Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মার্চ 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মোমেন কমিশনের অনাকাঙ্ক্ষিত অবসান—ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি!
    ফিচার

    মোমেন কমিশনের অনাকাঙ্ক্ষিত অবসান—ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি!

    মনিরুজ্জামানমার্চ 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর সাবেক ‘দুর্নীতি দমন ব্যুরো’ বিলুপ্ত করে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গঠিত হয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই দুই দশকের পথচলায় এই সংস্থার নেতৃত্বে মোট সাতটি কমিশন দায়িত্ব পালন করেছে। তবে স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা।

    দুদকের আইনে কমিশনের মেয়াদ প্রথমে চার বছর এবং পরবর্তীতে পাঁচ বছর নির্ধারিত ছিল। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, সাতটি কমিশনের মধ্যে মাত্র তিনটি তাদের পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পেরেছে। বাকি চারটি কমিশন মেয়াদ শেষ হওয়ার অনেক আগে পদত্যাগ করেছে বা আকস্মিকভাবে বিদায় নিয়েছে।

    সফলভাবে মেয়াদ শেষ করতে সক্ষম হয়েছেন গোলাম রহমান, মো. বদিউজ্জামান ও ইকবাল মাহমুদ নেতৃত্বাধীন কমিশন। অন্যদিকে, বিচারপতি সুলতান হোসেন খান, সাবেক সেনাপ্রধান হাসান মশহুদ চৌধুরী, মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন নেতৃত্বাধীন কমিশনগুলো মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ বা বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

    শেষ দফায় পদত্যাগের ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিদায়ী চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো বাহ্যিক চাপের কারণে তিনি পদত্যাগ করেননি। বরং নবনির্বাচিত সরকারের পথ প্রশস্ত করতে এই সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, “গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের নিজস্ব কিছু প্রত্যাশা রয়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সরকার নিশ্চয়ই আমাদের চেয়ে যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে কমিশন পুনর্গঠন করবে। এতে দুদকের উন্নতি হবে এবং রাষ্ট্রের মঙ্গল হবে।” ২০০৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত দুদকের এই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, আইনি সুরক্ষার থাকা সত্ত্বেও নেতৃত্বের স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

    টিআইবি’র প্রতিক্রিয়া : ‘হতাশাজনক, তবে অস্বাভাবিক কিছু নয়

    দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের আকস্মিক পদত্যাগকে হতাশাজনক হলেও অপ্রত্যাশিত বলে মনে করছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তাঁর ব্যাখ্যা, এটি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতিরই অংশ।

    ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “আমাদের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি সংস্থাগুলোকে নিজেদের পছন্দের বলয়েই রাখার একটি পুরনো প্রবণতা রয়েছে। বিশেষ করে দুদকের মতো প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত রাখা যাবে—এমন মানসিকতা এখনো দেশে দৃঢ়ভাবে গড়ে ওঠেনি। তাই এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়।”

    তিনি আরও মন্তব্য করেন, যারা এই প্রথা থেকে বের হতে পারছেন না, তারা স্বল্পমেয়াদি সুফল পাওয়ার নেশায় মত্ত। কিন্তু এ ধরনের পদ্ধতি শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়। এখন মূল প্রশ্ন হচ্ছে, পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ হবে এবং ক্ষমতাসীন দলের দুদকের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বড় অঙ্গীকারগুলো বাস্তবে কতটুকু কার্যকর হবে।

    দুদকের সাত কমিশনের ইতিহাস

    ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর সাবেক ‘দুর্নীতি দমন ব্যুরো’ বিলুপ্ত করে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গঠন করা হয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই থেকে আজ পর্যন্ত মোট সাতটি কমিশন সংস্থার দায়িত্ব পালন করেছে। বিচারপতি সুলতান হোসেন খান ছিলেন প্রথম চেয়ারম্যান। কিন্তু চার বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে পদত্যাগ করতে হয় তাকে।

    সাবেক সেনাপ্রধান হাসান মশহুদ চৌধুরী ২০০৭ সালে কমিশনের নেতৃত্ব নেন। তার সময়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে সরব ভূমিকা দেখা যায়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতাসহ ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও এই অভিযান সমালোচনা ও বিতর্কের জন্ম দেয়, ২০০৯ সালের ২ এপ্রিল সরকার ক্ষমতায় আসার আগে তিনি পদত্যাগ করেন।

