Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিশ্ব কি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও বড় বিপদের দিকে এগোচ্ছে?
    আন্তর্জাতিক

    বিশ্ব কি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও বড় বিপদের দিকে এগোচ্ছে?

    হাসিব উজ জামানএপ্রিল 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে সংবেদনশীল ধমনীগুলোর একটি হলো হরমুজ প্রণালি। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস সরবরাহের বড় অংশ এই সরু নৌপথ দিয়েই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায়। কিন্তু ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ রুট কার্যত বন্ধ থাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে।

    প্রশ্নটি এখন আর শুধু তেলের দামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। উদ্বেগ আরও গভীর। যদি এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে এর অভিঘাত বিশ্ব অর্থনীতি, মুদ্রাস্ফীতি, সরবরাহ ব্যবস্থা, শিল্প উৎপাদন, এমনকি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপরও পড়তে পারে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে বিশ্ব এমন এক ধাক্কার মুখে পড়তে পারে, যা ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও বড় হয়ে উঠতে পারে।

    নৌপরিবহন বিশেষজ্ঞ এবং মায়ের্সকের সাবেক পরিচালক লার্স জেনসেন বিবিসিকে বলেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব ১৯৭০-এর দশকে দেখা অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার চেয়ে “যথেষ্ট বেশি” হতে পারে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরোলও একই সুরে সতর্ক করে বলেছেন, বিশ্ব এখন “ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা” হুমকির মুখে রয়েছে।

    তার ভাষায়, এটি শুধু ১৯৭০-এর দশকের তেলের দামের ধাক্কার চেয়েও বড় নয়, বরং ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজারে যে চাপ তৈরি হয়েছিল, সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    কেন হরমুজ প্রণালি এত গুরুত্বপূর্ণ?

    হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব বোঝার জন্য একটি পরিসংখ্যানই যথেষ্ট: বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও জ্বালানি সরবরাহ এই পথ দিয়ে যায়। অর্থাৎ, এখানে সামান্য বিঘ্নও বৈশ্বিক বাজারে তাৎক্ষণিক চাপ তৈরি করতে পারে। আর যখন এই পথ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অচল অবস্থায় থাকে, তখন সেটি শুধু আঞ্চলিক সংকট থাকে না, বরং তা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পরিণত হয়।

    উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস পরিবহন ব্যাহত হওয়া মানে শুধু জ্বালানি কোম্পানিগুলোর সমস্যা নয়। এর মানে হলো—শোধনাগারে কাঁচামাল পৌঁছাতে দেরি হবে, পরিবহন ব্যয় বাড়বে, বাজারে ঘাটতি তৈরি হবে, এবং শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব গিয়ে পড়বে বিদ্যুৎ, শিল্প, কৃষি, পরিবহন, খাদ্যপণ্য—প্রায় সব খাতে।

    ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটে কী হয়েছিল?

    বর্তমান পরিস্থিতি বুঝতে হলে ১৯৭০-এর দশকের ঘটনাগুলো মনে করা জরুরি। ১৯৭৩ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়, ইসরায়েলকে সমর্থন দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে আরব দেশগুলো তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। শুধু তাই নয়, তারা তেল উৎপাদনও কমিয়ে দেয়।

    এর ফল ছিল দ্রুত ও নাটকীয়। অল্প সময়ের মধ্যে তেলের দাম প্রায় চার গুণ বেড়ে যায়। জ্বালানি সংকট ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। বহু দেশে তেল রেশনিং চালু হয়। অর্থনীতিতে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে আসে। একই সঙ্গে বাড়তে থাকে মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব।

    যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো বড় অর্থনীতিতেও মন্দা দেখা দেয়। সামাজিক অস্থিরতা বাড়ে, ধর্মঘট শুরু হয়, দারিদ্র্য তীব্র হয়। এমনকি যুক্তরাজ্যে তৎকালীন সরকারের পতনের পেছনেও এই সংকট ভূমিকা রেখেছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।

    কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের গবেষক ড. টিয়ার্নান হেনি বলেছেন, তেলের উচ্চ দাম প্রায় সব ক্ষেত্রেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং এর নেতিবাচক প্রভাব বহু দেশের সামাজিক কাঠামোকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। পরিবারগুলো জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খেয়েছিল, আর তার রাজনৈতিক ও সামাজিক মূল্যও দিতে হয়েছিল সরকারগুলোকে।

    তবে আজকের সংকট কি ১৯৭৩-এর পুনরাবৃত্তি?

