রাজধানীর বাজারে দীর্ঘদিনের অস্থিরতার পর অবশেষে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও আলুর দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দাম কমেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ টাকা কম। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজের দামও কমে দাঁড়িয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি।
শুধু পেঁয়াজ নয়, আলুর বাজারেও স্বস্তি এসেছে। বর্তমানে ৫ কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, যেখানে গত সপ্তাহে একই পরিমাণ আলু কিনতে গুনতে হতো ১২০ টাকা। বগুড়ার আলু কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়।
বিক্রেতা মো. খালেক জানান, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। তার ভাষায়, “চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। যদি এমনটা থাকে, আগামী সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম আরও কমতে পারে।”
তবে সব পণ্যে সমান স্বস্তি নেই। আদা কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ২২০ টাকায়। রসুনের দাম ১২০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। দেশি মশুর ডাল কেজিতে ১৭০ টাকা, আর মুগ ডাল ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজারে মিনি কেট চালের দাম ৭৮ থেকে ৯০ টাকা কেজি, আর নাজিরশাইল চাল ৭৬ থেকে ৮৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, যদি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে, তাহলে পেঁয়াজ ও আলুর দাম আরও কমতে পারে। তবে বাজার পরিস্থিতি নির্ভর করছে আমদানি, পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর।
দীর্ঘদিনের মূল্যবৃদ্ধির চাপে থাকা ভোক্তাদের জন্য এই সামান্য কমতি কিছুটা হলেও স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। এখন দেখার বিষয়, এই স্বস্তি সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদি।

