Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মার্চ 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তার ছায়া
    অর্থনীতি

    মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তার ছায়া

    মনিরুজ্জামানমার্চ 14, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক শ্রমবাজারের ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর ওই অঞ্চলের অনেক দেশে ফ্লাইট অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এতে বিদেশে কর্মসংস্থানের ধারায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি অংশ নিরাপত্তা ও কাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে আছেন। ছুটিতে দেশে এসে কেউ কেউ আবার কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না। নতুন কর্মীদের অনেকেই নির্ধারিত সময়ে বিদেশে যেতে পারছেন না। সব মিলিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রবাহে চাপ তৈরি হয়েছে।

    যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব ইতিমধ্যে পরিসংখ্যানে স্পষ্ট। বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)–এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম ১০ দিনে বিদেশে কাজের জন্য ছাড়পত্র নেওয়ার সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

    বিদেশে কর্মী পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিকল্প শ্রমবাজার তৈরি না হওয়ায় এখন এই ঝুঁকি প্রকট হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বড় পরিসরে কর্মসংস্থান গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। আবার দক্ষ কর্মী তৈরি না হওয়ায় ইউরোপ বা জাপানের মতো সম্ভাবনাময় বাজারেও বাংলাদেশ থেকে পর্যাপ্ত কর্মী পাঠানো যাচ্ছে না। এ ছাড়া প্রায় দুই বছর ধরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কার্যত বন্ধ থাকায় নতুন সুযোগ তৈরিও থমকে আছে।

    অভিবাসন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ করে সৌদি আরব কেন্দ্রিক শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরতা এখন বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিকল্প বাজার না থাকায় কর্মী পাঠানোর গতি ব্যাহত হচ্ছে। এতে অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, কর্মী পাঠানোর তালিকায় ১৬৮টি দেশের নাম থাকলেও বাস্তবে গত বছর বাংলাদেশ থেকে কর্মীরা গেছেন ১৪১টি দেশে। তবে এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র পাঁচটি দেশে। আবার ১৩টি দেশে গেছেন মাত্র একজন করে কর্মী এবং ৩৪টি দেশে গেছেন দুই থেকে দশজন। ২০২৫ সালে মোট ১১ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৭ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৬৭ শতাংশই গেছেন সৌদি আরবে।

    যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত সংঘাতের প্রভাবে সৌদি আরবে দুইজন এবং বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত–এ একজন করে বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আটকে পড়া কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এ পরিস্থিতিতে সরকারও কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধকবলিত প্রবাসীদের সহায়তায় সার্বক্ষণিক হটলাইন ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে আটকে পড়া কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ৯ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–কে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত এক প্রবাসীর মরদেহ দাফন করা হয়েছে এবং অন্যদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

    প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, সরকার এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীরা দেশে ফিরলে তাঁদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা হবে। যাঁরা নির্ধারিত সময়ে বিদেশে যেতে পারছেন না, তাঁদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে অনুরোধ করা হয়েছে।

    সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে নতুন শ্রমবাজার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য দক্ষ কর্মী গড়ে তোলায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে জাপান ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ নিয়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গেও আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় প্রবাসী কর্মীদের যাতায়াতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। গত প্রায় দুই সপ্তাহে ঢাকার প্রধান বিমানবন্দর থেকে শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে দেশে ছুটিতে আসা অনেক কর্মী আবার কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না। নতুন কর্মীদের বিদেশ যাত্রাও আটকে যাচ্ছে।

    বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ৩৯১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে গত বুধবারই বাতিল হয়েছে ২৪টি ফ্লাইট। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরান, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ রেখেছে। ফলে ওই অঞ্চলে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

    ছুটিতে এসে আটকে পড়া কর্মী

    ওমানে কর্মরত কুমিল্লার মোবারক হোসেন গত ২১ জানুয়ারি দেশে বেড়াতে আসেন। মার্চের শুরুতেই তাঁর কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল। তিনি জানান, কোম্পানি থেকেও ফিরে যেতে বলা হয়েছে কিন্তু ফ্লাইট না থাকায় এখন আর যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া তাঁর কোনো উপায় নেই। ফ্লাইট চালু হলে আবার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

    একই পরিস্থিতিতে পড়েছেন কুমিল্লার ফরহাদ হোসাইন। তিনি ওমানে  ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম, বিশেষ করে এসি–সংক্রান্ত কাজে যুক্ত। ১৫ দিনের ছুটিতে দেশে এসে এখন আটকা পড়েছেন। তিনি বলেন, এ সময় তাঁর কাজে চাপ বেশি থাকে। কোম্পানি থেকেও দ্রুত ফিরতে বলা হচ্ছে। কিন্তু ফ্লাইট না থাকায় তিনি কর্মস্থলে যেতে পারছেন না।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর পর সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে মধ্যপ্রাচ্যের ১৪টি দেশে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেক দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। ফলে মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইটের সংখ্যা কমে যায় এবং বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়।

    বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)–এর তথ্য বলছে, গত মাসে বিভিন্ন দেশে মোট ৬৫ হাজার ৬১৩ জন কর্মী গেছেন। এর মধ্যে প্রথম ১০ দিনেই গিয়েছেন প্রায় ৩৮ হাজার জন। তবে চলতি মার্চের ১ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত বিদেশে যাওয়ার জন্য ছাড়পত্র নিয়েছেন ২১ হাজার ১২২ জন। গত বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৪৬ হাজার ৭৪৪। অর্থাৎ যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। সৌদি আরবে কিছু ফ্লাইট চালু থাকায় কেউ কেউ এখনো যেতে পারছেন। তবে অনেক কর্মী যুদ্ধের আশঙ্কায় আপাতত যাত্রা স্থগিত রাখছেন।

    তৃণমূল অভিবাসীদের সংগঠন অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (ওকাপ)–এর চেয়ারম্যান শাকিরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ বাংলাদেশি কর্মী কাজ করছেন। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তাঁদের চাকরি টিকে থাকবে কি না, সেটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে। এতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট তৈরি হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, অনেক কর্মী বিদেশে যাওয়ার জন্য আগে থেকেই টাকা দিয়েছেন। এখন ফ্লাইট সংকটে যেতে না পারায় তাঁদের অনিশ্চয়তা বাড়ছে। সরকারের উচিত এসব কর্মীর একটি ডেটাবেজ তৈরি করা, যাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাঁরা দ্রুত বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পান।

    অভিবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশে যেতে অনেক কর্মী ঋণ নেন। কিন্তু এখন যদি নির্ধারিত সময়ে বিদেশে যেতে না পারেন, তাহলে সেই ঋণ পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এতে তাঁদের পরিবারও আর্থিক চাপে পড়বে। তাই এমন পরিবারগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

    প্রলোভনের ফাঁদে পড়ার শঙ্কা

    বিদেশে কর্মসংস্থানের পথ সংকুচিত হওয়ায় নতুন ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বৈধ শ্রমবাজার সীমিত হয়ে পড়লে অনেক কর্মী প্রতারণার শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন অভিবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে অবৈধ দালালচক্র ও অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    চক্র গড়ে শ্রমিক পাঠানোর অভিযোগ ওঠার পর ২০২৪ সালের জুন থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। উদ্যোগ নেওয়া হলেও আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও বাজারটি পুনরায় চালু করা যায়নি। একই সময়ে ওমান, বাহরাইনসহ আরও কয়েকটি বন্ধ বাজারও খুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাত এর শ্রমবাজারও এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

    তবে শ্রমবাজার সম্প্রসারণে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে মোট সাতটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব চুক্তি কার্যকর করা গেলে ভবিষ্যতে দক্ষ কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    বিদেশে কর্মী পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিস (বায়রা)–র সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের শ্রমবাজার মূলত সৌদি আরবকেন্দ্রিক। দেশটির জেদ্দা ও রিয়াদে কিছু ফ্লাইট চালু থাকায় সীমিতভাবে কর্মী যাওয়া অব্যাহত আছে। তবে আগের তুলনায় সংখ্যাটি কমেছে। অনেকেই ভিসা নেওয়া বা বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে এখন দ্বিধায় আছেন। কেউ কেউ স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করেই পরিস্থিতি পরিষ্কার হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, চক্রের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার কোনো সুযোগ নেই।

    অভিবাসন খাত নিয়ে গবেষণা করা বেসরকারি সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন শ্রমবাজার হিসেবে উঠে এসেছে। গত বছর সেখানে গেছেন ৪ হাজার ৬৬৩ জন বাংলাদেশি কর্মী। এর আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ৯৯৩। তবে উচ্চ বেতন ও রাশিয়ার নাগরিকত্ব পাওয়ার লোভ দেখিয়ে কিছু দালালচক্র অভিবাসী সংগ্রহ করছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব চক্রের একটি অংশ রাশিয়ার অসাধু নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশিদের রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ–সংক্রান্ত কাজে পাঠানোর চেষ্টা করছে।

    এদিকে অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতাও বাড়ছে। রামরুর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ হাজার ৭৬ জন বাংলাদেশি সমুদ্রপথে ইতালির উপকূলে পৌঁছেছেন। ইতালিতে ওই সময় যেসব দেশের অভিবাসী গেছেন, তাঁদের মধ্যে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। আগের বছরের তুলনায় এটি প্রায় দ্বিগুণ।

    রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, বৈধ শ্রমবাজার সংকুচিত হলে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচারের ঝুঁকি বাড়ে। ইতালি যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেই লিবিয়া বা রাশিয়াভিত্তিক দালালচক্রের ফাঁদে পড়তে পারেন। তাই এই সময়ে প্রলোভনের ফাঁদে না পড়ার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, যুদ্ধপ্রবণ দেশগুলোতে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। প্রতিদিন পরিস্থিতির তথ্য দেশে পাঠানো দরকার। পাশাপাশি প্রবাসীদের জরুরি সহায়তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন শ্রমবাজার তৈরির জন্য দক্ষ কর্মী গড়ে তোলায় এখনই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনীতির নতুন অনিশ্চয়তা

    মার্চ 14, 2026
    অর্থনীতি

    আট বছরেও শেষ হয়নি রাজশাহীর পানি প্রকল্প

    মার্চ 14, 2026
    অর্থনীতি

    সম্প্রচার খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব পেতে পারে রাষ্ট্র

    মার্চ 14, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.