Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, এপ্রিল 10, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পৃথিবীর শেষ প্রান্তে ইতোকোর্তোরমিতের জীবনচিত্র
    আন্তর্জাতিক

    পৃথিবীর শেষ প্রান্তে ইতোকোর্তোরমিতের জীবনচিত্র

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ইতোকোর্তোরমিত গ্রাম। ছবি: এএফপি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    গ্রিনল্যান্ডের ইতোকোর্তোরমিত গ্রামটি প্রতিবছর নয় মাস বরফে ঢেকে থাকে। পৃথিবীর উত্তর প্রান্তভাগের জীবনধারা কেমন, তা এই জায়গায় গেলে বোঝা যায়।

    পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত বিশ্বব্যবস্থায় সত্যিকারের দুর্গম জায়গায় ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পাওয়াটা খুবই বিরল। একই সঙ্গে পৃথিবীর সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন অঞ্চলগুলোর মানুষেরা কীভাবে জীবন যাপন করে, তা জানতে পারাটা আরও বিরল অভিজ্ঞতা।

    যুক্তরাজ্যভিত্তিক আলোকচিত্রী কেভিন হল সেই বিরল অভিজ্ঞতাই লাভ করেছেন। বিবিসিতে লেখা এক নিবন্ধে তিনি সে অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।

    ইতোকোর্তোরমিত হলো ছোট একটি গ্রাম। সেখানে ৩৭০ জন মানুষের বসবাস। গ্রামের ঘরগুলো বর্ণিলভাবে রং করা।

    গ্রামটিতে নেই কোনো সড়ক। সেখানে পৌঁছানোর উপায় হলো হেলিকপ্টার, নৌকা (গ্রীষ্মকালে) ও স্নোমোবাইল নামের যানে চড়া। এ ছাড়া প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে নের্লেরিট ইনাট বিমানবন্দরগামী ফ্লাইটে চড়েও যাওয়া যায়। এ ফ্লাইট সপ্তাহে দুবার হয়। এর মধ্যে একটি আসে আইসল্যান্ড থেকে, আর অন্যটি পশ্চিম গ্রিনল্যান্ড থেকে।

    ইতোকোর্তোরমিতের খুব কাছাকাছি কোনো গ্রাম বা শহর নেই। এর সবচেয়ে নিকটবর্তী শহরের অবস্থান প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে। গ্রামের আশপাশের এলাকা বরফময়। সেখানকার হিমশৈলে বাস করে মেরুভালুক (পোলার বিয়ার), মাস্ক অক্স আর লাখ লাখ সামুদ্রিক পাখি।

    বছরের নয় মাস গ্রামটি সাগরের পানিজমা বরফে ঢাকা থাকে। ইতোকোর্তোরমিতের আদিবাসী গোষ্ঠী ইনুইটরা তখন কুকুরে টানা স্লেজ বাহন ব্যবহার করে বরফের ওপর ভ্রমণ করে এবং শিকারের খোঁজ করে।

    ২০২৫ সালে গ্রামটির শতবর্ষ উদ্‌যাপিত হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এখানে জনসংখ্যা কমতে দেখা গেছে। কিছু হিসাব অনুসারে, ২০০৬ সালের পর জনসংখ্যা প্রায় ৩৫ শতাংশ কমে গেছে।

    কারণ হচ্ছে, পূর্বসূরিদের শিকারনির্ভর জীবনধারা থেকে বের হয়ে নতুন ধরনের পেশার খোঁজে কিংবা পড়াশোনা করতে তরুণেরা শহরে চলে যাচ্ছেন। তা ছাড়া, উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে আশপাশের সাগরের বরফ জমতে বেশি সময় নিচ্ছে এবং দ্রুত গলে যাচ্ছে।

    উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ইতোকোর্তোরমিতের কাছে সাগরে বরফ জমতে বেশি সময় নিচ্ছে এবং দ্রুত গলে যাচ্ছে
    উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ইতোকোর্তোরমিতের কাছে সাগরে বরফ জমতে বেশি সময় নিচ্ছে এবং দ্রুত গলে যাচ্ছে। ছবি: এএফপি

    এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বারবারই ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছে। সব মিলে ইতোকোর্তোরমিত এখন দুটো বড় সমস্যার মুখোমুখি। একটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন এবং অন্যটি হলো ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা।

