Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Sun, Jan 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বন্ধের পথে বাঁশখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
    অর্থনীতি

    বন্ধের পথে বাঁশখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

    মনিরুজ্জামানJanuary 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবস্থিত ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কয়লার মজুত ফুরিয়ে আসার কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুতের বকেয়া বিল না পাওয়ায় নতুন কয়লা কেনা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাভাবে কয়লার এলসি খোলা যাচ্ছে না। এমনকি সরবরাহকারীও বাকিতে কয়লা দিতে রাজি নয়। বর্তমানে কেন্দ্রটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কাছে ৩ হাজার ৮০২ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।

    গত ১৫ জানুয়ারি ভারতের আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ রয়েছে। এখন যদি বাঁশখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়, দেশব্যাপী ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা জানান, গ্যাস সংকটের কারণে অনেক কেন্দ্র বন্ধ আছে। তেলে উৎপাদনের খরচ বেশি। কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একমাত্র বিকল্প হলো কয়লা। কিন্তু কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র বন্ধ হলে লোডশেডিং এড়ানো যাবে না।

    পিডিবির চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তবে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গত ডিসেম্বরে এসএস পাওয়ারকে কিছু বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। প্রতি মাসে বকেয়ার একটি অংশ পরিশোধ করা হচ্ছে। পিডিবিও আর্থিক সংকটে রয়েছে, তারপরও দ্রুত বকেয়া পরিশোধের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    এসএস পাওয়ার ওয়ান লিমিটেডের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার এবাদত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, কয়লার মজুত শেষ হয়ে এসেছে। পিডিবির কাছে অনেক বকেয়া রয়েছে। টাকার অভাবে এলসি খোলা যাচ্ছে না। সরবরাহকারীও বাকিতে কয়লা দিতে চাচ্ছে না। এই অবস্থায় কেন্দ্র বন্ধ না করার কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও জানান, আমরা পিডিবিকে বকেয়া পরিশোধে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। পিডিবি চাইছে কেন্দ্র চালু রাখতে, তবে বকেয়া না দিয়ে।

    গত ১৫ জানুয়ারি এসএস পাওয়ার পিডিবির চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, বকেয়া বিল ৩ হাজার ৮০২ কোটি টাকার বেশি। এই টাকা না পেলে কয়লা আমদানি, কেন্দ্র পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হবে। বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না হলে কেন্দ্র বন্ধ হবে। চিঠিতে বলা হয়েছে, সরবরাহকারীর মূল্য পরিশোধ না হওয়ায় একটি কয়লার শিপমেন্ট ফেরত গেছে। ১৫ জানুয়ারি নতুন কয়লার সরবরাহও আসেনি। তাই চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্র বন্ধ ছাড়া বিকল্প নেই।

    এসএস পাওয়ারের কর্মকর্তা জানান, ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর পিডিবিকে জরুরি ভিত্তিতে চারটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কোনো সাড়া মেলেনি। সর্বশেষ ১৫ জানুয়ারি জরুরি চিঠি দেওয়ার পর বিকেলে পিডিবি পাল্টা চিঠিতে কেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বন্ধ না রাখার অনুরোধ করেছে।

    পিডিবির সেক্রেটারি মো. রাশেদুল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানানো হয়, মোট বকেয়ার একটি অংশ পরিশোধ করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে দেড় হাজার কোটি টাকা এবং ১৪ জানুয়ারি আরও পাঁচশ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। পিপিএ অনুযায়ী বাকি বিল দ্রুত পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ সরবরাহের জন্য কেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, ১৫ জানুয়ারি ভারতের গেড্ডায় অবস্থিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ ছিল। সেই কেন্দ্র থেকে গতকাল ৭৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে চাহিদা কিছুটা কম, তবে ফেব্রুয়ারির পর বাড়বে। বেসরকারি কেন্দ্রগুলোর বকেয়া দ্রুত পরিশোধ করে সচল রাখতে হবে। তা না হলে লোডশেডিং ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

    জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ, বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, গ্যাস সংকটে অনেক কেন্দ্র পূর্ণ উৎপাদনে যেতে পারছে না। এখন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো যে কোনো মূল্যে চালু রাখতে হবে। না হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে যাবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    নেপাল থেকে বড় পরিসরে বিদ্যুৎ আনা কেন জরুরি

    January 18, 2026
    অর্থনীতি

    দেশীয় সুতা উৎপাদন সুরক্ষায় বন্ড সুবিধা বন্ধের প্রস্তাব

    January 18, 2026
    অর্থনীতি

    সুদের দিক থেকে বিল ও বন্ড এখন এক কাতারে

    January 18, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.