যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেল এবং খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে আগ্রহী। রোববার ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরানের তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ চান এবং একই সঙ্গে খারগ দ্বীপে অবস্থিত প্রধান রপ্তানি কেন্দ্রও যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
তিনি এই অবস্থানকে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে তুলনা করেন। সেখানে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর দেশটির তেল খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াই তার কাছে সবচেয়ে পছন্দের বিষয়গুলোর একটি। এ নিয়ে সমালোচনাকারীদের তিনি কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেন।
খারগ দ্বীপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে, আবার নাও নিতে পারে—সব বিকল্পই খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেখানে কিছুদিন অবস্থান করার কথাও উল্লেখ করেন।
ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র খুব সহজেই ওই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে।
উল্লেখ্য, ইরান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেলসমৃদ্ধ দেশ। দেশটির বিপুল পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে এবং এর অর্থনীতি মূলত তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল।
পারস্য উপসাগরের কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস এই দ্বীপ থেকেই রপ্তানি করা হয়। তাই কৌশলগত ও অর্থনৈতিক—দুই দিক থেকেই এই দ্বীপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