    আলোকচিত্রী কেভিন হল লিখেছেন, ইতোকোর্তোরমিতে প্রচণ্ড শীতের মধ্যে ভ্রমণ করাটা শুধু রোমাঞ্চকর অভিযানই ছিল না, এটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতাগুলোর একটি।

    কেভিন প্রথমে আইসল্যান্ড থেকে ফ্লাইটে করে নের্লেরিট ইনাট বিমানবন্দরে পৌঁছান। এর পর তিনি জমে থাকা বরফের ওপর পাঁচ দিন কাটিয়েছেন। সেখানকার তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেত।

    কেভিন হল লিখেছেন, ‘আমি কুকুরে টানা স্লেজ বাহনে ভ্রমণ করেছি, তাঁবু ও শিকারিদের ছোট কুটিরে ঘুমিয়েছি। সেখানে ছিল না বিছানা, চলমান পানিপ্রবাহ, উষ্ণতা বা অন্য কোনো সুবিধা। আমি ঘণ্টায় ৮০ মিটার গতির বাতাস আর তুষারঝড়ের মধ্যে ৪৫ কিলোমিটার এলাকা স্নোমোবাইলে পার হয়েছি।’

    কেভিনের মতে, এটি নিতান্তই একটি ফটোগ্রাফি অভিযান ছিল না, বরং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে দূরবর্তী অঞ্চলে মানুষের জীবনযাপনের বিরল চিত্রটা একঝলক দেখার সুযোগ দিয়েছে। এ ছাড়া ইতোকোর্তোরমিতের বাসিন্দারা কীভাবে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে সংগ্রাম করছেন, তা–ও জানার সুযোগ হয়েছে।

    চরম ঠান্ডার সঙ্গে বসবাস

    কেভিন হলের জন্য এই ভ্রমণের ব্যবস্থা করেছিলেন খ্যাতিমান আলোকচিত্রী জোশুয়া হোলকো। তিনি ওগে ড্যানিয়েলসেন ও মানাসে টুকো নামের দুজন স্থানীয় ইনুইট গাইডের ব্যবস্থা করেন। কুকুরে টানা স্লেজে করে কেভিনসহ তিনজন আলোকচিত্রীকে নের্লেরিট ইনাট বিমানবন্দর থেকে ইতোকোর্তোরমিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের লক্ষ্য ছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে নির্জন ও বিস্ময়কর মেরুপ্রকৃতির ছবি তোলা।

    ভ্রমণের শুরুর দিকের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে কেভিন হল লিখেছেন, ‘প্রথম রাতেই আমরা বিমানবন্দরের কাছাকাছি ছোট ছোট তাঁবুতে ক্যাম্প করি। তখন তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ক্রমাগত নামছিল।

    ড্যানিয়েলসেন ও টুকো বরফের ওপর জমে থাকা কড মাছ কাঠমিস্ত্রির মতো করে করাত দিয়ে কেটে নেন এবং গলানো বরফের পানি গরম করে সেখানে তা (মাছ) সেদ্ধ করেন। তাঁরা বললেন, রাতের খাবার প্রস্তুত। মাছ সুস্বাদু ছিল, যদিও অনেক কাঁটা ছিল। কিন্তু আমাদের আসল চিন্তা ছিল, সামনে কী অপেক্ষা করছে।’

    কেভিন লিখেছেন, তিনি এর আগে কখনো এমন শীত অনুভব করেননি। রাতে যখন তাঁরা গুটিসুটি মেরে শুয়ে ছিলেন, তখন প্রবল বাতাসে তাঁবু কাঁপছিল। স্লেজ টানার কুকুরগুলো ঘেউ ঘেউ করছিল।

    কেভিন বলেন, তাঁর ধারণা, উত্তর মেরু অঞ্চলের শিয়াল বা ভালুক তখন সেদিক দিয়ে চলাচল করছিল। তাপমাত্রা আরও কমতে থাকলে তাঁর পায়ে টান ধরে যায়। কেভিন হলের মতে, এটা ছিল সত্যিকার অর্থেই ঠান্ডায় দীক্ষা নেওয়ার মতো এক অভিজ্ঞতা।

    জাতীয় প্রতীক

    পরদিন সকালে নাশতার পরপরই ড্যানিয়েলসেন ও টুকো তাঁদের সঙ্গে থাকা মালামাল গুছিয়ে নিতে শুরু করেন। তাঁরা ব্যাগ, কুলার বক্স, ক্যামেরার কেস, কুকুরের খাবারসহ আরও বিভিন্ন জিনিসপত্র স্লেজে তুলে শক্ত করে বেঁধে ফেলেন।