    এখানেই বিশ্লেষণের জায়গা। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, আজকের পরিস্থিতি ১৯৭০-এর দশকের সংকটের সঙ্গে মিল থাকলেও, দুই সময়ের বাস্তবতা এক নয়।

    জ্বালানি খাতের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টল এনার্জির প্রধান নির্বাহী এবং অর্থনীতিবিদ ড. ক্যারল নাখলে মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭০-এর দশকের সংকট ছিল “মৌলিকভাবে ভিন্ন”। কারণ, সে সময়কার অচলাবস্থা ছিল একটি সুপরিকল্পিত নীতিগত সিদ্ধান্তের ফল। অর্থাৎ, তেলকে সরাসরি রাজনৈতিক চাপের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

    আজকের পরিস্থিতি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা থেকে তৈরি হয়েছে। এটি পরিকল্পিত উৎপাদন-কাট নয়, বরং সরবরাহপথ অচল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আধুনিক বাজার কাঠামো, কৌশলগত মজুদ, বিকল্প সরবরাহ উৎস এবং জ্বালানির বহুমুখীকরণের কারণে বর্তমান বিশ্ব কিছু ক্ষেত্রে আগের চেয়ে বেশি প্রস্তুত।

    তাহলে কেন ভয় এত বেশি?

    কারণ বাস্তবতা হলো—বাজার প্রস্তুত থাকলেও, শারীরিক সরবরাহের বিকল্প রাতারাতি তৈরি করা যায় না।

    এই মুহূর্তে বাজারে আগের মজুদ থেকে কিছু তেল সরবরাহ হচ্ছে। অর্থাৎ, আমরা এখনো পুরো ঘাটতির মুখোমুখি হইনি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সুরক্ষা বলয় দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এক মাস আগে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা তেলের বড় একটি অংশ এখনও বিশ্বের বিভিন্ন শোধনাগারে পৌঁছাচ্ছে। ফলে আপাতত বাজারে এক ধরনের বিলম্বিত সরবরাহ কাজ করছে। কিন্তু এই প্রবাহ দ্রুত কমে আসবে।

    ভেসপুচি মেরিটাইমের পরিচালক লার্স জেনসেন বিবিসির ‘টুডে’ প্রোগ্রামে বলেছেন, এখন যে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, তা সামনে গিয়ে আরও ঘনীভূত হবে। তার মতে, অলৌকিকভাবে আগামীকাল হরমুজ প্রণালি খুলে গেলেও সংকট সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যাবে না। কারণ সরবরাহচক্র ভেঙে গেলে বাজার স্বাভাবিক হতে সময় লাগে।

    এখানেই মূল সমস্যা। জ্বালানি বাজারে ধাক্কা লাগার পর তার প্রভাব কেবল তাৎক্ষণিক দামে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা ছড়িয়ে পড়ে পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থায়। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই চাপ সংকট শেষ হওয়ার পরও ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

    বর্তমান বিশ্ব কি আগের চেয়ে বেশি সহনশীল?

    এই প্রশ্নের উত্তর একরৈখিক নয়। ইতিবাচক দিক আছে, আবার ঝুঁকিও আছে।

    একদিকে, আজকের বিশ্বে তেলের উৎস আগের তুলনায় বেশি বৈচিত্র্যময়। অনেক দেশ কৌশলগত তেল মজুদ গড়ে তুলেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এলএনজি অবকাঠামো, বিকল্প আমদানি রুট—এসবও এখন আগের তুলনায় বেশি সক্রিয়। ফলে ১৯৭৩ সালের মতো সরাসরি অচলাবস্থায় গোটা বিশ্ব একযোগে ভেঙে পড়বে—এমনটা অনেক বিশ্লেষক মনে করেন না।

    আরব এনার্জি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মি. নাখলে বলেছেন, যদিও বর্তমান সরবরাহ বিঘ্ন সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বড় সংকট হতে পারে, তবুও বাজার ১৯৭০-এর দশকের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল।

    কিন্তু এই আশাবাদ পুরো ছবিটা বলে না।

    উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বড় শঙ্কা কোথায়?

    সবচেয়ে বড় দুর্বলতা তৈরি হতে পারে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে। কারণ, ধনী দেশগুলোর তুলনায় তাদের কৌশলগত মজুদ কম, মুদ্রানীতি দুর্বল, আমদানিনির্ভরতা বেশি এবং আর্থিক সহনশীলতা তুলনামূলক কম।

    জ্বালানির দাম বাড়লে প্রথম ধাক্কা পড়ে আমদানি ব্যয়ে। এরপর চাপ যায় পরিবহন খাতে। তারপর খাদ্যের দাম বাড়ে, শিল্প উৎপাদনের খরচ বাড়ে, বিদ্যুতের ওপর চাপ পড়ে, এবং শেষ পর্যন্ত জীবনযাত্রার ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে যেতে শুরু করে।

    অর্থাৎ, উন্নয়নশীল দেশে জ্বালানি সংকট খুব দ্রুত একটি সামগ্রিক জীবনযাত্রা সংকটে পরিণত হতে পারে। শুধু অর্থনীতির ভাষায় নয়, এটি সামাজিক অস্থিরতা, বেকারত্ব, আয়ের বৈষম্য এবং রাজনৈতিক চাপও বাড়াতে পারে। ১৯৭০-এর দশকের মতো পরিস্থিতি হুবহু না ফিরলেও, সেই ধরনের সামাজিক অস্বস্তির নতুন সংস্করণ তৈরি হওয়া অসম্ভব নয়।

    তেলের দাম বাড়লে কেন সব খাত কেঁপে ওঠে?

