ইরানে হামলার জন্য স্পেনে থাকা সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করা যাবে না বলে ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দিয়েছে মাদ্রিদ। ফলে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে যৌথভাবে পরিচালিত রোটা ও মোরন সামরিক ঘাঁটি থেকে অন্তত ১৫টি মার্কিন যুদ্ধবিমান উড়ে গেছে।
সোমবার (২ মার্চ) ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪–এর মানচিত্রে এই চিত্র দেখা গেছে।
স্প্যানিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত কিন্তু স্পেনের সার্বভৌমত্বের অধীন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের ওপর হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেবে না মাদ্রিদ।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি-মার্কিন যৌথ হামলার নিন্দাও জানায় স্পেন।
ফ্লাইটরাডার২৪–এর তথ্য অনুযায়ী, স্পেন ছেড়ে যাওয়া অন্তত ৭টি বিমান জার্মানির রামস্টাইন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে।
স্পেনের এই অবস্থান এবং ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সমাজবাদী প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের তীব্র নিন্দা প্রকাশ আবারও দেশটির ব্যতিক্রমী অবস্থান তুলে ধরেছে। অবশ্য এই অবস্থান মাদ্রিদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
স্প্যানিশ সম্প্রচারমাধ্যম টেলেসিনকোকে দেওয়া বক্তব্যে আলবারেস বলেন, ‘এই অভিযানে স্পেনের ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয় বা জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থী এমন কোনো কাজে সেগুলো ব্যবহার করা হবে না।’
প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিতা রোব্লেস বলেন, বিমানগুলো—প্রধানত বোয়িং কেসি-১৩৫ ‘স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার’সহ আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার—স্পেনে স্থায়ীভাবে মোতায়েন ছিল।
ফ্লাইটরাডার২৪–এর ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটে দেখা গেছে, গতকাল দক্ষিণ স্পেনের মোরন বিমানঘাঁটি থেকে নয়টি ট্যাংকার উড়ে জার্মানির দিকে গেছে।
ফ্লাইটরাডার২৪–এর তথ্য অনুযায়ী, রোটা নৌঘাঁটি (যেখানে একটি বিমানঘাঁটিও রয়েছে) থেকে দুটি ফ্লাইট দক্ষিণ ফ্রান্সের দিকে গেছে।
আরো চারটি ফ্লাইট রোটা থেকে উড়েছে, তবে তাদের রুট দেখানো হয়নি।

