Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পারমাণবিক চুক্তি ছাড়ার দাবিতে ইরানের নেতা-মন্ত্রীরা
    আন্তর্জাতিক

    পারমাণবিক চুক্তি ছাড়ার দাবিতে ইরানের নেতা-মন্ত্রীরা

    হাসিব উজ জামানUpdated:মার্চ 29, 2026মার্চ 29, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার তীব্রতা বাড়ার পর ইরানের রাজনীতিবিদরা পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি এনপিটি থেকে দেশকে বের করার দাবি তুলেছেন। দেশের নাগরিক পারমাণবিক স্থাপনাগুলো, ইস্পাত কারখানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ার ফলে, অনেক রাজনীতিবিদ মনে করছেন চুক্তিতে থাকা আর কোনো সুবিধা নেই।

    ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র এব্রাহিম রেজায়ি শুক্রবার রাতে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “আমাদের জন্য এই চুক্তি আর কোনো উপকারে আসেনি। তাই এটিতে থাকা অর্থহীন।”

    তেহরান প্রতিনিধি মালেক শারিয়াতি জানান, সংসদে একটি প্রাথমিক আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই আইনটি পাশ হলে ইরান এনপিটি থেকে বের হবে, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির আওতাধীন সীমাবদ্ধতাগুলো বাতিল হবে এবং নতুন আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নে সহায়তা করবে।

    এই কঠোরপন্থী পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে বিদেশি চাপের প্রতিক্রিয়া হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ধারণের দাবি। তবে আইন কার্যকর করার আগে গার্ডিয়ান কাউন্সিল নামে ১২ সদস্যের সংবিধানিক সংস্থা অনুমোদন দিতে হবে।

    আন্তর্জাতিক সংস্থা ও রাজনীতিকদের অভিযোগ

    ইরান নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থা এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে, যা তাদের মতে রাজনীতিভিত্তিক এবং পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর উপর হামলার অংশীদার। তবে জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    প্রাক্তন সহ-রাষ্ট্রপতি ও আয়াতোল্লাহ খামেনির প্রাক্তন উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোহকবার বলেছেন, “পরমাণু সংস্থার পরিচালক আমাদের পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণকে উত্সাহিত করেছেন। এটি দেশকে অপরিবর্তনীয় সিদ্ধান্তের দিকে ধাবিত করবে।”

    পরিচালক সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, কোনো যুদ্ধই ইরানের পারমাণবিক প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে পারবে না, যদি না সেটা সম্পূর্ণ পারমাণবিক যুদ্ধ হয়।

    বিদ্যুৎ ও ইস্পাত শিল্পের লক্ষ্যবস্তু

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েল শুক্রবার হামলা আরও তীব্র করেছে। ইয়াজ্দের পারমাণবিক কারখানা, আরকের হেভি ওয়াটার কমপ্লেক্স এবং বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে দেখা গেছে। এই হামলার ফলে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে যে, বড় ধরনের তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে।

    ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ইস্পাত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মোবারাকে কমপ্লেক্স (ইসফাহান) এবং খুজেস্তান কমপ্লেক্স (আহভাজ) উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের অ-তেল রপ্তানির মূল ভিত্তি, তাই অর্থনৈতিক প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে এবং হাজার হাজার চাকরির ক্ষতি হতে পারে।

    নাগরিক জীবন ও যোগাযোগের সমস্যা

    তেহরান ও অন্যান্য শহরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে, আকাশে রাতের আকাশ橙ঙ হয়ে উঠেছে। দেশের প্রায় ৯ কোটি নাগরিক গত এক মাস ধরে স্বাধীনভাবে যোগাযোগ করতে পারছে না। শুধুমাত্র একটি অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক সীমিত তথ্য পরিবেশন করছে।

    সরকারি মিডিয়ায় “ধৃতদের স্বীকারোক্তি” দেখানো হচ্ছে। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক কিশোরী পরিবারে থাকা বাড়ির জানালা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিও পাঠানোর কারণে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে, তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা কেন্দ্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে “শিক্ষা ও গবেষণা ভবনগুলো আক্রান্ত হয়েছে”, যা স্থানীয় নাগরিকদের জীবন ব্যাহত করেছে, তবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    গত কয়েকদিনে কারাজ, শহর-ই-রে, ইয়াজ্দ, শিরাজ, তাবরিজ, বুশেহর সহ একাধিক শহরে আরও হামলার খবর পাওয়া গেছে।

    উপসংহার:
    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইস্রায়েল সংঘাত ক্রমেই জটিল ও তীব্র হচ্ছে। পারমাণবিক চুক্তি থেকে বের হওয়ার সম্ভাবনা, ইস্পাত শিল্প ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আক্রমণ, এবং নাগরিক জীবনের উপর প্রভাব—সব মিলিয়ে দেশটি এখন এক নাজুক মুহূর্তের মুখোমুখি। সামনের দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক কূটনীতি, নতুন চুক্তি এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হরমুজে ইরান-চীন সমীকরণ, বড় ধাক্কার মুখে ভারতীয় অর্থনীতি

    এপ্রিল 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের কাছে কত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে—যা বলছে ইসরাইল

    এপ্রিল 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে কী আছে?

    এপ্রিল 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.