পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধবিরতির কথা বলা হলেও লেবাননে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছিলেন, এই যুদ্ধবিরতি মার্কিনি ও ইরানিদের মিত্রদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।
তবে দখলদার ইসরায়েল শর্ত ভঙ্গ করে বুধবার সন্ধ্যার দিকে লেবাননে একসঙ্গে ১০০ বিমান হামলা চালায়। এতে দেশটির রাজধানী বৈরুতসহ অন্যান্য জায়গায় কয়েকশ মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।
যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করায় ইসরায়েলকে জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা। অজ্ঞাত এ সেনা কমান্ডার বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজকে বলেছেন, ইসরায়েলি হামলার জবাব দিতে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, ইসরায়েল লেবাননে যে ক্রাইম করেছে। সেটির শাস্তি তারা দেবেন।
তিনি বলেন, “যুদ্ধবিরতিতে পুরো অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত। আর ইসরায়েল কথা ভঙ্গ করার জন্য পরিচিত। তাদের শুধুমাত্র বুলেট দিয়েই প্রতিহত করা যাবে।”
লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরদ্দিন সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেছেন, “বৈরুতে ও অন্যান্য জায়গায় ইসরায়েলের হামলার কারণে হাসপাতালগুলো শহিদ ও আহত মানুষে ভরে উঠেছে।”
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম বলেছেন, ইসরায়েল এখন তাদের প্রতিরক্ষাবিহীন বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, “ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধের সকল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করছে। পাশাপাশি তারা আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের নীতিগুলোকেও চরম অবজ্ঞা করছে, যা তারা কোনোকালেই মেনে চলেনি।”
“লেবাননের সকল মিত্রদের প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি, সম্ভাব্য সকল উপায়ে এই আগ্রাসন বন্ধে আমাদের সহায়তা করুন।”

