রাজধানীর বাজারে দীর্ঘদিন ধরে সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে, যার ফলে ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। শীত মৌসুমের শুরুতে কিছুটা অস্বস্তি থাকলেও এখন ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, কুমড়া, মুলা, পেপে, শালগম ও ব্রকলিসহ বেশিরভাগ সবজির দাম নিচের দরে ধরা পড়ছে।
আলু কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ৫ থেকে ১০ টাকা কম। অন্যদিকে সুগন্ধি চালের দাম কিছুটা বেড়েছে; প্যাকেটজাত চালের প্রতি কেজি সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এখন ১৭৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০ টাকা। বিক্রেতাদের মতে, রোজা ও ঈদের সময় চাহিদা বাড়ার কারণে সরবরাহকারীরা দাম বাড়িয়েছেন।
মুরগি ও ডিমের বাজারে দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির দামও বেড়ে কেজিতে ২৭০ থেকে ৩০০ টাকা। তবে ডিমের বাজার স্বাভাবিক রয়েছে। ফার্মের বাদামি ডিম প্রতি ডজন ১১০ টাকা এবং সাদা ডিম ১০০ টাকায় কেনা যাচ্ছে।
গরু মাংসের দামও কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি গরু মাংস পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭৮০ টাকা। মাছের বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৬০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, শিং ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি মাছ ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ির দাম তুলনামূলকভাবে বেশি, আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজি খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।
অন্য খাদ্যদ্রব্যের বাজারেও ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। আদা ও রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ২২০ টাকায়, চিনি ৯৮ থেকে ১০৫ টাকায়, পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৭০ টাকায়, ছোলা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় এবং মশুর ডাল ৮০ থেকে ১২০ টাকায়।
মোটকথা, সবজির বাজারে ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন, তবে প্রোটিন জাতীয় খাদ্যদ্রব্য যেমন মুরগি, মাছ ও ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের জন্য ক্রয়ক্ষমতা কিছুটা চাপের মধ্যে পড়েছে।