    এরপর একেকটি স্লেজে দুজন করে বসলেন। সামনে ছিলেন একজন গাইড, যিনি স্লেজটানা কুকুরগুলোকে পরিচালনা করতেন। পরবর্তী ছয় দিন ধরে প্রতিটি স্লেজে নিযুক্ত ১২টি গ্রিনল্যান্ড স্লেজ কুকুর ৪৫০ কিলোগ্রামের বেশি বোঝা টেনে নিয়েছে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দৌড়েছে তারা।

    এই আদুরে প্রাণীগুলোকে গ্রিনল্যান্ডের ইনুইট ভাষায় ‘কিম্মিত’ নামে ডাকা হয়। ইনুইটদের আদিগোষ্ঠীর মানুষেরা বড় ও হাস্কি জাতের এই কুকুরকে প্রায় এক হাজার বছর আগে সাইবেরিয়া থেকে গ্রিনল্যান্ডে নিয়ে এসেছিল বলে ধারণা করা হয়। বর্তমানে এগুলো গ্রিনল্যান্ডে একধরনের জাতীয় প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

    ইতোকোর্তোরমিত গ্রামের ঘরগুলো নানা রঙের
    ইতোকোর্তোরমিত গ্রামের ঘরগুলো নানা রঙের। ছবি: এএফপি

    এক সকালে স্লেজে করে ইতোকোর্তোরমিত গ্রাম থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমের দিকে যাওয়ার সময় কেভিন হলরা দূরের একটি পাহাড়ের চূড়ায় চারটি মাস্ক অক্সকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন।

    মাস্ক অক্স দেখতে কেমন, সেটার বর্ণনা দিয়ে কেভিন হল লিখেছেন, প্রায় ৪০০ কেজি ওজনের এই প্রাগৈতিহাসিক চেহারার প্রাণীগুলোর গাল থেকে বেরিয়ে থাকা ছোট শিং আর শক্ত বাতাসে উড়তে থাকা লম্বা কালো-বাদামি লোমের আবরণ—সব মিলিয়ে তারা যেমন ভয়ংকর, তেমনি দারুণ ফটোজেনিক।

    কেভিন হল ও তাঁর সঙ্গীরা স্লেজ থেকে নেমে অত্যন্ত সতর্কভাবে এগোতে শুরু করেন। কারণ, হোলকো তাঁদের আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে বরফযুগের এই জীবাশ্মসদৃশ প্রাণীগুলো খুব সহজেই চমকে ওঠে এবং আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। খুব দ্রুত নড়াচড়া করলে তারা পালিয়ে যাবে, আবার খুব কাছে গেলে সোজা তেড়ে আসতে পারে।

    কেভিন লিখেছেন, ‘বিশালাকার প্রাণীগুলোর ছবি তুলতে প্রায় এক ঘণ্টা কাটানোর পর তারা ধীরে ধীরে পাহাড়ি পথের আরও উঁচু দিকে উঠে যেতে শুরু করল। হয়তো তারা জানত, ইতোকোর্তোরমিত এলাকায় তাদের স্থানীয়ভাবে সুস্বাদু খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।’

    শিকারি

    তৃতীয় দিনে কেভিন হলকে ড্যানিয়েলসেন জানালেন যে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে তাঁর একটি কুঁড়েঘর আছে। সেখানে দুটি রাত কাটানোর আমন্ত্রণ জানান তিনি। কুঁড়েঘরটির অবস্থান এমন এক জায়গায় যে আমন্ত্রণ পাওয়ামাত্রই কেভিন হল রাজি হয়ে যান। কারণ, তাঁর মনে হলো, ওখানে গেলে জমে থাকা বরফের ওপর মেরুভালুকের দেখা পাওয়া যেতে পারে।

    ড্যানিয়েলসেনের কুঁড়েঘরটি ছিল উজ্জ্বল নীল রঙে রাঙানো। ভেতরে আছে ছোট একটি সোফা, একটি চেয়ার, একটি সিঙ্ক, একটি চুলা আর একটি টয়লেট।

