ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে ৭ নভেম্বর ঘোষিত ‘টাস্কফোর্স আয়রন গেট’ গঠনের মাধ্যমে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) ঘোষণা অনুযায়ী, প্রায় ২০ জন সামরিক ও বেসামরিক সদস্য নিয়ে গঠিত এই দল ফ্লোরিডার টাম্পায় কাজ করবে। এর লক্ষ্য ইরানের স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে উন্নত অস্ত্র, দ্বৈত ব্যবহারের প্রযুক্তি, নিষেধাজ্ঞাভুক্ত উপকরণ এবং অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধে মার্কিন বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো। সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের ভাষায়, সমুদ্রপথে অবরোধের পাশাপাশি স্থলপথেও চাপ বাড়ানো হবে, যাতে ইরান সামরিক কারখানা পুনর্গঠন ও অস্ত্রভাণ্ডার পূরণ করতে না পারে।

সমুদ্র অবরোধে কতটা চাপে ইরান?
সেন্টকমের দাবি, গত জুলাই থেকে কার্যকর মার্কিন নৌ অবরোধের ফলে ইরান ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে পারেনি। এ সময় ১৪৭টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পথ পরিবর্তনে বাধ্য করা হয়েছে এবং নির্দেশ অমান্য করায় পাঁচটি জাহাজ অচল করা হয়েছে। ৭ নভেম্বর ওমান উপসাগরে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের পতাকাবাহী এমভি হুদা নামের একটি জাহাজেও মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজ থেকে গোলাবর্ষণ করা হয়। সেন্টকমের দাবি, জাহাজটি ইরানি বন্দরে যাওয়ার পর অবরোধ অমান্য করে ফিরছিল।
তবে ২৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির হিসাবটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিজস্ব দাবি। তবু জাহাজ চলাচলে বাধা, তেল রপ্তানির অনিশ্চয়তা এবং বীমা ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ইরানের ওপর বড় অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করছে।
প্রশ্ন হলো, সমুদ্র অবরোধের পরও ইরান কীভাবে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে?
রয়টার্সের ২ নভেম্বরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ইরান অন্তত ২ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক ও ভারী যানবাহন আমদানি করেছে। প্রতিবেদনে ৫ হাজারের বেশি সংশ্লিষ্ট সংস্থার একটি গোপন নেটওয়ার্কের কথাও উঠে এসেছে। রাশিয়া থেকে কাস্পিয়ান সাগর, মধ্য এশিয়া থেকে স্থলপথ এবং চীন থেকে আকাশপথ ব্যবহার করে এসব সরঞ্জাম আনার অভিযোগ রয়েছে।
এ কারণেই আয়রন গেট গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র বুঝতে পারছে, শুধু সমুদ্রপথ বন্ধ করে ইরানের সামরিক সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করা অসম্ভব। তবে স্থলপথে সরবরাহ বন্ধের চেষ্টা রাশিয়া, চীন ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও নতুন চাপ তৈরি করতে পারে। এর বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, সেটিও বড় প্রশ্ন।
পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন: কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই পাহাড়?
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন। এর অবস্থান দেশটির মধ্যাঞ্চলে নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনার কাছাকাছি। পাহাড়ের গভীরে নির্মিত সুরক্ষিত সুড়ঙ্গ ও ভূগর্ভস্থ অবকাঠামোর কারণে স্থাপনাটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিকভাবে কঠিন লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।
রয়টার্সের ব্যাখ্যামূলক প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থাপনাটি নাতাঞ্জ পারমাণবিক কমপ্লেক্স থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে। এর ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গগুলো অত্যন্ত গভীরে নির্মিত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৩ জুলাই প্রথম প্রকাশ্যে সেখানে হামলার হুমকি দেন। পরে ১৬ অক্টোবরও তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে প্রয়োজনে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে আঘাত হানতে হতে পারে। তবে একই সাক্ষাৎকারে তিনি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন নেই বলেও উল্লেখ করেন।

