Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ত্বরিত অনুমোদন, আইনের লঙ্ঘন—গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় কি এমন বিশেষ?
    শিক্ষা

    ত্বরিত অনুমোদন, আইনের লঙ্ঘন—গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় কি এমন বিশেষ?

    মনিরুজ্জামানএপ্রিল 2, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের মেয়াদে দেশে মাত্র একটিমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন মিলেছে। অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটির নাম গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়, যা চালু করেছে গ্রামীণ ট্রাস্ট। এই ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    দীর্ঘ সময় ধরে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন ঝুলে থাকলেও, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন হয়েছে মাত্র তিন মাসের মধ্যে। সেই সময়ে এই দ্রুত প্রক্রিয়া বিস্ময় সৃষ্টি করেছিল। বিশেষভাবে নজরকাড়া বিষয় হলো, ওই সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। অনুমোদনের এই দ্রুত গতি এবং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে তখনও নানা সমালোচনা ও আলোচনা হয়েছিল। তবে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে ইতিমধ্যে শিক্ষাঙ্গণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

    আইনে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অনুমোদন পেল গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়:

    সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুমোদিত গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় যেন আইনের ওপর সপ্রশস্ত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলেছে এমন অভিযোগ সামনে এসেছে। ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন স্পষ্টভাবে বলে, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় নতুন বিশ্ববিদ্যালয় খোলার জন্য অন্তত পাঁচ কোটি টাকা তফসিলি ব্যাংকে জমা থাকতে হবে  কিন্তু গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে অনুমোদন মাত্র দেড় কোটি টাকার জমার শর্তে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে বাড়ি-৬, মেইন রোড, দিয়াবাড়ী দক্ষিণ, তুরাগ, ঢাকা-১২৩০। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নথি ও ম্যাপ অনুযায়ী, এটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পড়ে। আইন অনুযায়ী কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকার জামানত থাকা উচিত ছিল।

    আমরা  যখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নথি খুঁটিয়ে দেখেছি,
    ১৭ মার্চ ২০২৫ তারিখের স্মারক নং ৩৭.০০.০০০০.০৭৮.০২.০০১.২০২৫-৮৫ এ গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনপত্র পাওয়া গেছে। এতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে সংরক্ষিত তহবিল হিসেবে অন্যূন দেড় কোটি টাকা যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে জমা থাকতে হবে এবং সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত তা উত্তোলন করা যাবে না’।

    কেন ৫ কোটির আইন অমান্য করে মাত্র দেড় কোটি টাকার শর্তে অনুমোদন দেওয়া হলো এই প্রশ্ন নিয়েই কালের কণ্ঠ সোমবার যোগাযোগ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকের সঙ্গে। তিনি বলেন,“আমি এই দপ্তরে নতুন যোগ দিয়েছি। অনুমোদনের সময় আমি এখানে ছিলাম না, তাই কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। তবে যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়কে অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে।”

    এরপর আমরা খুঁজে পাই অনুমোদনের সময় দায়িত্বে থাকা সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়েরকে, যিনি বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। তিনি কালের কণ্ঠকে জানান,“পাঁচ কোটির বদলে কেন দেড় কোটি টাকার শর্ত দেওয়া হয়েছে তা মনে নেই। সাধারণত এসব নিয়ম ইউজিসি ঠিক করে। বিষয়টি আমলাতান্ত্রিক জটিলতার সঙ্গে জড়িত।”

    সুতরাং প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে আইনের স্পষ্ট ধারার বিপরীতে কেন ত্বরিত অনুমোদন দেওয়া হলো এবং এই ন্যক্কারজনক বিচ্যুতির দায় কার? গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের সময় ইউজিসি চেয়ারম্যান ছিলেন অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। অসুস্থতার কারণে তিনি ১৬ মার্চ পদত্যাগ করেন। তিনি জানান, “গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন বেশ আগের ঘটনা। সংরক্ষিত তহবিলের ক্ষেত্রে হয়তো স্পেশাল কোনো অনুমোদন ছিল, কিন্তু নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইনফ্লুয়েনশিয়াল ব্যক্তি। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় লাভের জন্য করেননি, শিক্ষার উন্নয়নের জন্য করেছেন।”

    আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ও ৫ কোটির জায়গায় দেড় কোটি টাকার তহবিল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল হাসানকে ৩০ মার্চ সন্ধ্যা থেকে কয়েক দফা ফোন করা হয়। প্রথমে ফোন ধরেননি, পরে মেসেজে যোগাযোগ করা হলে আধাঘণ্টার মধ্যে ফোনে ফিরতি কথা বলেন। তিনি বলেন, আইনে যেটা সংরক্ষিত তহবিল হিসেবে বলা হয়েছে, সেটাই রাখা হয়েছে। কোনো আইন বা সরকারি নিয়মের লঙ্ঘন আমরা করিনি। আমরা টাকা কামানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় করি না। এটি আমাদের সোশ্যাল বিজনেস। সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা করেছি। আমাদের লক্ষ্য ‘জিরো প্রভার্টি’, ‘জিরো আনএমপ্লয়মেন্ট’, ‘জিরো কার্বন’।”

    রাত ১০:৪০ মিনিটে তিনি নিজে ফোন করেন এবং আরও জানান,“মন্ত্রণালয় যে টাকা জমা দিতে বলেছে, আমরা সেটাই দিয়েছি। পূর্বাচলে আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস হওয়ার কারণে সংরক্ষিত তহবিল দেড় কোটি হতে পারে। আমাদের ব্যবসার উদ্দেশ্য নেই, আমরা মানুষ গড়তে চাই।”

    পরের দিন মঙ্গলবার দুপুর ১:২৬ মিনিটে আশরাফুল হাসান হোয়াটঅ্যাপে ইউজিসির একটি চিঠির প্রথম পৃষ্ঠা পাঠান। চিঠিতে দুটি লাইন হাইলাইট করা আছে:“প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে সংরক্ষিত তহবিল হিসেবে অন্যূন পাঁচ কোটি টাকা যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে জমা থাকতে হবে এবং সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত আসল বা এর লভ্যাংশ উত্তোলন করা যাবে না।”

    হোয়াটঅ্যাপ মেসেজে তিনি আরও যোগ করেন,“ইউজিসির চিঠি অনুযায়ী আমরা পাঁচ কোটি টাকাই ডিপোজিট করেছি।”এই বিবৃতিগুলো দেখাচ্ছে, অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ দাবি করছে, তহবিল সংরক্ষণ ও ব্যবহার সব আইনের সঙ্গে মিল রেখে করা হয়েছে।

    তিন মাসেই অনুমোদন: দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে রকেটগতি:

    ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১১৫টি, যার মধ্যে রাজধানীতে প্রায় ৫০টি। সাধারণভাবে, একটি নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের প্রক্রিয়া দীর্ঘ এবং জটিল।

    প্রথমে উদ্যোক্তাদের স্থান নির্ধারণ, অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সুবিধা চূড়ান্ত করতে হয়। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে আবেদন করতে হয়। মন্ত্রণালয় তথ্য যাচাই করে উপযুক্ত মনে করলে তা ইউজিসিতে পাঠায়। ইউজিসি প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা করে, একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান, প্রয়োজনীয়তা, পাঠক্রম ও পরিকল্পনা যাচাই করে প্রতিবেদন পাঠায়।

    কমিটির প্রতিবেদন যদি পজিটিভ হয়, মন্ত্রণালয় পুনরায় যাচাই-বাছাই করে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠায়। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পরই মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের পরিপত্র জারি করে। এ প্রক্রিয়ায় সাধারণত এক থেকে দুই বছর সময় লাগে, আবার অনেক ক্ষেত্রে বছরগুলোও লেগে যায়।

    অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত অনুমোদন চমকপ্রদ। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর, গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল হাসান ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। দ্রুততার সঙ্গে মন্ত্রণালয় ইউজিসিকে পরিদর্শনের জন্য চিঠি পাঠায়।

    ইউজিসি ৫ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে। নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, কমিটিতে ছিলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, ইউজিসি পরিচালক (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ) ড. মো. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া এবং সিনিয়র সহকারী পরিচালক নূরী শাহরীন ইসলাম। কমিটি ২৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে দ্রুত পজিটিভ মতামত দেয় এবং প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

