাসকীন আহমেদ বলেন, “কমার্শিয়াল কোর্ট অর্ডিনেন্স-২০২৫-এর সাম্প্রতিক অনুমোদন সময়োপযোগী এবং যুগোপযোগী পদক্ষেপ। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাণিজ্যিক পরিস্থিতিতে একটি উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে দক্ষ বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি অপরিহার্য।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের বিদ্যমান অস্বাভাবিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যেও বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্য উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রধান বিচারপতির উদ্যোগ, যেমন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, দৈনন্দিন আদালত কার্যক্রমের ডিজিটালাইজেশন এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল গঠন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সহায়ক। এটি বেসরকারিখাতের আস্থা বাড়াবে।”
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ জবাবে বলেন, “বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশকে পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত করতে হবে। কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য বেসরকারিখাতকে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সহজ হবে।” তিনি আরও বলেন, “ঢাকা চেম্বার বেসরকারিখাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। আশা করি, ভবিষ্যতে বেসরকারিখাতের নেতৃত্বে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য উন্নয়নে চেম্বার আরও বেশি অবদান রাখবে।”
সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এএইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

