Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইরানে বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করল কারা?
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করল কারা?

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ইরানে বিক্ষোভ। ছবি: সিবিএস
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সাম্প্রতিক বিক্ষোভে ‘কয়েক হাজার’ মানুষ নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর এ স্বীকারোক্তি কিছুটা অস্বাভাবিক। কারণ, দেশটিতে এর আগে যেসব বিক্ষোভ হয়েছে, সেগুলোর হতাহতের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য করা থেকে তিনি সব সময় বিরত থেকেছেন।

    এবার গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে রাজধানী তেহরানের বাণিজ্যিক এলাকা থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। তা ধীরে ধীরে দেশটির ছোট-বড় প্রায় সব শহরে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষোভ ভয়াবহ রকমের সহিংস হয়ে ওঠে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও নিরাপত্তা বাহিনী শক্ত হাতে বিক্ষোভ দমন করে।

    তবে বিক্ষোভ চলাকালে ইরানে ঠিক কী ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে কী হতে পারে—তা নিয়ে দেশটির সরকার, বিদেশে অবস্থানকারী বিরোধী শক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যা বলছেন, তাতে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে।

    নিশ্চিতভাবে যা জানা গেছে যে…..

    অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে থেকে গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানের ব্যবসা ও বাণিজ্যিক এলাকা গ্র্যান্ড বাজারে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। কয়েক দিনের মধ্যে তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়।

    ইরানের সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম, বিদেশভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এবং মাঠপর্যায়ের প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ৮ ও ৯ জানুয়ারির রাত ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী।

    নিহত ব্যক্তিদের অনেককে খুব কাছ থেকে বা ছাদ থেকে বুকে ও মাথায় গুলি করা হয়েছে। মারাত্মকভাবে জখম করাই ছিল এভাবে গুলি করার উদ্দেশ্য। ছুরিকাঘাত করেও অনেককে হত্যা করা হয়েছে।
    —আব্বাস মাসজেদি আরানি, ইরানের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান

    ইরানের চিকিৎসা পরীক্ষক কর্তৃপক্ষের (ফরেনসিক) প্রধান আব্বাস মাসজেদি আরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত ব্যক্তিদের অনেককে খুব কাছ থেকে বা ছাদ থেকে বুকে ও মাথায় গুলি করা হয়েছে। মারাত্মকভাবে জখম করাই ছিল এভাবে গুলি করার উদ্দেশ্য। ছুরিকাঘাত করেও অনেককে হত্যা করা হয়েছে।

    রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোর ভাষ্যমতে, বিক্ষোভকারীদের অধিকাংশ ছিলেন তরুণ-তরুণী। তাঁদের অনেকের বয়স ছিল বিশের কোঠায়।

    ইরানের রাজধানী তেহরানে ৮ জানুয়ারি ২০২৬-এ বিক্ষোভ চলাকালে একটি যানবাহনে আগুন জ্বলছিল। ছবি: এএফপি
    ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট-

    সরকার ৮ জানুয়ারি রাতে সারা দেশে ইন্টারনেট–সেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে মুঠোফোন যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। ফলে জরুরি উদ্ধারকাজে ফোন করাও সম্ভব হয়নি।

    ইরানে এভাবে ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা নজিরবিহীন। প্রায় দুই সপ্তাহ পর গত রোববার থেকে ইন্টারনেট–সেবা ধীরে ধীরে ফিরতে শুরু করেছে। তবে দেশটির ৯ কোটি জনসংখ্যার অধিকাংশই এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ভবিষ্যতে কী হতে পারে, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না।

    গত কয়েক দিনে স্থানীয় কল, এসএমএস এবং বিদেশে ফোন করার সেবা চালু হয়েছে। সীমিত কিছু সেবা দেয় এমন একটি স্থানীয় ইন্টারনেট (নেটওয়ার্ক) কার্যক্রম শুরু করেছে।

    রাস্তায় বর্তমানে বিক্ষোভ নেই বললে চলে। তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের মতো বিক্ষোভের প্রাণকেন্দ্রসহ ইরানের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাজার হাজার সশস্ত্র সদস্য চেকপোস্ট বসিয়ে টহল দেওয়া শুরু করেছেন।

    আন্দোলন চলাকালে ডিজিটাল যোগাযোগ ও ইন্টারনেট–সেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকায় বিক্ষোভের ভিডিও ইরানের বাইরে তেমন একটি ছড়াতে পারেনি। অন্যদিকে এ সময় অল্প কিছু মানুষ ইরান ছাড়তে বা সরকারের কড়াকড়ি এড়িয়ে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেটে যুক্ত হতে পেরেছেন।

    সরকার কী বলছে?

    ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা প্রায় প্রতিদিন বলছেন, বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইন্ধন জুগিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, বিভিন্ন বিদেশি শক্তি বিরোধীদের অস্ত্র ও অর্থ দিয়েছে।

    ইরানের ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অভিযোগ করেন, ট্রাম্প ‘অপরাধী’। কারণ, তিনি এ অস্থিরতার সঙ্গে নিজেকে একাধিকবার সরাসরি জড়িয়েছেন।

    যারা ‘দাঙ্গায়’ অংশ নিয়েছে, তাদের দ্রুত শাস্তি দেওয়া হবে। কোনো দয়া দেখানো হবে না।
    —ইরানের বিচার বিভাগ

    ইরান সরকারের ভাষ্যমতে, হাজার হাজার মানুষ হত্যার জন্য রাষ্ট্রীয় বাহিনী নয়, বরং সশস্ত্র ও প্রশিক্ষিত ‘সন্ত্রাসীরা’ সরাসরি দায়ী। সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষে কাজ করা ব্যক্তিরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ভিন্ন খাতে পরিচালনা করতে গুলি ও ছুরি চালিয়েছে।

    বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, যারা ‘দাঙ্গায়’ অংশ নিয়েছে, তাদের দ্রুত শাস্তি দেওয়া হবে। কোনো দয়া দেখানো হবে না। সর্বোচ্চ আদালত ও সরকারি প্রসিকিউটরের অফিস রোববার ঘোষণা দিয়েছে, বিক্ষোভ–সংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি যৌথ ওয়ার্ক গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।

    ইরানে চলা বিক্ষোভের সমর্থনে ১০ জানুয়ারি ২০২৬-এ প্রতিবাদ সভা। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের বাইরে। ছবি: রয়টার্স

    বিদেশভিত্তিক পর্যবেক্ষকেরা কী বলছেন?

    বিদেশভিত্তিক পর্যবেক্ষক এবং ইরানের বাইরে থাকা বিরোধীদের দাবি, অধিকাংশ বিক্ষোভকারী রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সির (এইচআরএএনএ) সর্বশেষ তথ্যমতে, তারা ৩ হাজার ৩০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করতে পেরেছে। পাশাপাশি আরও ৪ হাজার ৩০০-এর বেশি মৃত্যুর খবর তারা যাচাই করে দেখছে। বিক্ষোভে ২ হাজার ১০৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৪ হাজারের বেশি মানুষ।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্স গত রোববার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরানের এক কর্মকর্তার বরাতে জানায়, বিক্ষোভে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য প্রায় ৫০০ জন। অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ইরানের উত্তর-পশ্চিমের কুর্দি সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায়।

    আল–জাজিরা হতাহতের এসব পরিসংখ্যান স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

    বিদেশ থেকে পরিচালিত কয়েকটি ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইরানি কর্তৃপক্ষ নিহত বিক্ষোভকারীদের পরিবারের কাছ থেকে ‘বুলেট মানি’, তথা গুলির দাম চেয়েছে। এ অর্থ দিলেই নিহত ব্যক্তিদের কবর দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের এমন নথিতে সই করতে বলা হয়েছে, যেখানে নিহত ব্যক্তিদের বিক্ষোভকারী নয় বরং ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রণাধীন আধা সামরিক বাহিনী বাজিসের সদস্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কিন্তু ইরান সরকার এ দুই দাবি অস্বীকার করেছে।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কী বলছে

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বের সম্ভাব্য উৎখাতের কথা কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে বলে আসছেন। গত বছরের জুনের ১২ দিনের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় এ ধরনের বক্তব্য জোরালো হয়।

    সাম্প্রতিক বিক্ষোভের চরম মুহূর্তে ট্রাম্প ইরানের জনগণকে রাস্তা না ছাড়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে’। কিন্তু পরে তিনি এ অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসেন এবং বলেন, ইরান ৮০০-এর বেশি রাজনৈতিক বন্দীর পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে। তাই তিনি ইরানের নেতৃত্বের প্রতি ‘গভীর শ্রদ্ধা’ প্রকাশ করেন।

    এ প্রসঙ্গে ইরানের প্রসিকিউটর আলী সালেহি গত শনিবার বলেন, ট্রাম্প ‘অনেক বাজে কথা বলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পদক্ষেপ হবে প্রতিরোধমূলক এবং দ্রুত।’

    এসব সত্ত্বেও ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান নিয়ে মন্তব্য করে যাচ্ছেন। শনিবার তিনি খামেনির ৩৭ বছরের শাসন শেষ করার আহ্বান জানান এবং তাঁকে ‘অসুস্থ মানুষ’ বলে মন্তব্য করেন।

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ‘কান’ জানিয়েছে, নেতানিয়াহু নিজ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ইরানের বিক্ষোভ নিয়ে সাক্ষাৎকার দেওয়া বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    তবে নেতানিয়াহুর এ নির্দেশের আগে দেশটির ঐতিহ্যবিষয়ক মন্ত্রী আমিচাই এলিয়াহু বলেছিলেন, ইসরায়েলের গুপ্তচর (অপারেটিভরা) ‘এই মুহূর্তে’ ইরানে সক্রিয় রয়েছেন। যেমনটি তাঁরা ১২ দিনের যুদ্ধের সময় সক্রিয় ছিলেন।

    সূত্র: ‘আল-জাজিরা’র ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেহরান-নয়াদিল্লির দ্বিতীয় দফা ফোনালাপ

    মার্চ 11, 2026
    আন্তর্জাতিক

    অর্থনীতি বনাম সামরিক অভিযান—ট্রাম্পের কঠিন সমীকরণ

    মার্চ 10, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরান যুদ্ধ থামানোর পথ খুঁজছে ইসরাইল

    মার্চ 10, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.