Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Fri, Jan 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ট্রাম্পকে নিজের নোবেল পদক উপহার দিলেন ভেনেজুয়েলার মাচাদো
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্পকে নিজের নোবেল পদক উপহার দিলেন ভেনেজুয়েলার মাচাদো

    এফ. আর. ইমরানJanuary 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের নোবেল পুরষ্কারটি উপহার হিসেবে দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সাথে একান্ত বৈঠকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি।

    ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সরাসরি সাক্ষাতের পর মাচাদো বলেন, “আমি মনে করি আজ আমাদের ভেনেজুয়েলাবাসীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন।”

    এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে হলো যার কয়েক সপ্তাহ আগে মার্কিন বাহিনী কারাকাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে এবং তার বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ এনে মামলা করা হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, এই পুরস্কার গ্রহণ করা ছিল “পারস্পরিক সম্মানের এক চমৎকার ইঙ্গিত”।

    তবে ২০২৪ সালের বহুল বিতর্কিত নির্বাচনে মাচাদো জয়ের দাবি করলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখনো মাচাদোকে দেশটির নতুন নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেননি।

    তার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলায় অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন ট্রাম্প। রদ্রিগেজ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

    তবে মাচাদোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করাকে নিজের জন্য “অনেক সম্মানজনক” বলে জানান ট্রাম্প। তিনি মাচাদোকে “অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে যাওয়া একজন অসাধারণ নারী” হিসেবেও বর্ণনা করেন।

    হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে গেটের সামনে জড়ো হওয়া সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন মাচাদো। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাতে জানা যায় তিনি স্প্যানিশ ভাষায় তাদের বলেন, “আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ভরসা করতে পারি।”

    পরে ইংরেজিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাচাদো বলেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি উপহার দিয়েছি”। একে “আমাদের স্বাধীনতার প্রতি তার অনন্য অঙ্গীকারের স্বীকৃতি” বলে অভিহিত করেন তিনি।

    নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আগ্রহের কথা প্রায়ই প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বছর মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে এই পুরস্কার দেওয়া হলে এবং তিনি এটি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত জানালে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প।

    এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে সূত্র সংবাদমাধ্যম হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

    এর আগে গত সপ্তাহে মাচাদো বলেছিলেন, তিনি এই পুরস্কারটি ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন। তবে পরে নোবেল কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে এই পুরস্কার হস্তান্তরযোগ্য নয়।

    গত সপ্তাহে দেওয়া এক বিবৃতিতে নোবেল কমিটি জানায়, “নোবেল পুরস্কার একবার ঘোষণা করা হয়ে গেলে তা প্রত্যাহার, ভাগাভাগি বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা যায় না। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং চিরস্থায়ী”।

    মাচাদোর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে নোবেল কমিটি সূত্র সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তাদের আগের বিবৃতির কথাই জানিয়েছেন বলে জানা যায়।

    বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে বৈঠকের আগে নোবেল পিস সেন্টার সামাজিক মাধ্যমে এক্সে পোস্ট করে জানায়, “একটি পদকের মালিকানা বদলাতে পারে, কিন্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর উপাধি বদলায় না”।

    নিজের বক্তব্যে মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেওয়া মার্কেস দে লাফায়েত তার পাওয়া জর্জ ওয়াশিংটনের প্রতিকৃতি খচিত একটি পদক আধুনিক ভেনেজুয়েলার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সিমন বলিভারকে উপহার দেওয়ার উদাহরণ হিসেবে টেনে আনেন মাচাদো।

    মাচাদোর ভাষায়, সেই উপহার ছিল অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে “ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন”।

    “আর ইতিহাসের ২০০ বছর পর, বলিভারের জনগণ ওয়াশিংটনের উত্তরসূরির হাতে একটি পদক তুলে দিচ্ছে—এবারের ক্ষেত্রে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক—আমাদের স্বাধীনতার প্রতি তার অনন্য অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবে,” বলেন তিনি।

    ওয়াশিংটন সফরের সময় মাচাদো মার্কিন কংগ্রেসেও যান। সেখানে তিনি সিনেটরদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সমর্থকদের স্লোগানে তার বক্তব্য প্রায় চাপা পড়ে যায়। তারা ‘মারিয়া, প্রেসিদেন্তে’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং ভেনেজুয়েলার পতাকা নাড়াচ্ছিলেন।

    ধারনা করা হচ্ছিলো, ট্রাম্পের সঙ্গে মাচাদোর বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল ডেলসি রোদ্রিগেজের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন দেওয়া একটি ভুল সিদ্ধান্ত- এই বিষয়টি তাকে বোঝানো। একইসাথে এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার তার বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।

    বৃহস্পতিবার বৈঠক চলাকালে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, মাচাদো “ভেনেজুয়েলার বহু মানুষের জন্য এক অসাধারণ ও সাহসী কণ্ঠস্বর”। ট্রাম্প “এই বৈঠকের অপেক্ষায় ছিলেন ও ভেনেজুয়েলার বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে খোলামেলা ও ইতিবাচক আলোচনা প্রত্যাশা করছিলেন।”

    এর আগে ট্রাম্প মাচাদোকে “স্বাধীনতার যোদ্ধা” হিসেবে আখ্যা দিলেও মাদুরোকে অপসারণের পর তাকে ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বে বসানোর বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেন। তার যুক্তি ছিল, দেশে মাচাদোর পর্যাপ্ত জনসমর্থন নেই।

    তেসরা জানুয়ারি নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার তেল খাত দ্রুত পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল।

    বুধবার এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র প্রথম কিস্তিতে ৫০ কোটি ডলার মূল্যের ভেনেজুয়েলার তেলের বিক্রি করেছে।

    নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ভেনেজুয়েলার তেল বহনের সন্দেহে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজও জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনী জানায়, বৃহস্পতিবার তারা ষষ্ঠ একটি ট্যাংকারে তল্লাশি চালিয়েছে।

    নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার সরকারের এক দূত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে এসে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং দেশটির দূতাবাস পুনরায় চালুর প্রাথমিক পদক্ষেপ নেবেন।

    ওই দূতকে রোদ্রিগেজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বন্ধু হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। হোয়াইট হাউস রদ্রিগেজকে “অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ” বলেও উল্লেখ করেছে।

    বৃহস্পতিবার কারাকাসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া বার্ষিক ভাষণে রোদ্রিগেজ বলেন, তিনি ওয়াশিংটনে বৈঠকে অংশ নিতে প্রস্তুত।

    তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে যদি আমাকে কখনো ওয়াশিংটনে যেতে হয়, আমি মাথা উঁচু করে হেঁটে যাব, হামাগুড়ি দিয়ে নয়”।

    একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনীতি নিয়ে “ভয় না পাওয়ার” আহ্বান জানান।

    বুধবার ট্রাম্প ও রদ্রিগেজের মধ্যে ফোনালাপও হয়। পরে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে “একজন দারুণ মানুষ” বলে উল্লেখ করেন।

    অন্যদিকে রদ্রিগেজ এই ফোনালাপকে “ফলপ্রসূ ও সৌজন্যমূলক” বলে বর্ণনা করে বলেন “পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে” আলাপ হয়েছে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    আফগানিস্তানে তালেবান শীর্ষ নেতৃত্বে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব

    January 16, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়া বন্ধ: কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে?

    January 16, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে মার্কিন হামলা ঠেকিয়েছে সৌদি, ওমান ও কাতার

    January 15, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.