    ড্যানিয়েলসেন যদিও আয়ের বাড়তি উৎস হিসেবে গাইডের কাজ করেন, তবে শিকার করাই তাঁর আসল ভালোবাসা, পেশা ও বংশানুক্রমিক ঐতিহ্য। সেখানকার আইনে শিকারিদের শিকার করা প্রাণীর মাংস বা চামড়া বিক্রি করার অনুমতি নেই। মাস্ক অক্সের ক্ষেত্রে তো সেগুলো দেশের বাইরে নেওয়াও নিষেধ।

    আইন অনুযায়ী, শিকার করা মাংস কেবল পরিবারের খাবার ও পোশাকের প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়, ঠিক যেমনটা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে হয়ে আসছে।

    ড্যানিয়েলসেনের কুঁড়েঘর থেকে কেভিন হলরা প্রায় ২০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে যাত্রা শুরু করেন। পাঁচ দিন ভ্রমণের পর তাঁরা ক্যাপ হোপে পৌঁছান। এটি ইতোকোর্তোরমিত থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিমে ছোট একটি বসতি। সেখানে প্রায় ২০টি পুরোনো কুঁড়েঘর রয়েছে। রাতে তাঁরা সেখানেই ঘুমিয়েছেন।

    পরদিন সকালে দেখা মিলল মেরুভালুকের। ড্যানিয়েলসেন দুরবিন দিয়ে তাকিয়ে হঠাৎ চিৎকার করলেন, ‘পোলার বিয়ার! পোলার বিয়ার!’ কেলভিনরা তখন ছবি তোলার প্রস্তুতি নেন। ভালুকটি প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে বরফের ওপর দাঁড়িয়ে ২০ মিনিট কাটায়, তারপর ধীরে ধীরে চলে যায়।

    আলোকচিত্রী জোশুয়া হোলকোর কাছ থেকে গল্প শুনে আরেক ধরনের মেরুভালুকের ছবি তুলতে চেয়েছিলেন কেভিন হল। সাদা লোমের ওই মেরুভালুককে ‘আর্কটিক অঞ্চলের ভূত’ নামে ডাকা হয়। কারণ, তাদের সাদা লোম এত নিখুঁতভাবে আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে মিশে যায় যে এদের খালি চোখে দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কেভিন হল ওই ভালুকদের দেখা পাননি।

    পৃথিবীর প্রান্তভাগের জীবনধারা

    কেভিন হলের তথ্য অনুসারে, পায়ে হেঁটে ইতোকোর্তোরমিত গ্রামের পুরোটা ঘুরে বেড়াতে আধা ঘণ্টার মতো সময় লাগে। এখানে আছে একটি গির্জা, ছোট একটি ট্রাভেল এজেন্সি, পুলিশ স্টেশন, একটি বার, একটি অতিথিশালা, একটি হেলিপোর্ট এবং পিলেরুইসোক নামের একটি ছোট সুপারমার্কেট। এই সুপারমার্কেটে প্রতি মৌসুমে মাত্র দুটি জাহাজে করে পণ্য আসে।

    দোকানের প্রায় ফাঁকা তাক ঘুরে দেখে আমার চোখে পড়ে, সবকিছুর দাম অস্বাভাবিক বেশি। তখন ভাবি, যেখানে কাজের সুযোগ খুব কম, সেখানে স্থানীয় মানুষ এসব জিনিস কিনে কীভাবে চলে?

    সবশেষে কেভিন হল লিখেছেন, বাইরে বেরিয়ে অনেক বাড়ির পাশে ঝুলতে থাকা মেরুভালুকের চামড়া আমাকে এই সম্প্রদায়ের শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। আমি এই অভিযানে এসেছিলাম বন্য প্রাণীর অনন্য ছবি তুলতে। এ যাত্রায় তথাকথিত ‘আর্কটিক অঞ্চলের ভূত’দের দেখা না পেলেও তাতে আফসোস নেই। কারণ, এর চেয়ে বেশি কিছু আমি পেয়েছি। পৃথিবীর সবচেয়ে দূরবর্তী একটা স্থানে মানুষ কীভাবে জীবন চালিয়ে যায়, তা আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি।’

    সূত্র: ‘বিবিসি’র ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    সংসদে একদিনে ৩১ বিল পাসের ইতিহাস

    এপ্রিল 10, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইসরায়েলকে ‘মানবতার অভিশাপ’ বললেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    এপ্রিল 10, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধের মাঝেই ১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার লাশ ফেরাল রাশিয়া

    এপ্রিল 9, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.