Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, এপ্রিল 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইরানকে ভাঙার স্বপ্ন কি আবারও ভুল প্রমাণিত হচ্ছে?
    আন্তর্জাতিক

    ইরানকে ভাঙার স্বপ্ন কি আবারও ভুল প্রমাণিত হচ্ছে?

    হাসিব উজ জামানএপ্রিল 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধ শুরু করে, তখন শুধু সামরিক লক্ষ্যবস্তু নয়, বেসামরিক স্থাপনাও হামলার আওতায় আসে—আবাসিক এলাকা, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, হাসপাতাল, বাণিজ্যিক ভবন, এমনকি ঐতিহাসিক স্থানও। এই আঘাত শুধু অবকাঠামোর ওপর নয়, ইরানের জাতীয় স্মৃতি ও মানসিক জগতের ওপরও পড়ে। বিস্ফোরণের শব্দে বহু ইরানি যেন ফিরে যায় আরেক অন্ধকার সময়ে—১৯৮০-১৯৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধে।

    এই তুলনাটি কেবল আবেগের নয়, রাজনৈতিকও। কারণ ইতিহাসে এমন বহুবার দেখা গেছে—বাইরের শক্তি মনে করেছে, শাসকের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ জনগণকে আরও চাপ দিলে তারা বিদ্রোহ করবে। কিন্তু বাস্তবে যুদ্ধ অনেক সময় ঠিক উল্টো ফল দেয়: শাসন টলে না, বরং আরও কঠিন হয়ে ওঠে; বিরোধিতা দুর্বল হয়; রাষ্ট্র নিরাপত্তার নামে সমাজকে আরও শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করে।

    ১৯৮০ সালের সেই পুরোনো দৃশ্য

    লেখকের স্মৃতিতে ফিরে আসে ১৯৮০ সালের শরৎকাল। তখন তাঁর বয়স ২০ বছর। তিনি তেহরানের পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, একই সঙ্গে সরকারবিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সেই সময় ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের বাহিনী ইরানে হামলা চালায়। যুদ্ধের প্রথম দিকের অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে ছিল ভয়, বিশৃঙ্খলা আর অনিশ্চয়তার এক নির্মম শিক্ষা।

    এক সন্ধ্যায় তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ আকাশ কেঁপে ওঠে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গর্জনে। চারপাশে সাইরেন, আতঙ্ক, ছুটোছুটি। মানুষ দিশেহারা। মুহূর্তেই বোঝা যায়—যুদ্ধ মানে শুধু কূটনীতি বা সীমান্ত নয়, যুদ্ধ মানুষের ঘর, শরীর, মন, পরিবার—সবকিছুতে ঢুকে পড়ে।

    আরেকটি ঘটনায় দেখা যায় আরও গভীর রাজনৈতিক শিক্ষা। কয়েক সপ্তাহ পর পার্কে বসে থাকা অবস্থায় তারা খুব নিচ দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি ইরাকি যুদ্ধবিমান দেখতে পান। সেটি ফারসি ভাষায় লিফলেট ফেলছিল—বার্তা ছিল, ইরানিরা যেন নিজেদের সরকারকে উৎখাত করে। অর্থাৎ যুদ্ধ থামানোর পথ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছিল অভ্যন্তরীণ সরকার পরিবর্তনকে।

    কিন্তু এখানেই বড় ভুলটা ছিল।

    বাইরের শক্তির পুরোনো ভুল: “মানুষ কষ্ট পেলে সরকার ফেলবেই”

    ইরানের বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও তখন বিতর্ক ছিল। কেউ বলছিল, বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দেশ রক্ষাই আগে। আবার কেউ, লেখকের মতো, মনে করতেন যুদ্ধের চাপকে ব্যবহার করে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ত্বরান্বিত করা যেতে পারে। কিন্তু খুব দ্রুতই পরিষ্কার হয়ে যায়—বাস্তবতা ছিল একেবারেই ভিন্ন।

    তখনকার ইরানি রাষ্ট্র মাত্র এক বছরের পুরোনো হলেও জনগণের বড় অংশের সমর্থন ছিল তার পক্ষে। ফলে সাদ্দাম হোসেনের এই ধারণা—বোমা ফেললে জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবে—খুব দ্রুত ভেঙে পড়ে। বরং সরকার যুদ্ধকে ব্যবহার করে জাতীয় প্রতিরোধের ডাক দেয়, লক্ষ লক্ষ মানুষকে সংগঠিত করে, এবং একই সঙ্গে বিরোধী শক্তির ওপর আরও কঠোর দমন চালায়।

