Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » আজারবাইজান থেকে ইসরায়েলে তেল সরবরাহে ইরানের হুমকি
    আন্তর্জাতিক

    আজারবাইজান থেকে ইসরায়েলে তেল সরবরাহে ইরানের হুমকি

    Najmus Sakibমার্চ 4, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    তুরস্কের জায়হান বন্দর | ছবি: রয়টার্স
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-এর (আইআরজিসি) কমান্ডারের এক উপদেষ্টা মঙ্গলবার বলেছেন, তেহরান তাদের ভাষায় শত্রুদের তেল সরবরাহ লাইনকে লক্ষ্যবস্তু করবে এবং অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি অব্যাহত থাকতে দেবে না।

    ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই বক্তব্যটি আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে।

    জ্যেষ্ঠ আরব সূত্র মিডল ইস্ট আই-কে জানিয়েছে, এই উপদেষ্টার বক্তব্যে আশঙ্কা আরও জোরদার হয়েছে যে ইরান বাকু-তিবিলিসি-জেইহান পাইপলাইন-কে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, যা আজারবাইজান থেকে ইসরায়েলে অপরিশোধিত তেল পরিবহন করে।

    সূত্রটি জানায়, “শত্রুদের তেল লাইনে হামলার ইরানি হুমকি বলতে মূলত এই পাইপলাইনকেই বোঝানো হচ্ছে, কারণ এটি ইসরায়েলের প্রধান তেল সরবরাহের উৎসগুলোর একটি।”

    ইসরায়েলের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৩০ শতাংশ এই পাইপলাইনের মাধ্যমে আসে।

    এই পাইপলাইনটি আজারবাইজান থেকে জর্জিয়া হয়ে তুরস্কের মাধ্যমে ইসরায়েলে পৌঁছায়। সূত্রটি আরও জানায়, কাস্পিয়ান সাগর থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এই পূর্ব-পশ্চিম জ্বালানি করিডোরটি ইরানের নাগালের মধ্যেই রয়েছে, বিশেষ করে আজারবাইজান ভৌগোলিকভাবে এর কাছাকাছি হওয়ায়।

    সোমবার ইরান ঘোষণা করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী যেকোনো জাহাজে তারা হামলা চালাবে।

    আইআরজিসির প্রধান কমান্ডারের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ইব্রাহিম জাব্বারি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে বলেন, “হরমুজ প্রণালী বন্ধ। কেউ যদি পার হওয়ার চেষ্টা করে, বিপ্লবী গার্ড ও নৌবাহিনীর যোদ্ধারা সেই জাহাজগুলোকে আগুনে পুড়িয়ে দেবে।”

    হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, যার সবচেয়ে সরু অংশ মাত্র ২১ মাইল প্রশস্ত। এই পথ দিয়ে বিশ্বে প্রতিদিন ব্যবহৃত মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়।

    আজারবাইজানের মাধ্যমে গোপন কার্যক্রম:

    জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েল “আজারবাইজানের মাধ্যমে ইরান ও অঞ্চলের বিরুদ্ধে তাদের গোপন কার্যক্রম পরিচালনা করছে,” এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা বেড়েছে।

    ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ‘স্টপ ফুয়েলিং গণহত্যা’ নামের একটি প্রচারণা দল প্রমাণ প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায় তুরস্কের জেইহান বন্দর থেকে ট্যাংকারে করে অপরিশোধিত তেল ইসরায়েলের আশকেলনের কাছে একটি পাইপলাইনে পাঠানো হয়েছে।

    এই বন্দরটি বাকু-তিবিলিসি-জেইহান পাইপলাইনের শেষ প্রান্ত, যেখান থেকে তেল তুরস্কের হেইদার আলিয়েভ টার্মিনাল থেকে ইসরায়েলে পাঠানো হয়।

    গবেষকেরা জেইহান ও আশকেলনের মধ্যে ট্যাংকার চলাচলের তথ্য অনুসরণ করেছেন, যার অনেকগুলোই ২০২৪ সালের মে মাসে তুরস্ক ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করার পরেও ঘটেছে।

    ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে প্যালেস্টিনিয়ান ইয়ুথ মুভমেন্ট এবং নো হারবার ফর জেনোসাইড-এর গবেষকেরা বাণিজ্যিক তথ্য ও ট্র্যাকিং ডেটা ব্যবহার করে জানান, ট্যাংকারগুলো এখনও জেইহানে ভিড়ে অপরিশোধিত তেল বোঝাই করছে।

    ‘এনার্জি এমবার্গো ফর প্যালেস্টাইন’ শীর্ষক এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, এই পাইপলাইন থেকে আসা অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমানের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    এদিকে, সোমবার ইরানের ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের সৌদি আরামকো-এর রাস তানুরা তেল শোধনাগারে “সীমিত আগুন” লাগে।

    ইরানের হামলার পর সৌদি আরব তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগার বন্ধ করে দেয় এবং কাতার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন স্থগিত করায় ইউরোপে গ্যাসের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে বোমা হামলা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, “বড় ঢেউ” এখনও আসা বাকি।

    প্রতিক্রিয়ায় তেহরান অঞ্চলজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা ৭০০ ড্রোন ও শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৫০০টির বেশি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

    এই উত্তেজনার কারণে পারস্য উপসাগরে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য যুদ্ধঝুঁকি সংক্রান্ত বিমা কভারেজ বাতিল করে দিয়েছে বিমা সংস্থাগুলো।

    সুত্র: মিডল ইস্ট আই

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরানে নেতা নির্বাচন পরিষদ ভবনে হামলা

    মার্চ 4, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মাশহাদেই সমাহিত করা হবে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে

    মার্চ 4, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে এআইচালিত হামলা: সিদ্ধান্তের গতি চিন্তার চেয়েও দ্রুত

    মার্চ 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.