Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, ফেব্রু. 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধবিমান উৎপাদন চুক্তি কেন ভেস্তে গিয়েছিল?
    আন্তর্জাতিক

    ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধবিমান উৎপাদন চুক্তি কেন ভেস্তে গিয়েছিল?

    এফ. আর. ইমরানফেব্রুয়ারি 4, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সেস এসইউ-৩৫ ফাইটার। ছবি: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাশিয়া একসময় ভারতের সঙ্গে Su-35 যুদ্ধবিমানের লাইসেন্স উৎপাদন চুক্তি করার চেষ্টা করেছিল। ২০১০-এর দশকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর মিডিয়াম মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (MMRCA) টেন্ডারের আওতায় এই প্রস্তাব সামনে আনা হয়। রাশিয়া তখন Su-35-কে MiG-35-এর তুলনায় বেশি ব্যয়বহুল হলেও অত্যন্ত সক্ষম বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করেছিল। তবে নানা কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি।

    MMRCA টেন্ডারে Su-35 ছিল ব্যতিক্রমী একটি প্রার্থী। যেখানে অন্য প্রতিযোগীদের বেশিরভাগই মাঝারি বা হালকা ওজনের যুদ্ধবিমান ছিল, সেখানে Su-35 ছিল তুলনামূলকভাবে ভারী প্ল্যাটফর্ম। অস্ত্র বহনক্ষমতা, শক্তিশালী রাডার, দীর্ঘ পাল্লা, উচ্চতর অপারেশনাল উচ্চতা এবং ত্রিমাত্রিক থ্রাস্ট ভেক্টরিং ইঞ্জিনের কারণে Su-35 কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাপিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখত। MiG-35 ব্যতীত অন্য সব প্রতিযোগীর তুলনায় এটি কম দামে দেওয়ার প্রস্তাবও দেয় রাশিয়া।

    রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সেস এসইউ-৩৫ ফাইটার। ছবি: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

    তবে Su-35-এর প্রধান দুর্বলতা ছিল এর আকার ও পরিচালন ব্যয়। বড় আকারের কারণে এর রক্ষণাবেক্ষণ ও অপারেশন খরচ মাঝারি ও হালকা যুদ্ধবিমানের তুলনায় বেশি হতো। যদিও ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহরে আগে থেকেই ২০০টির বেশি Su-30MKI থাকায় প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণে মিল থাকার সুবিধা ছিল। রাশিয়া ভারতে ১১৪টি Su-35 লাইসেন্স উৎপাদনের প্রস্তাব দেয় এবং একই সঙ্গে প্রযুক্তি স্থানান্তরের আশ্বাস দেয়, যাতে Su-30MKI বহরকে Su-35 মানে উন্নীত করা সম্ভব হতো।

    ভারতীয় বিমান বাহিনীর Su-30MKI যুদ্ধবিমান। ছবি: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

    এই আপগ্রেডের আওতায় AL-41F-1S ইঞ্জিন, Irbis-E রাডার, আধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা এবং R-37M ও R-77M-এর মতো আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজনের সম্ভাবনার কথা বলা হয়। রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউরি বোরিসভ তখন বলেছিলেন, Su-35 ও Su-30SM-এর মধ্যে প্রযুক্তিগত মানসম্মতকরণ খরচ কমাবে এবং অস্ত্র ব্যবস্থার একীকরণ ঘটাবে।

    এরপরও ভারত শেষ পর্যন্ত MMRCA টেন্ডার বাতিল করে। একই সময়ে ২০২০ সালে Su-30MKI ও MiG-29 যুদ্ধবিমানের অর্ডার বাড়ানো হয়। এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে Su-57 পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান সংগ্রহের সম্ভাবনাকেও উন্মুক্ত করে।

    আমুর বিমান কারখানার কমসোমলস্কে Su-35 উৎপাদন। ছবি: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

    ভারতীয় বিমান বাহিনীর দৃষ্টিতে Su-35-এর আরেকটি সীমাবদ্ধতা ছিল প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সীমা। ২০০২ সালে পরিষেবায় আসার সময় Su-30MKI অত্যাধুনিক হলেও, Su-35 ও পুরোনো Su-30MKI-এর মধ্যে প্রযুক্তিগত ব্যবধান খুব বড় ছিল না। MMRCA টেন্ডারে Su-35 ছিল একমাত্র যুদ্ধবিমান যার প্রধান AESA রাডার ছিল না, যদিও এতে ডানার গোড়ায় দুটি L-ব্যান্ড AESA রাডার যুক্ত ছিল। প্রশ্ন ছিল, Su-30MKI-এর উন্নত সংস্করণের কাছাকাছি সক্ষমতার একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা আদৌ যৌক্তিক কি না।

    রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সেস এসইউ-৩৫ ফাইটার। ছবি: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

    এই প্রেক্ষাপটে Su-57-এর প্রতি ভারতের আগ্রহ বাড়তে থাকে। যদিও Su-57-এর ক্রয় ব্যয় বেশি, তবুও পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি দীর্ঘমেয়াদে বেশি লাভজনক বলে বিবেচিত হচ্ছে। রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশন ভারতকে Su-57-এর সোর্স কোডে পূর্ণ প্রবেশাধিকার দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে, যা স্থানীয় এভিওনিক্স সংযোজনসহ অভূতপূর্ব মাত্রার কাস্টমাইজেশনের সুযোগ তৈরি করবে।

    ২০২৫ সালের দুবাই এয়ারশোতে Su-57 ফাইটার। ছবি: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

    বিশ্লেষকদের মতে, Su-35-এর প্রযুক্তি স্থানান্তর ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পে তুলনামূলকভাবে সীমিত প্রভাব ফেলত। বিপরীতে, Su-57-এর প্রযুক্তি দেশীয় AMCA প্রকল্পসহ ভবিষ্যৎ যুদ্ধবিমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এসব কারণেই রাশিয়ার Su-35 লাইসেন্স উৎপাদনের প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত ভারতের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি।

    সূত্র: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধীরগতি—প্রবৃদ্ধি নেমেছে ৩ শতাংশে

    ফেব্রুয়ারি 25, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বাংলাদেশের ডিম-মুরগিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল সৌদি

    ফেব্রুয়ারি 25, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্পের শুল্ক হুমকিতে বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন অনিশ্চয়তা

    ফেব্রুয়ারি 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক আগস্ট 4, 2025

    ১১৭ বছরের সকল জমির দলিল এখন অনলাইনে

    বাংলাদেশ নভেম্বর 9, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.