Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মার্চ 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিডায় বিনিয়োগ প্রস্তাব কমেছে ৫৮ শতাংশ
    অর্থনীতি

    বিডায় বিনিয়োগ প্রস্তাব কমেছে ৫৮ শতাংশ

    মনিরুজ্জামানজানুয়ারি 12, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সেমিনার ও সামিট আয়োজনের মাধ্যমে বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ দেখা গেছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ভালো সাড়া পাওয়ার কথাও প্রচার করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

    বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি বা বিডা দেশের দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগের প্রাথমিক যাত্রা শুরু করায়। বিনিয়োগকারীরা এখান থেকে নিবন্ধন সম্পন্ন করে বিনিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রায় ৫৫ লাখ কোটি টাকা। তবে জিডিপির এই আকারের মধ্যে দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগে নিবন্ধন বা বিনিয়োগের ইচ্ছা মাত্র এক থেকে দেড় লাখ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছে। অর্থাৎ দেশের মোট জিডিপির মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ।

    বিনিয়োগের এই সীমাবদ্ধতার পেছনে রয়েছে সেবা সংযোগে বিলম্ব, জ্বালানি সংকট ও অন্যান্য লজিস্টিক প্রতিবন্ধকতা। বাস্তবেই, এই কারণগুলোতে প্রকৃত বিনিয়োগ নিবন্ধনের পরিমাণ অর্ধেকের কমে আসে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলেও বিনিয়োগের পরিবেশে উদ্বেগ ও আস্থার সংকট বজায় থাকে। ফলস্বরূপ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিনিয়োগ নিবন্ধন প্রায় ৫৮ শতাংশ হ্রাস পায়।

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সেমিনার ও সামিট আয়োজনের মাধ্যমে বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ দেখা গেছে। বিডা এসব আয়োজনের সাড়া ইতিবাচক হিসেবে প্রচার করলেও বাস্তবে তা প্রকৃত বিনিয়োগে প্রতিফলিত হয়নি। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের বেসরকারি খাতে ৬৬ হাজার ৫৭ কোটি টাকার দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ প্রস্তাব বিডায় নিবন্ধিত হয়েছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৫৮ শতাংশ কম। একই সময়ে প্রস্তাবিত প্রকল্পের সংখ্যাও কমেছে। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, রাতারাতি পরিস্থিতি বদলানোর উচ্চাশা না দেখিয়ে, নিজেদের প্রচারণা নয় বরং বিনিয়োগের মূল প্রতিবন্ধকতাগুলো সমাধানে কাজ করা অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত ছিল।

    বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয় নিবন্ধনের মাধ্যমে। এরপর বিনিয়োগকারীরা সরকারি অনুমোদন, অর্থায়ন সংগ্রহ এবং অবকাঠামো নির্মাণসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন। এই প্রক্রিয়ায় নিবন্ধনই বিনিয়োগকারীর আগ্রহের প্রথম প্রতিফলন। সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে ভাটা পড়েছে।

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিডার কাছে ৯৭০টি প্রকল্পে ৬৬ হাজার ৫৭ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধিত হয়েছে। এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ হাজার ৬৪টি প্রকল্পে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব ছিল। এক বছরের ব্যবধানে নিবন্ধিত বিনিয়োগ প্রস্তাব কমেছে প্রায় ৫৮ শতাংশ।

    এর আগের বছরগুলোর তুলনাও আশঙ্কাজনক। কভিডকালের ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রকল্পের সংখ্যা বেড়েছিল ১ হাজার ৯৫তে, তবে টাকার অংকে বিনিয়োগ প্রস্তাব কমে ৬৫ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রকল্প সংখ্যা ও বিনিয়োগ প্রস্তাব উভয়ই বেড়েছিল। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ হাজার ১৬টি প্রকল্পে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৩ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধন করা হয়েছিল। এ সময়ে বিনিয়োগ প্রস্তাবের পরিমাণ প্রায় ১৯ শতাংশ কমেছে। সেই হিসেবে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরের পর থেকে বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধনে ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হ্রাস পেয়েছে।

    গত অর্থবছরে দেশে বিনিয়োগ প্রস্তাবের মধ্যে ৮০৯টি প্রকল্পে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫২ হাজার ৩৫ কোটি টাকার প্রস্তাব এসেছে। স্থানীয় বিনিয়োগ প্রস্তাবের মধ্যে সেবা খাতের অংশ ৩২ শতাংশ। অন্য খাতের মধ্যে কেমিক্যাল খাতে ১৭ শতাংশ, বস্ত্র খাতে ১৪ শতাংশ এবং প্রক্রৌশল খাতে ১০ শতাংশ বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে।

