ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন ‘সময়ের তুলনায় অনেক এগিয়ে’ এবং এটি ৪–৫ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন—দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত একটি ইরানি শাসনব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য যেমন অসহনীয় হুমকি, তেমনি আমেরিকান জনগণের জন্যও বড় বিপদ। আমাদের দেশ নিজেও হুমকির মুখে পড়ত, এবং প্রায় সেই অবস্থার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তাদের নির্ধারিত সময়সূচির তুলনায় “অনেকটাই এগিয়ে” রয়েছে।
শুরুর দিকে ৪ থেকে ৫ সপ্তাহ সময় লাগবে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তবে তিনি যোগ করেন, তাদের “এর চেয়েও অনেক দীর্ঘ সময় অভিযান চালানোর সক্ষমতা” রয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের সামরিক নেতৃত্বকে নিষ্ক্রিয় করতে চার সপ্তাহ লাগবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, “কিন্তু… তা প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, ফলে আমরা সময়সূচির তুলনায় অনেক এগিয়ে।”
এ ছাড়া, ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে পরিচালিত অভিযানের লক্ষ্যগুলো স্পষ্ট।
এর মধ্যে রয়েছে “ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা”, “তাদের নৌবাহিনী সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া”, এবং তাদের কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়া।
তিনি আরও বলেন, দেশটি নিজ সীমান্তের বাইরে সন্ত্রাসী বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ, অর্থায়ন ও পরিচালনা চালিয়ে যেতে পারে না।
এরপর ট্রাম্প কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির অভাবকে হামলার আরেকটি যৌক্তিক কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আমরা ভেবেছিলাম একটি চুক্তি হতে যাচ্ছে। কিন্তু তারা সরে দাঁড়ায়। আবার তারা ফিরে আসে, আমরা ভেবেছিলাম চুক্তি হবে—তারপর আবার সরে দাঁড়ায়। আমি বলেছি, এদের সঙ্গে এভাবে সমঝোতা করা যায় না। সঠিক উপায়েই এটি করতে হবে।
সুত্র: দ্যা গার্ডিয়ান