    গোলাম রহমান ২০০৯ সালে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন। চার বছরের মেয়াদ শেষ করে ২০১৩ সালের ২৩ জুন দায়িত্ব শেষ করেন। তার সময়ে আলোচিত ছিল হল-মার্ক কেলেঙ্কারি, ডেসটিনি কেলেঙ্কারি এবং পদ্মা সেতুর দুর্নীতির তদন্ত। তিনি সংস্থার স্বাধীনতা তুলে ধরতে বলেছিলেন, “দুদককে দখ-দন্তহীন বাঘের সঙ্গে তুলনা করা যায়।”

    মো. বদিউজ্জামান গোলাম রহমানের পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন এবং ২০১৩ সালের ২৬ জুন পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পান। একই সময়ে তার স্থলে কমিশনার হন নাসির উদ্দিন আহমেদ, সাবেক এনবিআরের চেয়ারম্যান। মো. বদিউজ্জামান ২০১৬ সালের ১৩ মার্চ পর্যন্ত দুদক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দুইবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক এবং বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর মহাপরিচালকও ছিলেন। তবে তার সময়ে অভিযোগ ওঠে যে পদ্মা সেতু দুর্নীতির ঘটনা ‘ধামাচাপা’ দেওয়া হয়েছিল।

    ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন নেতৃত্বাধীন সাম্প্রতিক কমিশন গত ১৫ মাসে বিগত সরকারের অনেক কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযান চালিয়েছে। এই সময়ে প্রায় ১৫ হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সাড়ে তিন হাজার ভিআইপি ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশ-বিদেশের প্রায় সাড়ে তিনশ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ২৮ হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। দুদকের দুই দশকের ইতিহাস দেখাচ্ছে, সংস্থার স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপের কারণে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা প্রায়শই বিঘ্নিত হয়েছে। সফল কমিশন যেমন সুনাম অর্জন করেছে, তেমনি বিতর্কিত কমিশনও কম নয়।

    ইকবাল মাহমুদ ২০১৬ সালের মার্চে অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সচিব হিসেবে দুদকের চেয়ারম্যান হন। ২০১৬ সালের ১০ মার্চ যোগ দিয়ে ২০২১ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার আমলে বড় ধরনের অভিযান চালানো হয় দুর্নীতির আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য। মাহমুদের বক্তব্য ছিল, “দুদকের আসামি হয় জামিন, না হয় জেলে থাকবে।” তবে বিরোধী দলের নেতাদের হয়রানি, আমলাদের সুরক্ষা এবং গণহারে অভিযুক্তদের দায়মুক্তি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।

    ২০২১ সালের মার্চে মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন। সঙ্গে কমিশনার হিসেবে যোগ দেন সাবেক জেলা জজ মো. জহুরুল হক এবং পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালে যুক্ত হন সাবেক সচিব মোসা আছিয়া খাতুন। দায়িত্ব গ্রহণের পর মঈনউদ্দীন ঘোষণা করেছিলেন, “প্রভাবশালী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” কিন্তু বাস্তবতা ছিল উল্টো। মেগা প্রকল্প, নিয়োগ বাণিজ্য ও অর্থপাচারের বড় কেলেঙ্কারি গণমাধ্যমে উঠে আসলেও সংস্থাটি শক্ত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়। বরং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ছোট পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ধরাতেই বেশি মনোযোগী ছিল কমিশন।

    মঈনউদ্দীন কমিশনের মেয়াদজুড়ে দেখা যায় এক ধরনের ‘কৌশলী নীরবতা’। সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল ‘দায়মুক্তি’ দেওয়া। জানা গেছে, তার আমলে প্রায় দুই শতাধিক আওয়ামী লীগের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কমিশন ইমেজ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালায়। মাত্র তিন মাসে প্রায় দেড় শতাধিক মন্ত্রী, এমপি ও আমলার বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি অনুসন্ধান শুরু করা হয়। তবে এই পদক্ষেপ জনমনে আস্থা ফেরাতে ব্যর্থ হয়। অবশেষে ৩০ অক্টোবর পদত্যাগের ঘোষণা আসে। বিদায়ের দিন, চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন ও কমিশনার আছিয়া খাতুন প্রধান ফটক দিয়ে বের হন, আর কমিশনার জহুরুল হক পেছনের ফায়ার সেফটির ‘লাল গেট’ দিয়ে সংস্থা ত্যাগ করেন।

    পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর দায়িত্ব নেন সাবেক সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব হিসেবে অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি দুদকের দায়িত্ব নেন। তার সঙ্গে কমিশনার হিসেবে যোগ দেন মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও হাফিজ আহসান ফরিদ। তবে নির্বাচনের ১২ ফেব্রুয়ারির পর বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেন।

    বিদায়ী চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্পষ্ট করেছেন, কোনো বাহ্যিক চাপের কারণে পদত্যাগ হয়নি। তিনি বলেন, “আমাদের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি সংস্থাগুলোকে নিজেদের পছন্দের বলয়ে রাখার একটি পুরনো প্রবণতা রয়েছে। বিশেষ করে দুদকের মতো প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত রাখা যাবে—এমন মানসিকতা এখনো দেশে গড়ে ওঠেনি। তাই এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়।”

    টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতির কারণে দুদকের স্বাধীনতা ও ধারাবাহিকতা প্রায়শই বিঘ্নিত হচ্ছে। নেতৃত্বের বারবার পরিবর্তন বড় অনুসন্ধান ও তদন্ত কাজের স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করছে এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের জন্য আত্মঘাতী ফল বয়ে আনছে।

    মোমেন কমিশনের ১৫ মাসের মেয়াদকাল ছিল মূলত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রাঘববোয়ালদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে কমিশনটি অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করেছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এই স্বল্প সময়ে দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১৫ হাজারেরও বেশি অভিযোগ জমা পড়েছিল। দুদকের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এত ব্যাপক পরিসরে অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। কমিশনের শক্ত পদক্ষেপে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ভিআইপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আইনি জালে আটকা পড়েছে। এই তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে বিগত সরকারের প্রায় সব প্রভাবশালী মন্ত্রী, সাবেক ক্ষমতাধর আমলা এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা রয়েছেন।

    মোমেন কমিশনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার কার্যক্রম। দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত অর্থপাচারকারী, ঋণখেলাপি এবং সরকারি অর্থ আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে এই কমিশন। তথ্য অনুযায়ী, প্রায় সাড়ে তিনশ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ জনস্বার্থে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করা ছিল কমিশনের অন্যতম বড় অর্জন।

    অনিশ্চয়তার মুখে দুদক: ধারাবাহিক ব্যাঘাত নাকি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?

    মোমেন কমিশনের আকস্মিক পদত্যাগ কেবল সাধারণ পদত্যাগ হিসেবে দেখছেন না দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সংস্থার একজন সিনিয়র কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “মোমেন কমিশনের এই প্রস্থান নিছক পদত্যাগ নয়। এটি দুদকের ইতিহাসে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং একটি নেতিবাচক নজির। এমন অস্থিতিশীলতা কোনোভাবেই কাম্য নয়। যখনই নেতৃত্ব পরিবর্তিত হয়, তখনই চলমান বড় বড় অনুসন্ধান ও তদন্ত কাজের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়।”

    প্রশাসনিক অস্থিরতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আইন অনুযায়ী দুদক একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন বারবার এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা ভেঙে যায়? স্বাধীনতার যে আইনি কাঠামো আমরা মুখে বলি, বাস্তবে কি তা টেকসই হওয়ার নিশ্চয়তা আছে? এবং এই গ্যারান্টি দেবে কে?”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বারবারের নেতৃত্ব পরিবর্তন দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিকেই দুর্বল করে। এখন দেখার বিষয়, নতুন কমিশন কতটুকু প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারবে এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে সক্ষম হবে।”

    মোমেন কমিশনের ১৫ মাসের মেয়াদকাল মূলত বিগত সরকারের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে রয়ে গেছে। এই সময়ে কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অনুসন্ধান চালিয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশিলতার চাবি কার হাতে?

    মার্চ 5, 2026
    অপরাধ

    শ্যাডো ব্যাংকিং: এমএফএস ও সাইফুজ্জামানের সম্পদ জালিয়াতির অভিযোগ

    মার্চ 5, 2026
    অপরাধ

    অনলাইন গেমে লুকানো সাইবার ফাঁদ

    মার্চ 5, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.