স্থাপনাটির প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য নেই। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থা ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ধারণা, সেখানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের যন্ত্রপাতি, সেন্ট্রিফিউজের যন্ত্রাংশ কিংবা পারমাণবিক উপাদান সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান CSIS-এর ৯ সেপ্টেম্বরের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে স্থাপনাটির নির্মাণকাজ ও নিরাপত্তা অবকাঠামো বাড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) প্রধানও সেখানে নির্মাণকাজ চলার তথ্য পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন। তবে স্থাপনাটিতে কী ধরনের পারমাণবিক কার্যক্রম চলছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। ইরানের দাবি, এটি নাতাঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত সেন্ট্রিফিউজ সংযোজন কারখানার বিকল্প অবকাঠামো।
এখানেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হিসাব জটিল। স্থাপনাটি যদি পারমাণবিক সরঞ্জাম বা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সেখানে হামলা চালিয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে আরও পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে ওয়াশিংটন। কিন্তু ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ধ্বংস করা সহজ নয়। অত্যাধুনিক বাংকার বিধ্বংসী অস্ত্র দিয়েও পুরো অবকাঠামো ধ্বংসের নিশ্চয়তা নেই। হামলায় স্থাপনাটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেখানে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম বা উপাদান অক্ষত থাকার সম্ভাবনােই বেশি।
আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো, স্থাপনাটিতে হামলা চালানো হলে ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া কী হবে?
তেহরান হরমুজ প্রণালি, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালাতে পারে। ফলে একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে আবারও বড় সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়।
৯ নভেম্বর কেন আলোচনায়? হামলার সিদ্ধান্ত কি হয়েছে?
সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের আলোচনায় ৯ নভেম্বর তারিখটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ফক্স নিউজের ৬ নভেম্বরের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করা মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। প্রতিবেদনে ৯ নভেম্বরের অমাবস্যা ও রাতের অন্ধকারকে সামরিক অভিযানের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। দ্য টাইমস অব ইসরায়েলও এই খবর প্রকাশ করেছে।
তবে এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো, ৯ নভেম্বরকে হামলার নির্ধারিত তারিখ বলা যাচ্ছে না। এটি মূলত একটি সংবাদমাধ্যমের সূত্রনির্ভর প্রতিবেদন। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী নতুন অভিযানের অনুমোদন পেয়েছে, এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। অমাবস্যা সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে রাতের অন্ধকার বাড়াতে পারে, কিন্তু শুধু চন্দ্রপর্যায়ের কারণে কোনো অভিযান শুরু হবে- এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যুক্তিসংগত নয়।
এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যেও দ্বৈত অবস্থান দেখা যাচ্ছে। একদিকে তিনি পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে হামলার হুমকি দিয়েছেন, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। ২ নভেম্বর কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত হামলার কথা মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে মার্কিন সম্পদের ওপর হুমকি মোকাবিলায় ওই অভিযান চালানো হয়েছিল। ৭ নভেম্বর ট্রাম্পও ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় সীমিত হামলার কথা স্বীকার করেন।
পরমাণু হামলার গুজব ও তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি

তবে প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে হামলা হলেও ঝুঁকি কম নয়। ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় পারমাণবিক উপাদান বা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম থাকলে বিস্ফোরণের ফলে তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর প্রভাব আশপাশের জনবসতি ও পরিবেশে পড়তে পারে। তবে তেজস্ক্রিয় দূষণের মাত্রা নির্ভর করবে সেখানে কী ধরনের উপাদান রয়েছে এবং কীভাবে হামলা চালানো হচ্ছে তার ওপর।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। পুরস্কারের আওতায় পারমাণবিক স্থাপনা, সরঞ্জাম, সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী এবং এসব উপাদানের চলাচল সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে। এটি ওয়াশিংটনের গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদারের আরেকটি পদক্ষেপ।
যুদ্ধের হুমকির মধ্যেও কাতারের মধ্যস্থতা
সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনাও চলছে। ৫ নভেম্বর রয়টার্স জানায়, কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তবে তেহরান জানিয়েছে, আলোচনায় অগ্রসর হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সাতটি শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ। অন্যদিকে ওয়াশিংটন শুরুতেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা চায়।