    একই সময়ে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ১৬১টি প্রকল্পে মোট ১৪ হাজার ২২ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে ৫৫ শতাংশ এসেছে কেমিক্যাল খাতে। অন্যান্য খাতে প্রক্রৌশল খাতের অংশ ২৫ শতাংশ, সেবা খাতের ৮ শতাংশ এবং বস্ত্র খাতের ৫ শতাংশ।

    বিদেশী বিনিয়োগের হিসাব মূলত তিনটি উপখাতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে রিইনভেস্টেড আর্নিংস ও আন্তঃপ্রতিষ্ঠান ঋণের অংশ বড় হলেও প্রকৃত বিদেশী বিনিয়োগের প্রতিফলন আসে নতুন মূলধন বা ইকুইটি ক্যাপিটালে। বাংলাদেশে নিয়মিত নতুন বিদেশী বিনিয়োগ না আসায় এই হিস্যা কম থাকে। গত অর্থবছরে বিদেশী বিনিয়োগ প্রস্তাবের সঙ্গে ইকুইটি মূলধনের প্রবাহও কমেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে এসেছে ৫৫ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার ইকুইটি মূলধন, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৭ শতাংশ কম।

    এফডিআই স্টক বিবেচনায় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ উৎস হলো চীন। গত বছরের মার্চে প্রধান উপদেষ্টা বেইজিং সফরে গিয়েছিলেন। পরের মাসে বাংলাদেশে আয়োজিত বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চীনা বিনিয়োগকারী। জুলাইয়ে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চীনে সফর করেন এবং সাংহাইয়ে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন। সেখানে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-চায়না ইনভেস্টমেন্ট সেমিনার ২০২৫-এ প্রধান বক্তা হিসেবে চৌধুরী আশিক চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ, টেক্সটাইল ও আইটি খাতে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান। এই সফরগুলোতে দৃশ্যমান আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেলেও গত অর্থবছরে চীনা বিনিয়োগকারীদের নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধন ৮৯ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে দেশের চীনের নিট এফডিআই প্রবাহও কমেছে ৩.৩ শতাংশ।

    দেশভিত্তিক বিদেশী বিনিয়োগ প্রস্তাবের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চীন, জাপান, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব ও জার্মানি শীর্ষে থাকলেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ দেশগুলোর মধ্যে চীন ছাড়া আর কেউ শীর্ষ পাঁচে থাকেনি।

    গত অর্থবছরে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮২০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। চীনের প্রস্তাব হয়েছে ৬২০ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের ৫ হাজার ৭৩০ কোটি টাকার তুলনায় অনেক কম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে ৪১০ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩১০ কোটি এবং হংকং থেকে ২২০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব।

    দ্য ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ফিকি) প্রেসিডেন্ট ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘২০২৩ সালের শেষের দিকে টাকার অবমূল্যায়ন ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি সবার ব্যবসায় প্রভাব ফেলেছিল। তার ওপর অন্তর্বর্তী সরকারও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করতে পারে। বিনিয়োগকারীরা সবসময় স্থিতিশীল সরকার চায়। প্রতিযোগী দেশের সঙ্গে তুলনায় আমাদের প্রণোদনা কতটা আকর্ষণীয়, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এমন খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে হবে যা স্থানীয় ভোগের পাশাপাশি রফতানিও বাড়াবে।

    অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে শিল্প স্থাপন করলে গ্যাস ও বিদ্যুতের খরচ বেশি। দীর্ঘদিনের দাবি মেনে সরকার অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করেছে। কিন্তু এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সুবিধা ও ওয়ানস্টপ সমাধান দেওয়া হয়নি। এসব কারণেই বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমেছে।’

    বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধিরা বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন। তবে বেশির ভাগ দেশে নতুন বিনিয়োগের প্রস্তাব কমেছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেয়ার পর চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, কাতার, চীন, মালয়েশিয়া, তুরস্ক ও কোরিয়া সফর করেছেন।

    এর মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র (জানুয়ারি), জাপান (ফেব্রুয়ারি), যুক্তরাজ্য (মার্চ) ও কাতার (এপ্রিলে) সফর করেছেন। এই চার দেশের মধ্যে কাতার থেকে কোনো বিনিয়োগ আসেনি। যুক্তরাজ্য থেকে নিট এফডিআই কমেছে ৪০.৭১ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বিনিয়োগের তুলনায় কিছুটা প্রত্যাবাসিত হয়েছে। জাপান ও যুক্তরাজ্য থেকেও বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধন আগের অর্থবছরের তুলনায় কমেছে।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন  বলেন, ‘গত অর্থবছরে বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধন কমে যাওয়া প্রত্যাশিত ছিল। বাংলাদেশ তখন রূপান্তরকালীন প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা কী ভরসায় আগ্রহ দেখাবে?’

