Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Sat, Jan 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ মুক্তি ও বিতর্ক: ইতিহাস বিকৃতি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা
    আন্তর্জাতিক

    ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ মুক্তি ও বিতর্ক: ইতিহাস বিকৃতি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা

    নাহিদAugust 20, 2025Updated:August 20, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    দ্য বেঙ্গল ফাইলস
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বলিউড পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর নতুন ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস মুক্তি পাওয়ার আগেই দেশজুড়ে তুমুল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে। ছবিটিকে সব ধরনের সমর্থন দিচ্ছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। তাদের দাবি, দেশভাগের সময় বাংলার হিন্দুদের ওপর চালানো নির্মম অত্যাচার ও গণহত্যার ইতিহাস এই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে। এতদিন কোনো পরিচালক সাহস করে পর্দায় এই বিষয়টি আনেননি বলেই তাদের মত।

    অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, ছবিটি সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়িয়ে রাজনৈতিক পরিবেশকে বিষিয়ে তুলতে চায়। বিশেষ করে আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছবিটি মুক্তির সময়সূচি নিয়েও প্রশ্ন তুলছে তারা।

    ছবিটি এখনো ভারতে মুক্তি না পেলেও অগ্নিহোত্রীর বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ উঠেছে। ছবির ট্রেলার নিয়েও তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। তবে অন্যপক্ষের যুক্তি হলো, বাংলা যেহেতু বাকস্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার গর্ব করে, সেখানে একজন পরিচালক কেন তার নির্মিত চলচ্চিত্র দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করতে পারবেন না?

    প্রথমে ছবিটির নাম ছিল দিল্লি ফাইলস। তবে পরে নাম পাল্টে রাখা হয় দ্য বেঙ্গল ফাইলস, কারণ মূল কাহিনির পটভূমি বাংলাকে ঘিরে। এতে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, অনুপম খের, পল্লবী জোশী, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, প্রিয়াংশু চট্টোপাধ্যায় ও দর্শন কুমারের মতো তারকারা। এছাড়া দাঙ্গার সময় হাজারো হিন্দুর প্রাণ রক্ষাকারী হিসেবে পরিচিত ‘গোপাল পাঁঠা’র ভূমিকায় আছেন অভিনেতা সৌরভ দাস।

    তবে সৌরভ দাস সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি আসলে দিল্লি ফাইলস-এর জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন এবং কেবল নিজের অংশের চিত্রনাট্য জানতেন। পুরো কাহিনি নিয়ে তার কোনো ধারণাই ছিল না।

    ছবিটি ইতোমধ্যেই সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বাদে ভারতের অন্যান্য রাজ্যে পনেরো দিনের মধ্যেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এর আগেই নিউ জার্সি, শিকাগো, সান হোসে ও সানফ্রান্সিসকোসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ছবিটির বিশেষ প্রিমিয়ার হয়েছে, যেখানে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

    শিকাগোর প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন ভারতের কনসাল জেনারেল সোমনাথ ঘোষ। এ জন্য পরিচালক তাকে প্রকাশ্যে ধন্যবাদ জানান। আসলে অগ্নিহোত্রীর চলচ্চিত্রে সরকারি সহায়তা নতুন নয়। তার আগের ছবি দ্য কাশ্মীর ফাইলস প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি দেশবাসীকে ছবিটি দেখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। যদিও অনেক সমালোচক ওই ছবিকে ‘ইসলামোফোবিক’ ও ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে আখ্যা দেন, তারপরও বিজেপি-শাসিত প্রায় সব রাজ্যে ছবিটি করমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।

    পশ্চিমবঙ্গে বিতর্ক ও বাধা

    কিন্তু দ্য বেঙ্গল ফাইলস পশ্চিমবঙ্গে প্রবল রাজনৈতিক বাধার মুখে পড়েছে। গত ১৬ আগস্ট কলকাতার একটি মাল্টিপ্লেক্সে ছবির ট্রেলার লঞ্চ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠান বাতিল করে। পরে একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজন করা হলেও পুলিশ সেখানে গিয়ে ট্রেলার প্রদর্শন বন্ধ করে দেয়। এমনকি নির্মাতাদের ল্যাপটপ জব্দও করা হয়।

    পুলিশের দাবি, অনুষ্ঠানটির জন্য প্রয়োজনীয় ‘বিনোদন লাইসেন্স’ আয়োজকরা দেখাতে পারেননি। তবে অগ্নিহোত্রীর অভিযোগ, “সত্যজিত রায়ের শহরে এসে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাকে এভাবে কণ্ঠরোধ করা হবে, তা দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি।”

    তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “পশ্চিমবঙ্গে এই প্রোপাগান্ডা ফিল্ম চলতে দেওয়া হবে না। রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ানোর চেষ্টা রাজ্য সরকার কিছুতেই মেনে নেবে না।” তিনি আরও বলেন, “বেঙ্গল ফাইলস বানানোর আগে গুজরাট দাঙ্গার ধর্ষিতা বিলকিস বানু নিয়ে গুজরাট ফাইলস কিংবা উত্তরপ্রদেশের হাতরাস-উন্নাওয়ের নির্যাতিতা নারীদের নিয়ে ইউপি ফাইলস বানান, তারপর না হয় বাংলায় ঢোকার চেষ্টা করুন।”

    অন্যদিকে দিল্লিভিত্তিক দক্ষিণপন্থী চিন্তাবিদ আনন্দ রঙ্গনাথন টুইট করেছেন, “ছবি মুক্তির আগেই বেঙ্গল ফাইলসের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গে একগুচ্ছ এফআইআর! মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ধারকরা এখন কোথায়?” তার পোস্ট বিজেপির বহু নেতাই রিটুইট করেছেন।

    আইনি লড়াই ও পরবর্তী পরিকল্পনা

    কলকাতার এই সব নাটকীয় ঘটনার পর ১৮ আগস্ট দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করেন পরিচালক ও প্রযোজকরা। অগ্নিহোত্রী জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে তার মোকাবিলা আইনের পথেই করা হবে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যাতে ছবিটি দেখতে পারেন তার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

    প্রযোজনা সংস্থার সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ যদি শেষ পর্যন্ত ছবিটি হলে মুক্তির অনুমতি না দেয়, তবে নেটফ্লিক্স বা অ্যামাজন প্রাইমের মতো ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা করা হবে। যে করেই হোক বাংলার মানুষ ছবিটি দেখবে বলেই তাদের লক্ষ্য।

    বলিউড পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর নতুন ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস মুক্তির আগেই বিতর্কে জড়িয়েছে। ছবিটিকে কেন্দ্রীয় ক্ষমতাসীন বিজেপি সমর্থন জানাচ্ছে। তারা বলছে, দেশভাগের সময় বাংলার হিন্দুদের ওপর চালানো নির্মম অত্যাচার ও গণহত্যার ইতিহাস ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে। এতদিন কেউ সাহস করে এই বিষয়টি রূপালী পর্দায় দেখাতে পারেননি।

    অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, ছবিটি সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়িয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ বিষিয়ে দিতে চায়। বিশেষ করে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছবিটি মুক্তির সময়সূচি নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে।

    ছবিটি ভারতে এখনও মুক্তি পায়নি। তবে এর বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ উঠেছে। ছবির ট্রেলারের ওপরও তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। কিছু সমালোচক মনে করছেন, সিনেমার গল্প ইতিহাসকে একপাক্ষিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখাচ্ছে। অন্যদিকে, অনেকে বলছেন, বাংলা বাকস্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার দেশে একজন পরিচালক কেন তার সিনেমা দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পারবেন না।

    ছবির অন্যতম আলোচিত চরিত্র গোপাল পাঁঠা। তাকে কলকাতার দাঙ্গার সময় হিন্দুদের রক্ষাকর্তা হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে ট্রেলারে দেখা যায়, তাকে মুসলিম বিদ্বেষী কসাই হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    গোপাল মুখোপাধ্যায়ের পৌত্র শান্তনু মুখার্জি বলেছেন, তার দাদু শুধু হিন্দুদের নয়, বহু মুসলমানেরও প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন। মুসলিম সমাজের সঙ্গে তার সম্পর্কও ঘনিষ্ঠ ছিল। এই কারণে তিনি ছবির এই উপস্থাপনাকে মেনে নিতে পারছেন না।

    পরিচালক অগ্নিহোত্রীর দাবি, শান্তনু মুখার্জি তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ, তাই রাজনৈতিক চাপেই এই মন্তব্য করেছেন।

    ইতিহাস বিকৃতি ও অতীতের বিতর্ক

    রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুকল্যাণ গোস্বামীর মতে, অগ্নিহোত্রী কাশ্মীর ফাইলস-এ অনেক তথ্য বিকৃত করেছিলেন। হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা অতিরঞ্জিত দেখানো হয়েছিল। গোস্বামীর মতে, ইতিহাসের নামে তথ্য বিকৃতির কোনো অধিকার নেই।

