Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইরানের কাছে কত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে—যা বলছে ইসরাইল
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের কাছে কত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে—যা বলছে ইসরাইল

    হাসিব উজ জামানUpdated:এপ্রিল 6, 2026এপ্রিল 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ইসরাইলের বিভিন্ন সূত্র ও প্রতিবেদনে যে তথ্য সামনে আসছে, তা একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে তেমনি বিভ্রান্তিকরও।

    ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর সময় ইরানের কাছে প্রায় ২,৫০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সংখ্যা অনেক কমে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তাদের মতে, এখন ইরানের হাতে মাত্র কয়েকশ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট রয়েছে, যেগুলো সরাসরি ইসরাইলে আঘাত হানতে সক্ষম।

    কিন্তু এই হিসাব নিয়েই দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। ইসরাইলের একটি প্রভাবশালী পত্রিকার সঙ্গে কথা বলার সময় সামরিক বাহিনীর কিছু সূত্র স্বীকার করেছে, ইরানের প্রকৃত ক্ষেপণাস্ত্র সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কেউই কিছু বলতে পারছে না। ফলে বাস্তব চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়।

    এদিকে, দেশটির একটি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে ইসরাইলি বিমান বাহিনীর এক কর্নেল ভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন। তার মতে, ইরানের কাছে এখনো ১,০০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এই তথ্য আগের ‘কয়েকশ’ অনুমানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক, যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    এই বিভ্রান্তির পেছনে রয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতা। ইসরাইলের হামলায় অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও, সবগুলো পুরোপুরি অকার্যকর হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়। অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে, যা ভবিষ্যতে আবার উদ্ধার করা সম্ভব।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই চাপা পড়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কত দ্রুত উদ্ধার করা যাবে। কিছু ক্ষেত্রে ইরান বিশেষ প্রযুক্তি ও ভারী যন্ত্র ব্যবহার করে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র বা সেগুলোর ভাণ্ডার পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম। ফলে, এগুলো আবারও দ্রুত ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠতে পারে।

    অন্যদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র বা লঞ্চারের ক্ষয়ক্ষতিও বড় একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরাইলি হিসাব অনুযায়ী, ইরানের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ লঞ্চার অন্তত সাময়িকভাবে অকার্যকর হয়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং বাকিগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে।

    তবে আরও একটি বিভ্রান্তিকর দিক রয়েছে। কখনো কখনো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দাবি করেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, কিছু সময় পরপরই ইরান আবারও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

    যুদ্ধের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হার কমে এসেছে। সাধারণত যুদ্ধের চতুর্থ দিনের মধ্যে দৈনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ২০টির নিচে নেমে আসে এবং সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    তবুও কিছু নির্দিষ্ট তথ্য পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করে। ইসরাইলের হিসাব অনুযায়ী, ইরান তাদের লক্ষ্য করে ৫০০-র বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর দাবি, তাদের দিকেও সব মিলিয়ে প্রায় ১,৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।

    এই হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর সময় ২,৫০০ ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে এখন ইরানের হাতে ৭০০-র কম থাকার কথা। আর যদি কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস হয়ে থাকে, তাহলে এই সংখ্যা আরও কমে কয়েকশতে নেমে আসতে পারে।

    তবে সবশেষে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না—যুদ্ধের শুরুতেই ইসরাইল হয়তো ইরানের মোট ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কম করে অনুমান করেছিল। এর আগেও এমনটি ঘটেছে, যখন কয়েক মাসের ব্যবধানে তারা নিজেদের হিসাব সংশোধন করে সংখ্যা বাড়িয়েছে।

    সব মিলিয়ে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি। যুদ্ধের বাস্তবতা, তথ্যের সীমাবদ্ধতা এবং ভিন্ন ভিন্ন দাবি—সবকিছু মিলিয়ে বিষয়টি এখনো রহস্যে ঘেরা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হরমুজে ইরান-চীন সমীকরণ, বড় ধাক্কার মুখে ভারতীয় অর্থনীতি

    এপ্রিল 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে কী আছে?

    এপ্রিল 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বিশ্ব কি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও বড় বিপদের দিকে এগোচ্ছে?

    এপ্রিল 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.