Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে জামায়াতের জয়, কী ভাবছে পশ্চিমবঙ্গ?
    আন্তর্জাতিক

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে জামায়াতের জয়, কী ভাবছে পশ্চিমবঙ্গ?

    Najmus Sakibফেব্রুয়ারি 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত ঘেঁষা অনেক আসনেই জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী | ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলের মানচিত্রে চোখ রাখলেই একটি স্পষ্ট ধারা ধরা পড়ে। বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলের চিত্রে দক্ষিণ-পশ্চিমের সাতক্ষীরা–৪ আসন থেকে শুরু করে উত্তরের মেহেরপুর–২ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর টানা হলুদ রঙের উপস্থিতি দেখা যায়।

    নির্বাচনী ফলাফলে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে হলুদ রঙে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেই হিসেবে সীমান্তঘেঁষা বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এই জোটের জয় দৃশ্যমান।

    শুধু সীমান্ত এলাকা নয়, সীমান্ত থেকে কিছুটা ভেতরের জেলাগুলিতেও একই চিত্র পাওয়া যায়। খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া ও পাবনার একাধিক আসন জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের দখলে গেছে।

    উত্তরের দিকে অগ্রসর হলে একই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়। রাজশাহী–১ আসন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট। উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের বহু আসনেও তারা বিজয়ী হয়েছে।

    সামগ্রিকভাবে দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামীর জোট যেসব এলাকায় জয় পেয়েছে, সেগুলোর বড় অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং আংশিকভাবে আসাম রাজ্যের সীমান্তবর্তী অঞ্চল।

    এই ফলাফল পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে গভীর আগ্রহ তৈরি করেছে। রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষকরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন। কারণ কয়েক মাসের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

    বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত অঞ্চল বরাবর জামায়াতের এই সাফল্যকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে ব্যাখ্যা করবে এবং ভোটারদের সামনে উপস্থাপন করবে, তার ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ প্রভাব। বিশেষ করে বিজেপি এবং রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

    পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের সীমান্ত বরাবর অনেক আসনে জিতেছে জামায়াতে ইসলামী জোট|ছবি: বিবিসি

    যা বলছে বিজেপি ও তৃণমূল:

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বাংলাদেশ বহু বছর ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী ইস্যু। বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক অনুপ্রবেশ ঘটে। তাদের দাবি, রাজ্যের শাসক দল সেই অনুপ্রবেশকারীদের মদত দেয়।

    দলটির বক্তব্য, বামফ্রন্ট সরকারের সময়ও অনুপ্রবেশ ছিল। বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে তা আরও বেড়েছে। বিজেপির অভিযোগ, সীমান্তবর্তী বহু জেলায় জনসংখ্যার বিন্যাস বদলে গেছে।

    বাংলাদেশের নির্বাচনে সীমান্তঘেঁষা এলাকায় জামায়াতের জয় নিয়ে বিজেপির অবস্থানও স্পষ্ট। দলের অন্যতম মুখপাত্র ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক বিমল শঙ্কর নন্দ বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামায়াতে ইসলামী কীভাবে সীমান্ত অঞ্চলে জয়ী হয়েছে, সেটি একটি আলাদা বিশ্লেষণের বিষয়। তবে এই ফল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে বলেই তিনি মনে করেন।

    তার বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্তের অনেক অংশে এখনো কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়নি। এর একটি বড় কারণ হিসেবে তিনি রাজ্য সরকারের জমি দিতে অনীহাকে দায়ী করেন। তার অভিযোগ, সীমান্তে অনুপ্রবেশ চলতে থাকুক এমনটাই চায় রাজ্যের শাসক দল।

    বিমল শঙ্কর নন্দ বলেন, কট্টরপন্থী সংগঠনগুলো এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারে। সীমান্ত দিয়ে আরও মানুষ ভারতে পাঠানোর চেষ্টা হতে পারে। এতে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

    অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা সামাজিক মাধ্যমে বিএনপির জয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ফলাফল ঘোষণার দিন দুপুরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান।

    তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, হিন্দু মৌলবাদ ও ইসলামি মৌলবাদ একে অপরের পরিপূরক। তার বক্তব্য, বাংলাদেশে যা জামায়াতে ইসলামী, ভারতে সেটাই বিজেপি।

    তিনি আরও বলেন, কোচবিহার থেকে নদীয়া পর্যন্ত সীমান্ত অঞ্চলে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপির প্রভাব বেড়েছে। তার মতে, ভারতে হিন্দু মৌলবাদের উত্থান সীমান্তের ওপারেও প্রতিফলিত হয়েছে।

    খুলনায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হয়েছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী কৃষ্ণ নন্দী। নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন | ছবি: সংগৃহীত

    সীমান্ত অঞ্চলে দুর্বল নয় জামায়াত:

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় জামায়াতের ব্যাপক জয়কে বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেস উভয় পক্ষই নিজেদের রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

    একদিকে বিজেপি কট্টরপন্থিদের বিজয়কে সামনে এনে ধর্মীয় মেরুকরণের চেষ্টা করতে পারে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলাদেশে সামগ্রিকভাবে যে মুক্তিযুদ্ধপন্থী বিএনপি জয় পেয়েছে, সেই দিকটি তুলে ধরতে পারে।

    সংবাদ পোর্টাল দ্য ওয়াল–এর কার্যনির্বাহী সম্পাদক অমল সরকার বলেন, সীমান্ত বরাবর এলাকায় জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি নতুন কিছু নয়। দেশভাগের পর ১৯৪৭ সাল থেকেই ওই অঞ্চলে তাদের সংগঠন ছিল মজবুত। এবারের নির্বাচনে হঠাৎ করে তারা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, এমন ধারণা সঠিক নয়।

    তার মতে, বিজেপি বিষয়টি এমনভাবে তুলে ধরতে পারে যে সীমান্তে জামায়াত শক্তিশালী হচ্ছে, তাই হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। ভোটার তালিকা নিবিড়ভাবে সংশোধনের দাবিও সেই প্রেক্ষাপটে সামনে আনা হতে পারে। তবে এই ব্যাখ্যা সম্পূর্ণভাবে বিজেপির নিজস্ব রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি নিয়ে গবেষক স্নিগ্ধেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, আসাম সীমান্তসংলগ্ন এলাকাতেও জামায়াত ভালো ফল করেছে। ঠিক এই অঞ্চলগুলোতেই ভারতে বিজেপির সংগঠন শক্তিশালী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ব্যতীত।

    তার মতে, জামায়াতের জয়কে কেন্দ্র করে বিজেপি রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইবে। বলা হতে পারে সীমান্তে জামায়াত শক্তিশালী হয়েছে এবং তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে পারে। তবে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের সামগ্রিক নির্বাচনী ফলাফল কীভাবে ব্যাখ্যা করে মানুষের সামনে উপস্থাপন করবে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    তিনি বলেন, যদি তুলে ধরা যায় যে বাংলাদেশে কট্টরপন্থী শক্তিকে হারিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে জনগণ বিজয়ী করেছে, তাহলে সেই বার্তা সীমান্ত রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

    সুত্র: বিবিসি নিউজ বাংলা

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালীতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ইরানের কৌশলগত জবাব যুক্তরাষ্ট্রকে

    মার্চ 18, 2026
    বাংলাদেশ

    বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: দুই রোগীর মৃত্যু

    মার্চ 18, 2026
    বাংলাদেশ

    বগুড়ায় নীলসাগর ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ

    মার্চ 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.