    এছাড়া অগ্নিহোত্রীর বিরুদ্ধে আগেও ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। কখনও কংগ্রেসকে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দল হিসেবে দাবি করেছেন। কখনও রাজনৈতিক নেতা কানহাইয়া কুমারের ধর্মান্তর নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য শেয়ার করেছেন। পরে এসব পোস্ট তিনি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছেন।

    তবে অগ্নিহোত্রী নিজস্ব বক্তব্যে পরিষ্কার করেছেন, “আমি হিন্দুদের ইতিহাস নিয়ে সিনেমা বানাই। ইসলাম বা খ্রিস্টানদের ইতিহাস নিয়ে কাজ করার ক্ষমতা বা দক্ষতা আমার নেই। অন্য পরিচালকরা যেমন ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে ছবি বানান, আমি হিন্দু ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে বানাই।”

    ছবিটি সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বাদে দেশের অন্যান্য রাজ্যে পনেরো দিনের মধ্যে মুক্তি পাবে।

    এর আগে নিউ জার্সি, শিকাগো, সান হোসে ও সানফ্রান্সিসকোসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিশেষ প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় দর্শক উপস্থিত ছিলেন। শিকাগোর প্রিমিয়ারে ভারতের কনসাল জেনারেল সোমনাথ ঘোষও ছিলেন। পরিচালক তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    অগ্নিহোত্রীর চলচ্চিত্রে সরকারি সহায়তা নতুন নয়। তার আগের ছবি দ্য কাশ্মীর ফাইলস-এর প্রচারে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অংশগ্রহণ করেছিলেন।

    পশ্চিমবঙ্গে বাধা ও বিতর্ক

    পশ্চিমবঙ্গে ছবির মুক্তি নিয়ে প্রবল রাজনৈতিক বাধা দেখা দিয়েছে। ১৬ আগস্ট কলকাতার একটি মাল্টিপ্লেক্সে ট্রেলার লঞ্চ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়। পরে পাঁচতারকা হোটেলে ট্রেলার দেখানো হলেও পুলিশ এসে তা বন্ধ করে দেয়। নির্মাতাদের ল্যাপটপও জব্দ করা হয়।

    পুলিশের দাবি, অনুষ্ঠানটির জন্য প্রয়োজনীয় ‘বিনোদন লাইসেন্স’ দেখানো হয়নি। অগ্নিহোত্রী অভিযোগ করেছেন, “সত্যজিত রায়ের শহরে এসে একজন পরিচালককে এভাবে কণ্ঠরোধ করা হবে, তা দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি।”

    তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ জানিয়েছেন, “পশ্চিমবঙ্গে এই ছবিটি প্রদর্শন অনুমোদন পাবেনা। রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ানোর চেষ্টা আমরা মেনে নেব না।”

    অভিনেতা শাশ্বত চ্যাটার্জি বলেছেন, তিনি ইতিহাস বিচার করতে পারেন না। একজন অভিনেতা হিসেবে তার কাজ শুধুই চরিত্র করা। তিনি বলেন, “ইতিহাস বিকৃত হয়েছে কি না, সেটা আদালতের কাজ।”

    ১৮ আগস্ট দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে অগ্নিহোত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যে আইনি পদক্ষেপ বা এফআইআর হয়েছে, তা আইনের মাধ্যমে মোকাবিলা করা হবে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যাতে ছবিটি দেখতে পারে, তার জন্য সব চেষ্টা করা হবে।

    প্রযোজনা সংস্থা জানিয়েছে, যদি পশ্চিমবঙ্গ সিনেমা হলে মুক্তি না দেয়, তবে নেটফ্লিক্স বা অ্যামাজন প্রাইমের মতো ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবিটি দ্রুত প্রদর্শন করা হবে। যে কোনো উপায়ে বাংলার মানুষ ছবিটি দেখবেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যেভাবে প্রতিযোগিতায় নেমেছে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র

    January 17, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ঈগল ৪৪ কী, ইরান কেন ও কীভাবে তৈরি করল ভূগর্ভস্থ বিমানবন্দর?

    January 17, 2026
    ব্যাংক

    এস আলমের ব্যাংক লুটের খেসারত দিচ্ছেন আমানতকারীরা

    January 17, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.