ইরানে সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়া। দেশটি তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অস্ট্রিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের দীর্ঘদিনের সামরিক নিরপেক্ষতার নীতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়াতে চায় না অস্ট্রিয়া।
সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ওআরএফ-এর তথ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন থেকে একাধিকবার এই অনুরোধ করা হয়েছিল। যদিও ঠিক কতগুলো অনুরোধ এসেছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।
মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, প্রতিটি অনুরোধ পৃথকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করলেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে। স্পেন ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, এই সংঘাতে জড়িত মার্কিন সামরিক বিমানের জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ থাকবে। এছাড়া ইতালিও সিসিলিতে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটি মার্কিন বোমারু বিমানের ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি।
সব মিলিয়ে, ইউরোপের কিছু দেশের এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিরপেক্ষতা ও কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