    তেল শুধু একটি পণ্য নয়; আধুনিক অর্থনীতির প্রায় সব খাতের সঙ্গে এটি জড়িয়ে আছে। পরিবহন, কৃষি, বিদ্যুৎ, শিল্প, প্লাস্টিক, রাসায়নিক, লজিস্টিকস—সব জায়গায় তেলের সরাসরি বা পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে।

    সুতরাং তেলের দাম বাড়া মানে শুধু গাড়ির জ্বালানি খরচ বাড়া নয়। এর অর্থ হলো:

    • পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়বে
    • খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ব্যয় বাড়বে
    • কারখানার পরিচালন ব্যয় বাড়বে
    • বিমান, জাহাজ ও স্থল পরিবহন খাতের ওপর চাপ বাড়বে
    • মুদ্রাস্ফীতি আরও জেদি হয়ে উঠতে পারে

    এই কারণেই জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কা লাগলে সেটি সাধারণত দ্রুতই “অর্থনীতির সবখাতের সমস্যা” হয়ে দাঁড়ায়।

    সংকট কত দিন স্থায়ী হতে পারে?

    এখানেই সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা। বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কেউ মনে করছেন, বাজারের বৈচিত্র্য ও কৌশলগত মজুদের কারণে বড় ধাক্কা সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। অন্যরা বলছেন, সংকট যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও অস্পষ্ট হয়ে পড়বে।

    পণ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাটিক্সিস সিআইবির পরিচালক জোয়েল হ্যানকক মনে করেন, এই সংকটের শেষ অনেকটাই নির্ভর করছে যুদ্ধের তীব্রতা কমার ওপর। তার মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে হলে আগে সংঘাতের গতি কমতে হবে। অন্যথায় জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা লেগেই থাকবে।

    এই বক্তব্যের অর্থ পরিষ্কার: সমস্যার কেন্দ্র বাজার নয়, ভূরাজনীতি। তাই শুধু অর্থনৈতিক নীতি দিয়ে পুরো সংকট মেটানো যাবে না; প্রয়োজন রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমন।

    সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বিশ্লেষণ কী বলছে?

    সব তথ্য একসঙ্গে রাখলে যে চিত্রটি দেখা যায়, তা হলো—বিশ্ব এখন ১৯৭০-এর দশকের মতো একেবারে একই ধরনের সংকটে নেই, কিন্তু বিপদকে হালকাভাবে দেখারও সুযোগ নেই।

    বর্তমান বিশ্ব নিঃসন্দেহে আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুত। কিন্তু হরমুজ প্রণালির মতো একটি রুট দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে শুধু “বাজারের সক্ষমতা” দিয়ে সব ঝুঁকি ঠেকানো সম্ভব নয়। বাস্তব সরবরাহ ব্যাহত হলে তার প্রভাব ধীরে ধীরে আরও বড় হয়ে ওঠে। প্রথমে জ্বালানির দাম, তারপর পরিবহন ব্যয়, এরপর মুদ্রাস্ফীতি, তারপর উৎপাদন খরচ—এক পর্যায়ে এটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি আঘাত হানে।

    সবচেয়ে বড় ঝুঁকি এখানেই: শুরুতে যা “আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকট” বলে মনে হয়, শেষ পর্যন্ত তা “জীবনযাত্রার সংকট”-এ রূপ নিতে পারে।

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার ঘটনা বিশ্বকে আবার মনে করিয়ে দিল, জ্বালানি নিরাপত্তা এখনো আন্তর্জাতিক রাজনীতির সবচেয়ে স্পর্শকাতর অধ্যায়গুলোর একটি। ১৯৭৩ সালের মতো পরিস্থিতি হুবহু ফিরে আসুক বা না আসুক, আজকের সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে নতুন করে সতর্ক সংকেত দিচ্ছে।

    বিশ্ব হয়তো আগের চেয়ে বেশি সহনশীল। কিন্তু সহনশীলতা আর অক্ষত থাকা এক জিনিস নয়। সরবরাহে দীর্ঘ বিঘ্ন, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় এবং যুদ্ধজনিত অনিশ্চয়তা একসঙ্গে থাকলে তার অভিঘাত দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    এই সংকটের সবচেয়ে কার্যকর সমাধান বাজারে নয়, কূটনীতিতে। যত দ্রুত সংঘাতের অবসান হবে, তত দ্রুত জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরবে। অন্যথায় তেলের দাম, মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক চাপ—সব মিলিয়ে বিশ্বকে আরও কঠিন এক সময়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে কী আছে?

    এপ্রিল 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান নিহত

    এপ্রিল 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধ থামাতে পুতিনের সঙ্গে বসতে চান জেলেনস্কি

    এপ্রিল 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.