বলিউডে আজকের দিনে যারা সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকাদের তালিকায় রয়েছেন, তাদের একজন নিঃসন্দেহে আলিয়া ভাট। শুধু অভিনয়ে দক্ষতা নয়, ব্যবসা, প্রযোজনা আর লাইফস্টাইল—সব দিক দিয়েই নিজেকে গড়েছেন এক শক্তিশালী ব্র্যান্ডে। তবে তার জীবনের সবচেয়ে অনন্য দিকটি প্রকাশ পেল সম্প্রতি এক অসাধারণ মানবিকতার ঘটনায়।
সাম্প্রতিক খবরে জানা গেছে, আলিয়া তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক সুনীল এবং গৃহকর্মী অমোলের জন্য আলাদা করে ৫০ লক্ষ রুপি করে মোট এক কোটি রুপি দিয়েছেন, যাতে তারা নিজস্ব বাড়ি কিনতে পারেন। শুধু আজ নয়, ২০১৯ সালেও তাদের পাশে আর্থিকভাবে দাঁড়িয়েছিলেন এই তারকা। এবার আর্থিক সহায়তার সীমা পেরিয়ে তাদের ‘মাথা গোঁজার ঠাঁই’ গড়ে দিয়ে এক নিঃশব্দ কিন্তু গর্বিত বার্তা দিলেন—সফলতা মানেই শুধু নিজের জীবন সাজানো নয়, বরং সেই পথে যারা পাশে ছিলেন, তাদেরও জীবনে আলো এনে দেওয়া।
আলিয়া ভাট এখন শুধু বলিউডের তারকা নন, বরং এক সফল উদ্যোক্তা ও সমাজ সচেতন মানুষের প্রতীক। নিজের প্রযোজনা সংস্থা থেকে শুরু করে শিশুদের জন্য ফ্যাশন ব্র্যান্ড, বিজ্ঞাপনচিত্র, এবং রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ—সব মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ আজ প্রায় ৫৫০ কোটি রুপি। যা স্বামী রণবীর কাপুর (৩৪৫ কোটি) ও ননদ কারিনা কাপুর (৪৮৫ কোটি)কেও পেছনে ফেলেছে।
ব্যক্তিগত জীবনেও আলিয়া বরাবর উদার। মা সোনি রাজদান ও দিদি শাহিন ভাটের জন্য উপহার হিসেবে ইতোমধ্যেই ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে রণবীর কাপুরের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করছেন ‘কাপুর ম্যানশন’, যেখানে তাদের বিনিয়োগ প্রায় ২০০ কোটি রুপি।
আলিয়া আজকের দিনে এক প্রতীক—যিনি কাজ দিয়ে যেমন দর্শকের মন জিতেছেন, তেমনই হৃদয় দিয়ে জয় করেছেন তার ঘনিষ্ঠজনদের ভালোবাসা। বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায় এমন গল্প খুব বেশি চোখে পড়ে না। তাই আলিয়ার এই মানবিকতাই তাকে পর্দার বাইরেও করে তোলে এক সত্যিকারের ‘নায়িকা’।

