দ্বিতীয় টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কিছুটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। পরিকল্পনা ছিল প্রথম ইনিংসে অন্তত ২৭০-২৮০ রানের একটা সংগ্রহ দাঁড় করানোর। কিন্তু বাস্তবতা অনেকটাই ভিন্ন। দ্বিতীয় দিনের সকালে এবাদতের উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রানে অলআউট হয়ে গেল টাইগাররা।
প্রথম দিনে ৮ উইকেটে ২২০ রান নিয়ে শেষ করেছিল সফরকারীরা। বৃষ্টির কারণে পূর্ণ ৯০ ওভারের বদলে খেলা হয় মাত্র ৭১ ওভার। তাই দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে। লক্ষ্য ছিল রান আরও বাড়ানো। কিন্তু সেই আশাতে জল ঢেলে দেন আসিথা ফার্নান্ডো। দিনের চতুর্থ ওভারেই এলবিডাব্লিউ করেন এবাদত হোসেনকে (৮)। রিভিউ নেওয়া হলেও সিদ্ধান্ত বদলায়নি।
এরপর শেষ ব্যাটার হিসেবে তাইজুল ইসলামের (৩৩) বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৭৯.৩ ওভারে ২৪৭ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। রান সংগ্রহ আর টিকে থাকার লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম (৪৬)। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন লিটন দাস (৩৪), মুশফিকুর রহিম (৩৫), মেহেদী হাসান মিরাজ (৩১) ও তাইজুল নিজেও (৩৩)।
মোট কথা, ব্যাটাররা শুরু করেছিলেন, কিন্তু কেউই ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। আর সেখানেই মূল ভরাডুবি।
বাংলাদেশ ইনিংসের শুরুটা হয় বিজয় ও সাদমানকে নিয়ে। বিজয় দ্রুত ফিরে গেলেও সাদমান কিছুটা স্থিতি আনেন। মুমিনুল (২১) ও শান্ত (৮) খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তবে ইনিংসের মাঝপথে মুশফিক-লিটন-মিরাজরা একের পর এক ছোট ছোট ইনিংস খেলে রানের গতি এগিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু কেউই ফিফটির ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
প্রথম দিনে শ্রীলঙ্কার বোলাররা খুবই গোছানো বল করেছেন। আসিথা ফার্নান্ডো, বিশ্ব ফার্নান্ডো ও সোনাল দিনুশা নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন রত্নায়েকে ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা।
স্কোরকার্ড ঝলক: বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস
-
সর্বোচ্চ রান: সাদমান ইসলাম (৪৬)
-
অন্যান্য অবদান: মুশফিক (৩৫), লিটন (৩৪), মিরাজ (৩১), তাইজুল (৩৩)
-
সবচেয়ে সফল বোলার (শ্রীলঙ্কা): আসিথা ফার্নান্ডো (৩ উইকেট)