    ড. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ‘বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের প্রচার-প্রচারণার ধরন হতাশাজনক। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান ও অন্যান্য কর্মকর্তা যদি সরাসরি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কথা বলতেন, মানুষের মধ্যে তারা আলাদা মনে হতো। বর্তমান সরকার রাজনৈতিক নয়, তাই তাদের ঢোল পেটানোর দরকার নেই। বরং সমস্যা কোথায়, বাধা কোথায়, সেগুলো খোলাখুলিভাবে তুলে ধরলে ভালো হতো। সাদা সাদা, কালো কালো আর যেটা ধূসর সেটাকে ধূসর হিসেবে দেখাতে হবে। আশা-আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে ভালো চিত্র দেখানোর প্রয়োজন ছিল না।’

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, একদিকে উচ্চ সুদহার বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ঐতিহাসিকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে উচ্চমূল্যস্ফীতি ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস করেছে। তার ওপর জ্বালানি সংকটের কারণে উদ্যোক্তারা আরও ভুগছেন। এ অবস্থায় সব বিনিয়োগকারীই নির্বাচিত নতুন সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

    মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান তানভিরুর রহমান বলেন, ‘বিনিয়োগ নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে, তবে সবাই নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। নির্বাচন হয়ে গেলেই বিনিয়োগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু হবে এমন নয়। সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা দেখার প্রয়োজন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ব্যাংকের উচ্চ সুদ হার। এর সঙ্গে জ্বালানি প্রাপ্যতার ঘাটতি আছে। এ নিশ্চয়তা পাওয়ার আগে বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ করার আগে দশবার ভাববেন। আমরা সবাই চাই বিনিয়োগ হোক, কিন্তু এখন সবাই অপেক্ষা করছে।’

    বিডার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিনিয়োগ প্রস্তাবের পরিমাণ কম হলেও এটি কেবল পরিমাণগত হ্রাস হিসেবে দেখার বিষয় নয়। বরং বিডা বাস্তব বিনিয়োগ সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রস্তাব পর্যালোচনা ও স্ক্রিনিং করেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আসা বিদেশী বিনিয়োগ প্রস্তাবের ৫২ শতাংশ শেষ পর্যন্ত দেশে প্রবেশ করেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের বাস্তবায়ন প্রায় ১৪৪ শতাংশ হয়েছে। অর্থাৎ এ সময়ে নেয়া প্রস্তাবগুলো বেশি বাস্তবসম্মত ও বাস্তবায়নযোগ্য ছিল।

    গত অর্থবছর থেকে বিডা বিনিয়োগ প্রস্তাব গ্রহণে আরও কাঠামোবদ্ধ ও বাস্তবমুখী যাচাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। ফলে মোট প্রস্তাবের পরিমাণ কম হলেও এটি বাস্তব বিনিয়োগ সক্ষমতার যথাযথ প্রতিফলন দিচ্ছে। বর্তমানে বিডার লক্ষ্য কেবল প্রস্তাবের সংখ্যা নয়, বরং বিদ্যমান বিনিয়োগ পাইপলাইন থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন, অনুমোদন, জমি বরাদ্দ ও ফাইন্যান্স ক্লোজার সহজ করা। এছাড়া বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের রিইনভেস্টমেন্ট ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    বিডার নির্বাহী সদস্য নাহিয়ান রহমান রচি বলেন, ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তব বিনিয়োগ সক্ষমতা, বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং প্রকৃত এফডিআই প্রবাহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাস্তব প্রতিফলন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে বিডা আরও বাস্তবসম্মত প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।

    সাম্প্রতিক এফডিআই প্রবণতাও এ বাস্তব চিত্রকে সমর্থন করছে। পদ্ধতিগত এই পরিবর্তনের ফলাফল ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে নিট এফডিআই আগের বছরের একই সময়ে তুলনায় প্রায় ২০০ শতাংশ বেড়েছে। এটি মাঠপর্যায়ের বিনিয়োগ বাস্তবতা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ধারাবাহিক উন্নতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাণিজ্য

    রপ্তানিতে অপ্রত্যাশিত সংকট

    মার্চ 12, 2026
    বাণিজ্য

    ফেব্রুয়ারির বেতন হয়নি ৫৩% কারখানায়, ঈদ বোনাস দেয়নি ৮৪%

    মার্চ 12, 2026
    অর্থনীতি

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আসিয়ান

    মার্চ 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.