    প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের অনুমোদন শেষে, ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক অনুমোদন দেওয়া হয়। ইউজিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন  বলেন, ইউজিসির বড় ধরনের কোনো ভূমিকা নেই। আমাদের কাছে শুধু পরিদর্শনের জন্য চিঠি পাঠায়। আমরা পরিদর্শন করে প্রতিবেদন পাঠাই। চাপ বা অন্য কোনো বিষয় এখানে নেই। তবে অনুমোদনের গাইডলাইন আরও স্ট্রং হওয়া দরকার।”

    গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের দেড় কোটি টাকার সংরক্ষিত তহবিল নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, আইন অনুযায়ী ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকা থাকা উচিত। এর ব্যত্যয় ঘটলে তা নথিপত্র দেখে, জেনেশুনে বলা উচিত।” তিন মাসের মধ্যে দ্রুত অনুমোদন, আইনের নিয়মিত তফাৎ এবং গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ প্রক্রিয়া—সব মিলিয়ে এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

    আগে থেকে ঝুলছিল ২২ বিশ্ববিদ্যালয়:

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত অনুমোদন পেলেও আগে থেকে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করছিল। এদের মধ্যে বেশ কয়েকটির পরিদর্শনও ইউজিসি শেষ করেছিল।

    রাজধানীর পূর্বাচলে সাউথ পয়েন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামে ইউনিভার্সিটি অব পোর্টো গ্রান্ডে পরিদর্শন শেষে ২০২৪ সালের শুরুতেই পজিটিভ মতামত পেয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় সৃষ্টি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদেরও পজিটিভ মতামত পাঠানো হয়েছে।

    তবে ঢাকার বাইরে অনুমোদন খুব বেশি হয়নি। রাজশাহীর পাকুরিয়ায় আশ্রয় ইউনিভার্সিটি, পবায় ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, খুলনায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব এক্সিলেন্স, নারায়ণগঞ্জে ইউনিভার্সিটি অব ইন্টিগ্রেটেড থট (ইউআইটি) এদের ফাইল দীর্ঘদিন পড়ে আছে।

    ২২ শর্তের এক নম্বরেই ফাঁক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত অনুমোদনের পরিপত্রে বলা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ধারা ৬ অনুযায়ী ২২ শর্তে প্রস্তাবিত ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ ঢাকা স্থাপন ও পরিচালনার জন্য ধারা ৭ অনুযায়ী সাময়িক অনুমতি দেওয়া হলো।”

    এই ২২ শর্তের মধ্যে মাত্র একটি শর্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরুর আগে পূরণ করার কথা। সেই শর্তে স্পষ্ট আইনের লঙ্ঘন ঘটে, যদিও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল হাসান একেক সময় একেক রকম মন্তব্য করেছেন।

    উত্তরার দিয়াবাড়ীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা গেছে, আটতলা বিশিষ্ট দুটি ভবন প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে এই ভবনে শিক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রায় অর্ধশত একর জায়গায় আগে থেকেই গ্রামীণ ক্যালেডোনিয়ান কলেজ অব নার্সিং পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া ৭০০ শয্যাবিশিষ্ট সামাজিক হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ ও স্বাস্থ্য গবেষণা ইনস্টিটিউট করার পরিকল্পনা ও প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে।

    গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের সময় শিক্ষা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি.আর. আবরার)। ২৯ ও ৩০ মার্চ একাধিকবার ফোন ও মেসেজ পাঠিয়েছে, তবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাননি। গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের এই দ্রুত প্রক্রিয়া, ঝুলন্ত অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইল এবং আইনের স্পষ্ট ফাঁক—সব মিলিয়ে বিতর্কিত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    শিক্ষা

    কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ‘হুমকি’ বনাম ‘কারণ’ মেরামত: ঢাবি অধ্যাপকের বিশ্লেষণ

    এপ্রিল 5, 2026
    শিক্ষা

    স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনা

    মার্চ 31, 2026
    শিক্ষা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা জারি

    মার্চ 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.