    ফলাফল ছিল ভয়াবহ। বহু মানুষ গ্রেপ্তার হয়, অসংখ্য মানুষ নির্বাসনে যায়, হাজার হাজার মানুষ নিহত বা মৃত্যুদণ্ডের শিকার হয়। এমনকি যারা যুদ্ধ প্রতিরোধে রাষ্ট্রের পাশে ছিল কিন্তু সরকারের সমালোচক ছিল, তারাও শেষ পর্যন্ত নিরাপদ থাকেনি।

    এই ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা আজকের যুদ্ধকে বুঝতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    ৪৬ বছর পর, একই ধারণার পুনরাবৃত্তি?

    লেখকের মতে, ৪৬ বছর পরে এসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যেন সেই একই ভুল ধারণা বয়ে নিয়ে চলেছেন, যেটি ১৯৮০ সালে সাদ্দাম করেছিলেন। পার্থক্য শুধু একটাই—এবার যুদ্ধ হচ্ছে মূলত আকাশপথে, বড় আকারের বোমা হামলার মাধ্যমে; স্থলযুদ্ধের বড় ফ্রন্ট ছাড়া।

    এই ধরনের যুদ্ধ মানুষের মনে আরও গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি করে। কারণ ফ্রন্টলাইন না থাকলে যুদ্ধক্ষেত্র আর নির্দিষ্ট থাকে না—যে কেউ, যে কোনো সময়, যে কোনো স্থানে লক্ষ্যবস্তু হয়ে যেতে পারে। যুদ্ধ তখন সীমান্তের বদলে ঢুকে পড়ে শহরে, রাস্তায়, হাসপাতালে, ক্লাসরুমে, বসার ঘরে।

    এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রশ্ন আসে: কোনো জনগোষ্ঠী যদি নিজেদের শাসকের ওপর ক্ষুব্ধও থাকে, তবু কি তারা বিদেশি বোমাবর্ষণকে নিজেদের মুক্তির পথ হিসেবে দেখবে?

    ইতিহাস বলছে, বেশিরভাগ সময় উত্তর হলো—না।

    জনঅসন্তোষ আছে, কিন্তু তাই বলে বিদেশি হামলার পক্ষে নয়

    এখানেই বর্তমান ইরানকে বুঝতে সবচেয়ে বেশি ভুল করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এটা সত্য যে বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা, দুর্নীতি, এবং মতপ্রকাশ দমনের কারণে ইসলামি প্রজাতন্ত্র তার আগের ব্যাপক জনসমর্থনের বড় অংশ হারিয়েছে। বহু ইরানির সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক তিক্ত হয়েছে। জীবনের কষ্ট বেড়েছে, সমাজে ক্ষোভ জমেছে, রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা কমেছে।

    কিন্তু এই বাস্তবতা থেকে সরাসরি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো—যে বাইরের হামলা শুরু হলেই জনগণ সরকার পতনের আন্দোলনে নেমে পড়বে—এটি এক ধরনের বিপজ্জনক সরলীকরণ।

    কারণ মানুষ তাদের সরকারের বিরোধিতা করতে পারে, কিন্তু তবু নিজেদের দেশের ওপর বিদেশি হামলাকে জাতীয় অপমান হিসেবেই দেখে। তখন শাসকের প্রতি ক্ষোভ ও দেশের সার্বভৌমত্ব—এই দুই প্রশ্ন এক হয়ে যায় না। বরং অনেকের কাছে তখন মনে হয়: “আমাদের সমস্যা আমাদের, কিন্তু বাইরে থেকে এসে বোমা মেরে তা সমাধান করা যাবে না।”

