মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর পর অন্যতম বড় হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) এই হামলার ঘটনা ঘটে। ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, হামলাটি দুই ধাপে পরিচালিত হয়—প্রথম দফায় ১০টি এবং পরে আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
তাদের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট প্রোটোকল অনুসরণ করে কিছু ক্ষেপণাস্ত্রকে খোলা বা জনশূন্য এলাকায় আঘাত হানতে দেওয়া হয়, যাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায়।
হামলার পরপরই ইসরায়েলের জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শুরু করে। বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবর যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কিছু স্থাপনায় আংশিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।
সব মিলিয়ে, ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে উদ্বেগের মুখে ফেলেছে। যদিও বড় ধরনের প্রাণহানির খবর নেই, তবুও উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

