Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইরান যুদ্ধের কারণে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ৪৫ মিলিয়ন মানুষ
    আন্তর্জাতিক

    ইরান যুদ্ধের কারণে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ৪৫ মিলিয়ন মানুষ

    হাসিব উজ জামানমার্চ 31, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে, যা একাধিক দেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ইউএন ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের (FAO) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরেরো জানিয়েছেন, এই যুদ্ধের কারণে এমন এক অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে, যা কিছু দেশের জন্য বহু বছর পর্যন্ত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। তেল এবং শিপিং সংকটের ফলে ইতিমধ্যেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, যেখানে গালফ অঞ্চলের তেলের উপর নির্ভরশীলতা সবচেয়ে বেশি।

    বিশ্বব্যাপী প্রভাব: খাদ্য সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি

    বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (WFP) অনুমান করছে যে, ২০২৬ সালে যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে ৪৫ মিলিয়ন মানুষ আরও বেশি তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারে। যুদ্ধের ফলে, তেলের দাম, খাদ্য এবং সার সম্পর্কিত সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। খনিজ জ্বালানি থেকে শুরু করে তেল, সার, শাকসবজি, মাংস, চাল, কাপড়, গহনা, এবং এমনকি পার্টি বেলুনের দামও বেড়ে যাবে, কারণ সেগুলি অধিকাংশই গ্যাস এবং তেল থেকে উৎপন্ন হয়।

    যুদ্ধের প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সেসব দেশ, যারা গালফ অঞ্চলের উপর বেশি নির্ভরশীল। উদাহরণস্বরূপ, ফিলিপাইন, যেটি গালফের ৯৮% তেল আমদানি করে, সেখানে ডিজেল এবং পেট্রোলের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে, এবং সরকার সেখানে শক্তি সংকটের মোকাবিলা করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ফিলিপাইন সরকার চাকরিজীবীদের জন্য চারদিনের সপ্তাহ ঘোষণা করেছে এবং ট্যাক্সি ড্রাইভারদের জন্য সাবসিডি ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় স্কুল বন্ধ হচ্ছে, রেশনিং চলছে এবং শিল্প উৎপাদন সীমিত করা হচ্ছে।

    তেল সংকট এবং অর্থনৈতিক অবস্থা

    ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালির বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বের তেলের সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ বন্ধ হয়ে গেছে, যা তেলের দাম $১১৬ প্রতি ব্যারেল পর্যন্ত পৌঁছেছে—যা যুদ্ধের পূর্বের দাম থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। এর প্রভাব পড়েছে এশিয়ার দেশগুলোতে, যেখানে পেট্রোল, ডিজেল, জেট ফুয়েল এবং হিটিং অয়েলের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

    বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে গালফ অঞ্চলের উপর নির্ভরশীল দেশগুলোতে দারিদ্র্য বাড়ছে, এবং তারা তেল আমদানি করতে পারছে না। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যেই জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। নাইজেরিয়ায়, যেখানে দেশটির নিজস্ব তেল থাকার পরও তা পরিশোধন করা হয় না, সেখানে জ্বালানি দামের ৫০% বৃদ্ধি হয়েছে।

    বিশ্ব খাদ্য সংকট: একটি নতুন বিপদ

    এখন পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, ইরান যুদ্ধের প্রভাব শুধুমাত্র তেল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং এটি খাদ্য উৎপাদনেও বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করছে। যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সার উৎপাদন কেন্দ্রগুলির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে, যার ফলে সার সরবরাহ সংকুচিত হয়ে গেছে। নাইট্রোজেন সার, যা আধুনিক কৃষির ভিত্তি এবং প্রায় ৫০% খাদ্য উৎপাদনের জন্য দায়ী, এর উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বব্যাপী খাদ্য ঘাটতি আরও তীব্র হতে পারে।

    বিশ্বের সার বাজারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সরবরাহ হয়। কাতারের সার কারখানায় আক্রমণ এবং হরমুজ প্রণালির মধ্যে শিপিং সংকটের কারণে সার সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে সার দাম প্রায় ৩০% বেড়ে গেছে। ফলে, কৃষকরা তাদের উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন এবং বিশ্বব্যাপী খাদ্য সরবরাহ সংকটে পড়ছে। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার কৃষকদের উপর, যারা কম মূল্যে উৎপাদিত খাদ্য সেবা প্রদান করে আসছে।

    ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বে মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

    উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপর প্রভাব

    বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর অর্থনীতি এই সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে, বিশেষত আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ায়, কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ায় মানুষের খাদ্য সংকট বেড়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে, সুদান, ঘানা, নাইজেরিয়া, কোট ডি আইভোয়ার মতো দেশগুলোতে কৃষি উৎপাদনের সমস্যা এবং বাজারে দাম বৃদ্ধি মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

    শুধু কৃষি নয়, আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোর পরিবহন খরচও বেড়েছে। অনেক জায়গায়, প্রোপেন বা বুটেন গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে খাদ্য প্রস্তুত করা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে, যা দরিদ্রদের জন্য এক বড় সংকট।

    স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিপর্যয়

    স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও এই সংকট থেকে বাঁচতে পারছে না। গালফ অঞ্চলের বৃহত্তম বিমানবন্দরগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, জীবনদায়ী ঔষধের সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। গাজা, সুদান, এবং চাদে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম আটকে পড়েছে এবং এর কারণে এদেশগুলোর স্বাস্থ্য সেবা আরও সংকুচিত হচ্ছে। এর ফলস্বরূপ, শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে ম্যালেরিয়া ও কোলেরা চিকিৎসা সংকটে পড়েছে।

    নাইজেরিয়ায় জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

    দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এবং ভবিষ্যত অনিশ্চয়তা

    বিশ্ব অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা, এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর এই যুদ্ধের প্রভাব যে শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদী নয়, তা স্পষ্ট। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী হবে এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ দারিদ্র্য, ক্ষুধা এবং অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে নিমজ্জিত হবে।

    বিশ্বের বৃহত্তম কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক দেশগুলো, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা এবং অস্ট্রেলিয়া, এই সংকটের কারণে তাদের উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হতে পারে, যা গ্লোবাল ফুড চেইনকে আরো বিপদগ্রস্ত করবে।

    যদি এই যুদ্ধ দ্রুত সমাপ্ত না হয়, তবে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলো খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্য সেবার সংকটে পড়বে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এই সংকট মোকাবেলা করা না গেলে, বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র জনগণ আরও বিপদে পড়বে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হামলা বন্ধ না হলে বিধ্বংসী প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

    এপ্রিল 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন যুদ্ধবিমান এত শক্তিশালী, তবু ইরান যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে

    এপ্রিল 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ২

    এপ্রিল 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.