২ নভেম্বর দোহায় কাতারের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর ইরানি প্রতিনিধিরা ফিরে গেলেও আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। রয়টার্স জানিয়েছে, একটি খসড়া প্রস্তাব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ৬ নভেম্বর কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং ট্রাম্পও ফোনে আঞ্চলিক সংকট নিরসনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়ে গেছে। ইরান চায় আগে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হোক, এরপর পারমাণবিক বিষয়ে আলোচনা হবে। যুক্তরাষ্ট্র চায় পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি শুরু থেকেই চুক্তির অংশ হোক। অর্থাৎ, কে আগে ছাড় দেবে – এটাই এখন সমঝোতার সবচেয়ে বড় বাধা।
ইরানকে চাপে ফেলা, নাকি নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি?
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কৌশলে দুটি বিষয় স্পষ্ট। প্রথমত, ইরানের তেল রপ্তানি ও সামরিক সরবরাহব্যবস্থা সংকুচিত করে দেশটির অর্থনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা। দ্বিতীয়ত, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনসহ অবশিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক অবকাঠামোকে সামরিক চাপের মধ্যে রাখা।
কিন্তু এই কৌশলের ঝুঁকিও কম নয়। স্থল ও সমুদ্রপথে অবরোধ বাড়লে ইরান রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে। হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়বে। উপসাগরীয় দেশগুলোর বন্দর, তেল স্থাপনা ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিও নতুন হামলার ঝুঁকিতে পড়বে।
এখানে ওয়াশিংটনের সামনে একটি কঠিন প্রশ্ন রয়েছে: ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে গিয়ে যদি পুরো অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়, তাহলে সেই অভিযানের কৌশলগত লাভ কতটা থাকবে? আবার তেহরানের জন্যও প্রশ্ন রয়েছে- অবরোধের চাপ সহ্য করতে গিয়ে দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর কতটা বোঝা চাপানো সম্ভব?

সব মিলিয়ে, ৯ নভেম্বরকে ঘিরে সামরিক জল্পনা থাকলেও এটিকে নিশ্চিত হামলার দিন হিসেবে দেখার কারণ নেই। বরং যুক্তরাষ্ট্রের স্থলপথে চাপ বাড়ানো, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নিয়ে হুমকি এবং কাতারের মধ্যস্থতায় চলমান আলোচনা- এই তিনটি ঘটনা একসঙ্গে দেখলে বোঝা যায়, ইরানকে ঘিরে এখন সামরিক শক্তি ও কূটনৈতিক দর-কষাকষি পাশাপাশি চলছে।
শেষ পর্যন্ত তেহরানকে সমঝোতায় বাধ্য করতে ওয়াশিংটন কতদূর যাবে, নাকি চাপ বাড়াতে গিয়ে নতুন করে যুদ্ধের দরজা খুলে দেবে? মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে সেই সিদ্ধান্তের ওপর।
প্রধান আন্তর্জাতিক তথ্যসূত্র:
- US CENTCOM — Task Force Iron Gate, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- Reuters — ইরানের গোপন সামরিক আমদানি নেটওয়ার্ক, ২ নভেম্বর ২০২৬
- Reuters — পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের পরিচিতি ও সামরিক গুরুত্ব
- BBC Verify — পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ
- Fox News-এর প্রতিবেদন পুনঃপ্রকাশ — ৯ নভেম্বরের সামরিক জল্পনা
- Reuters — কাতারের মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব, ৫ নভেম্বর
- US State Department — ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে ২ কোটি ডলারের পুরস্কার

