Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Tue, Feb 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নিলামের কনটেইনার উধাও, কি হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরে?
    অর্থনীতি

    নিলামের কনটেইনার উধাও, কি হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরে?

    মনিরুজ্জামানFebruary 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম হওয়া পণ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছাচ্ছে না—এমন ঘটনায় বড় ধরনের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কাস্টমস আইন-১৯৬৯-এর ৮২ ধারা অনুযায়ী আইন লঙ্ঘনের দায়ে খালাস না হওয়া পণ্যভর্তি কনটেইনার রাষ্ট্রীয়ভাবে বাজেয়াপ্ত হয়ে নিলামে বিক্রি হয়। কিন্তু নিলামের পর কনটেইনার উধাও হলে পুরো প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

    সম্প্রতি ২০২৪ সালের মার্চে ই-অকশনের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া একটি কনটেইনার নিয়ে এমনই পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। ১ কোটি ৬ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া ওই কনটেইনারে ছিল ২৫ হাজার ৬২৬ কেজি (৪৭৮ রোল) ইনডিগো রঙের ফেব্রিক্স। বিডার সমস্ত অর্থ পে-অর্ডার ও এ-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করেও পণ্য বুঝে নিতে পারছেন না।

    চট্টগ্রাম বন্দরের কর্তৃপক্ষ জানায়, কনটেইনারটির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সরবরাহ ব্যর্থ হওয়ায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে পণ্যের মূল্যসহ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানের চিঠি-চালাচালির পরেও কনটেইনারটির কোনও সন্ধান মেলেনি।

    এটি একাই নয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের আগস্টেও প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের আরও দুটি কাপড়ভর্তি কনটেইনার উধাও হয়েছে। নিলামে অংশ নেওয়া বিডার সমস্ত শুল্ক পরিশোধ করলেও পণ্য এখনও পৌঁছায়নি। এমন ঘটনা চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার উপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

    চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বলেন, “বিডার সমস্ত শুল্ক পরিশোধের পরও কনটেইনার দিতে না পারায় বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি জানিয়েছে কনটেইনার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এখন বিডারের অর্থ ফেরতসহ ক্ষতিপূরণ আদায়ের প্রক্রিয়া চলছে।”

    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসন বিভাগের পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, “তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর নির্ধারণ করা হবে কোথায় গাফিলতি হয়েছে। এরপর দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়সহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কনটেইনার পাওয়া না যায়, দায়ী ব্যক্তিকে সনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    নথিপত্র অনুযায়ী পাওয়া তথ্য:

    চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম হওয়া পণ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছাচ্ছে না। কাস্টমস ও বন্দর সূত্র জানায়, পণ্য চালান ডেলিভারি না হওয়ায় বিডার পরিশোধিত ১ কোটি ৬ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকার ফেরত বা ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করেছে।

    নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চে ই-অকশনের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া ওই কনটেইনারে ছিল ২৫ হাজার ৬২৬ কেজি (৪৭৮ রোল) কালার-ইনডিগো জাতীয় ফেব্রিক্স। এর বিড মূল্য ছিল ৮৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা, অগ্রিম আয়কর ৮ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা এবং ভ্যাট ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৭০০ টাকা। পরবর্তী সময়ে ডিও ইস্যু করা হয় এবং বিডার পে-অর্ডার ও এ-চালানের মাধ্যমে মোট ১ কোটি ৬ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু পণ্য গ্রহণের সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ডেলিভারি দিতে অপারগতা প্রকাশ করে।

    অভিযুক্ত কনটেইনারটি খুঁজে না পাওয়ায় সমস্যা আরও গভীর হয়। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের আরও দুটি কাপড়ভর্তি কনটেইনার রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। শাহ আমানট ট্রেডিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান নিলামে কেনা পণ্যের জন্য ১ কোটি ৭ লাখ টাকা পরিশোধ করেও শেষ পর্যন্ত বন্দর ইয়ার্ডে গিয়ে কনটেইনারের সন্ধান পায়নি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টরা ডিজিটাল জালিয়াতি বা পরিকল্পিত চুরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর পণ্যের ডেলিভারির বিষয়ে অবহিত করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারকে আরও একটি চিঠি পাঠানো হয়। এরপর ৩০ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করার কথা জানায় এবং প্রতিবেদনে কনটেইনারটি খুঁজে পাওয়া না যাওয়ার তথ্য দেয়। ফলে কনটেইনার হস্তান্তর সম্ভব হয়নি।

    কাস্টমস সূত্র জানায়, ডেলিভারি ব্যর্থ হওয়ায় সরকার প্রাপ্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই বিডার জমাকৃত ১ কোটি ৬ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত প্রদানের জন্য আবেদন করলে, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ কমিশনারের অনুকূলে তা পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের নিলাম শাখায় জমা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।

    কাস্টমস আইন-২০২৩-এর ধারা-৮ অনুযায়ী চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের আমদানি-রপ্তানি পণ্যের হেফাজতকারি হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দায়িত্বপ্রাপ্ত। একই আইনের ধারা-১৩০ অনুযায়ী, ওয়্যারহাউজ বা কাস্টমস বন্দর রক্ষকের দায়িত্বও বন্দর কর্তৃপক্ষের। সরকারি ওয়্যারহাউজে রক্ষিত পণ্যের ক্ষেত্রে দায়িত্ব ওয়্যারহাউজ রক্ষকের, আর বেসরকারি ওয়্যারহাউজে পণ্যের ক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী, পণ্যের শুল্কায়নকারী কাস্টমস কর্মকর্তা। এর মধ্যে রয়েছে—পণ্যের পরিমাণ, ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করা, ঘাটতি বা অমিল চিহ্নিত করা, পণ্য যথাযথভাবে গ্রহণ, সরবরাহ ও জমা রাখার দায়িত্ব। এমন অবস্থায়, রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং নিলামে বিক্রিত সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধিত পণ্য যদি বন্দরের ভেতর থেকে উধাও হয়ে যায়, তা হলে প্রশ্ন ওঠে—দায় কার? বন্দর কর্তৃপক্ষ, ওয়্যারহাউজ রক্ষক, নাকি অন্য কোনো সংস্থা?

    চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, “কনটেইনার যদি পাওয়া না যায়, তখন দোষ বা গাফিলতি কার—সেটি তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। দায়ী ব্যক্তি সনাক্ত হলে ক্ষতিপূরণ আদায়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, যৌথ তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে কনটেইনার খুঁজে পাওয়া না যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    নিলামে বিক্রিত পণ্যের নিরাপদ হেফাজত, সময়মতো ডেলিভারি এবং সরকারি রাজস্ব সংরক্ষণের প্রশ্ন এখন উদ্দীপক। পাঠকরা হয়তো জানতে চাইবেন—কীভাবে কোটি টাকা মূল্যের পণ্য বন্দরের সুরক্ষিত স্থানে থেকে উধাও হতে পারে, এবং এই ঘটনায় কে দায়ী হবে।

    আরও দুটি কাপড়ের কনটেইনার বন্দরে অদৃশ্য:

    চট্টগ্রাম বন্দরে নিলামকৃত পণ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছাচ্ছে না, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করেছে। কাস্টমস ও বন্দর সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের আগস্টে প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের কাপড়ভর্তি দুটি কনটেইনার উধাও হয়েছে।

    নথিপত্র অনুযায়ী, ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নিলামে অংশ নিয়ে কনটেইনার দুটি ক্রেতা কিনেছেন। শাহ আমানত ট্রেডিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে প্রায় ২৭ টন কাপড়ভর্তি একটি কনটেইনার ৮৫ লাখ টাকায় কিনে নেন। নিলামের আগে ক্রেতা সরেজমিনে পণ্যের পরিদর্শনও করেন। পরে শুল্ক, নিলামমূল্য ও বন্দর চার্জ বাবদ মোট ১ কোটি ৭ লাখ টাকা পরিশোধের পর ট্রাক নিয়ে পণ্য খালাসের জন্য বন্দর ইয়ার্ডে গেলে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কনটেইনারটি সেখানে নেই।

    ঘটনা জানার পর ক্রেতা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও কনটেইনারের কোনো সন্ধান মেলেনি। চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বলেন, “ওই কনটেইনারও পাওয়া যায়নি। চূড়ান্ত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে এখনও আমাদের সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।”

    কাস্টমস আইন অনুযায়ী পণ্যের হেফাজতকারী হিসেবে বন্দর কর্তৃপক্ষ দায়বদ্ধ। তবু ক্ষতিপূরণ বা পণ্য হস্তান্তর এখনও নিশ্চিত হয়নি। কাস্টমস ও বন্দরের মধ্যে দফায় দফায় চিঠি-চালাচালিও কার্যত কোনো সমাধান দিতে পারেনি। তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও চূড়ান্ত প্রতিবেদন ঝুলে থাকায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

    এ বিষয়ে এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়ে নিলামে বিক্রি হওয়া পণ্য যদি বন্দরের ভেতর থেকেই উধাও হয়ে যায়, তা বন্দর কর্তৃপক্ষের চরম ব্যর্থতা। বিডার সব টাকা পরিশোধ করার পরও পণ্য বুঝিয়ে দিতে না পারা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে শুধু ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না, সরকারও প্রাপ্য রাজস্ব হারাচ্ছে। আন্তর্জাতিকভাবে দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনার ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় বিক্রি হওয়া পণ্য যদি রাষ্ট্রই ডেলিভারি দিতে না পারে, তাহলে সেটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

    দুদকের অভিযান ও ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ:

    চট্টগ্রাম বন্দরে নিলামে বিক্রি হওয়া অন্তত দেড় কোটি টাকার কাপড়ভর্তি দুটি কনটেইনার রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে। বিষয়টি তদন্তের আওতায় নিয়ে ২৮ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বন্দরে অভিযান চালায়। দুদকের চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শাহ আমানত ট্রেডিংয়ের মালিক সেলিম রেজা বলেন, “কোটি টাকার বেশি মূলধন প্রায় সাত মাস ধরে আটকে থাকায় আমাদের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। বারবার চিঠি দিয়েও প্রতিকার পাচ্ছি না। এমন ঘটনা বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে গভীর আস্থার সংকট তৈরি করবে।”

    চট্টগ্রাম বন্দরে এ ধরনের কনটেইনার উধাও হওয়ার ঘটনা কেবল ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করছে না, সরকারের প্রাপ্য রাজস্বও হারাচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনার ভাবমূর্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ব্যাংক নয়, অলিগলি দিয়ে দেশে ঢুকছে ডলার

    February 3, 2026
    বাণিজ্য

    রপ্তানি আয়ের পতন থামবে কখন?

    February 3, 2026
    অর্থনীতি

    দেশের সব বেসরকারি ইপিজেড এখন বেজার নিয়ন্ত্রণে

    February 3, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক August 4, 2025

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক October 30, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি October 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.