    এই জায়গাটিই সম্ভবত ওয়াশিংটন ও তেল আবিব সবচেয়ে বেশি ভুল পড়েছে।

    রাষ্ট্র কেবল একজন নেতার ওপর দাঁড়িয়ে নেই

    আরেকটি বড় ভুল বিশ্লেষণ ছিল—ইরানের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে কেবল একজন ব্যক্তির ক্ষমতার সম্প্রসারণ হিসেবে দেখা। বাইরে থেকে অনেকের কাছে মনে হতে পারে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পদ এত ক্ষমতাধর যে তাঁকে সরিয়ে দিলে পুরো কাঠামো ভেঙে পড়বে। কিন্তু লেখকের যুক্তি হলো, বাস্তবতা ততটা সরল নয়।

    ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ভেতরে একাধিক ক্ষমতার স্তর, প্রতিষ্ঠান, নেটওয়ার্ক এবং সংগঠিত বলয় রয়েছে। অর্থাৎ রাষ্ট্রের গঠন এমন নয় যে “শিরচ্ছেদ” করলেই সব ভেঙে পড়বে। সেই কারণেই খামেনিকে হত্যা করলেও কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। বরং এমন পদক্ষেপ যুদ্ধাপরাধের চরিত্র নিতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিকভাবে খুব বেশি ফল নাও দিতে পারে।

    এটি বর্তমান সংঘাতের একটি কেন্দ্রীয় শিক্ষা: রাষ্ট্রকে যদি ভুলভাবে বোঝা হয়, তবে পুরো যুদ্ধ-পরিকল্পনাই ভুল ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়।

    আকাশযুদ্ধের আরও বড় সমস্যা: রাষ্ট্র আর জাতির সীমা মুছে যায়

    শুধু সামরিক হামলা নয়, এ ধরনের যুদ্ধের আরেকটি গুরুতর দিক হলো—এটি খুব দ্রুত “রাষ্ট্র” ও “জাতি”-র পার্থক্যকে ঘোলা করে দেয়। যখন বোমা পড়ে শহরে, যখন বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য, ঐতিহাসিক নিদর্শন—সবই ঝুঁকিতে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষ খুব সহজেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে হামলাটি কেবল সরকারের বিরুদ্ধে নয়, পুরো দেশের বিরুদ্ধে।

    ইসরায়েলি ও মার্কিন প্রচারণা যদি এ যুদ্ধকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের আঞ্চলিক নীতির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান হিসেবে দেখাতে চেয়েও থাকে, তবু বহু ইরানির কাছে এটি জাতীয় সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে হামলাই হয়ে উঠেছে।

    এখানে একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক দিক আছে। মানুষ যখন দেখে তাদের পরিবার, শহর, জীবিকা, এবং স্মৃতির ওপর হামলা হচ্ছে, তখন তারা প্রথমে দায়ী করে সেই শক্তিকে, যারা বোমা ফেলছে। তাদের কাছে বিমানের বোতাম টিপে আঘাত করা শক্তিই তাৎক্ষণিক শত্রু হয়ে ওঠে। ফলে “তোমাদের মুক্ত করতে এসেছি” ধরনের ভাষ্য বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়।

    কষ্ট বাড়িয়ে শাসন বদলানোর কৌশল কি কখনও কাজ করে?

    এই যুদ্ধের নৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যর্থতার জায়গাটি এখানেই। জনগণের ওপর দুর্ভোগ চাপিয়ে, অবকাঠামো ধ্বংস করে, নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়ে, টার্গেটেড হত্যা চালিয়ে—এমন ধারণা করা যে তারা শেষ পর্যন্ত নিজেদের সরকার ফেলে দেবে—এই চিন্তাধারা বাস্তবে বহুবার ব্যর্থ হয়েছে।

    সাদ্দাম হোসেনের সময়ও কাজ করেনি। এখনো করবে—এমন নিশ্চয়তার কোনো ভিত্তি নেই।

    বরং ইতিহাসের অভিজ্ঞতা বলে, বাইরের চাপ যত বাড়ে, রাষ্ট্র তত নিরাপত্তা, জাতীয় প্রতিরোধ ও অভ্যন্তরীণ শত্রুর ভাষা ব্যবহার করে ক্ষমতা শক্ত করতে পারে। নাগরিক সমাজ দুর্বল হয়, বিরোধী কণ্ঠস্বর সংকুচিত হয়, সামরিকীকরণ বাড়ে।

    অর্থাৎ যে যুদ্ধকে “মুক্তির পথ” বলে বিক্রি করা হয়, সেটির সবচেয়ে তাৎক্ষণিক ফল অনেক সময় হয় ঠিক উল্টো—আরও দমন, আরও ভয়, আরও রাষ্ট্রীয় কঠোরতা।

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কেন আজও প্রাসঙ্গিক

    ইসলামি প্রজাতন্ত্র একসময় আট বছরের ইরান-ইরাক যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ক্ষয়যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এই অভিজ্ঞতা বর্তমান পরিস্থিতিতেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এমন রাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি চাপ, অবরোধ, এবং সামরিক আক্রমণের ভেতরেও নিজেকে টিকিয়ে রাখার কৌশল শিখে ফেলে।

    তবে এই “টিকে থাকা” জনগণের জন্য সবসময় কল্যাণকর হয় না। অনেক সময় এর অর্থ হয় রাষ্ট্রের আরও কেন্দ্রীভবন, নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং যে অল্প নাগরিক পরিসর বেঁচে ছিল, সেটিও সংকুচিত হয়ে যাওয়া।

    এই কারণে বাইরের হামলার ফল হিসেবে গণতন্ত্র বা মুক্ত রাজনৈতিক পরিসর আসবে—এমন আশা খুবই দুর্বল।

    আন্তর্জাতিক আইন ও বিশ্বব্যবস্থার প্রশ্ন

    এই সংঘাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর আন্তর্জাতিক আইনি মাত্রা। লেখকের মতে, যুদ্ধের শুরু থেকেই এর ভিত্তি ছিল দুর্বল এবং এটি ক্রমশ এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে, যেখানে জাতিসংঘ-স্বীকৃত সার্বভৌমত্বের মূল নীতিই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব উপেক্ষা করা, রাজনৈতিক নেতাদের হত্যাকে বৈধতার ভাষায় তুলে ধরা, এবং বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দেওয়া—এসবই এমন পদক্ষেপ, যা আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার ধারণাকে দুর্বল করে।

    আর এই জায়গাটিই সবচেয়ে উদ্বেগজনক। কারণ যদি বড় শক্তিগুলো নিজেরাই নিয়ম ভেঙে যুদ্ধ চালায়, তাহলে যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থা আগের মতো থাকবে না। তখন শুধু একটি দেশের ভবিষ্যৎ নয়, বৈশ্বিক কূটনীতির ভিত্তিও বদলে যেতে পারে।

    এই যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে, কে জিতবে, কে হারবে—এ নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন। কিন্তু একটি বিষয় অনেকটাই স্পষ্ট: জনগণের কষ্ট বাড়িয়ে, শহর ধ্বংস করে, রাষ্ট্রকে কোণঠাসা করে শাসন পরিবর্তনের যে কৌশল, তা ইতিহাসে খুব কমই সফল হয়েছে।

    ১৯৮০ সালে সাদ্দাম হোসেন যে ভুল করেছিলেন, ২০২৬ সালে এসে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু জোটও কি সেই একই ভ্রান্তির পুনরাবৃত্তি করছে? প্রশ্নটি এখন আরও জোরালো।

    কারণ বোমা রাষ্ট্রকে দুর্বল করতে পারে, কিন্তু একই সঙ্গে জাতিকে আহতও করে। আর যখন একটি জনগণ নিজেদের ওপর নেমে আসা ধ্বংস দেখে, তখন তারা সবসময় নিজেদের শাসকের বিরুদ্ধে নয়—অনেক সময় প্রথমে তাকায় সেই আক্রমণকারীর দিকে, যে তাদের আকাশ থেকে আগুন নামিয়েছে।

    যুদ্ধ তাই শুধু মানচিত্র বদলায় না, মানুষ, রাষ্ট্র, সমাজ এবং বিশ্বব্যবস্থার ধারণাও বদলে দেয়। আর ইরানকে ঘিরে বর্তমান সংঘাত হয়তো সেই নতুন বিশ্ববাস্তবতারই আরেকটি নির্মম সূচনা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধের প্রভাবে থমকে গেছে ত্রাণ সরবরাহ, গভীর হচ্ছে মানবিক সংকট

    এপ্রিল 5, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যে কারণে ইরানের সামনে ব্যর্থ হচ্ছে আমেরিকা

    এপ্রিল 5, 2026
    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর বিষয়ে ওমান ও ইরানের মধ্যে চলছে আলোচনা

    এপ্রিল 5, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.