Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মার্চ 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তৃতীয় সপ্তাহে ইরান যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে আড়াই হাজার মেরিন সেনা
    আন্তর্জাতিক

    তৃতীয় সপ্তাহে ইরান যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে আড়াই হাজার মেরিন সেনা

    এফ. আর. ইমরানমার্চ 14, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: ইউ.এস. নেভাল ইনস্টিটিউট
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী আড়াই হাজার মেরিন সেনা ও একটি উভচর আক্রমণকারী জাহাজকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার আদেশ দিয়েছে।

    শুক্রবার মার্কিন এক কর্মকর্তা নিউ ইয়র্কভিত্তিক এক বার্তা সংস্থাকে এ আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের দুই সপ্তাহের মাথায় অঞ্চলটিতে এত সেনা ও উভচর জাহাজ মোতায়েন সংঘাতের তীব্রতা বাড়ারই ইঙ্গিত দিয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

    মেরিন সেনা মোতায়েনের খবর আসার কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানান, তার বাহিনী ইরানের তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র খারক দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্য ‘গুঁড়িয়ে দিয়েছে’। হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খোলা না রাখলে এরপর খারকের তেল স্থাপনায়ও হামলা হবে, বলেছেন তিনি।

    আগের দিনই ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার সতর্ক করে বলেছিলেন, খারকের তেল স্থাপনায় কোনো হামলা হলে তার ‘প্রতিক্রিয়া হবে অন্য মাত্রার’।

    শুক্রবার ইরানিরা দেশজুড়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে আল-কুদস দিবস পালন করেছে। তেহরানের একটি চত্বরে ওই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে লাখো মানুষ উপস্থিত হয়। সমাবেশ চলাকালেই একটি বিকট বিস্ফোরণ পুরো চত্বর কাঁপিয়ে দেয়।

    এখন পর্যন্ত ওই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্যেই সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এমন বিপুল জমায়েত করা, এবং তার মধ্যেই ওই এলাকায় ইসরায়েলের হামলার হুমকিতে বোঝা যাচ্ছে উভয় পক্ষই মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই যুদ্ধ এরই মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিকে তুমুল অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে, সহসা পরিস্থিতির উন্নতি হবে—তার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।

    ইসরায়েল ও উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের মার্কিন স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। তারা হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কার্যত পুরোপুরি তাদের হাতে নিয়ে নিয়েছে, এবং তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজকে প্রণালিটি পাড়ি দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে না।

    ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অংশের আকাশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাজত্ব থাকলেও হরমুজের নিয়ন্ত্রণ তেহরানকে নানান সুবিধা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল এ পথ দিয়ে গন্তব্যে যায়।

    এদিকে লেবাননের মানবিক সঙ্কটও দিন দিন তীব্রতর হচ্ছে; ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ’র বিরুদ্ধে ইসরায়েলের দফায় দফায় হামলা এরই মধ্যে প্রায় ৮০০ বেসামরিকের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, ঘরবাড়ি ছাড়া হয়েছে সাড়ে ৮ লাখ মানুষ। এবারের আক্রমণ সহসা থামছে না বলে তেল আবিব হুঙ্কারও দিয়েছে।

    ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছেন, তার যখন মনে হবে, তখনই যুদ্ধ বন্ধ হবে। ইরানের শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাতের ব্যাপারেও এদিন তিনি তুলনামূলক সংযত মন্তব্য করেন।

    “যে লোকদের হাতে অস্ত্র নেই তাদের জন্য ক্ষমতায় যাওয়া কঠিন বলেই মনে হয় আমার,” ইরানের আধাসামরিক বাসিজ বাহিনীকে ইঙ্গিত করে এ কথা বলেন ট্রাম্প। গত বছরের শেষদিক থেকে ইরানে শুরু হওয়া ব্যাপক গণবিক্ষোভ দমনে এই বাসিজ-ই বড় ভূমিকা রেখেছে বলে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো দাবি করে আসছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন এক কর্মকর্তা নিউ ইয়র্কভিত্তিক এক বার্তা সংস্থাকে জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনী ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের কিছু সদস্য ও উভচর আক্রমণকারী জাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলিকে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে বলেছে।

    এই মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা পানি বা স্থলে যে কোনো জায়গায় অবতরণ করতে পারে। তারা বিভিন্ন দূতাবাসের নিরাপত্তা জোরদার, বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া ও দুর্যোগ মোকাবেলায়ও সিদ্ধহস্ত।

    এই আড়াই হাজার সেনা ও ইউএসএস ত্রিপোলি মোতায়েনের মানে এই নয় যে ইরানে স্থল অভিযান হতে যাচ্ছে বা আসন্ন, বলেছে ওই বার্তা সংস্থা।

    ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট এবং ইউএসএস ত্রিপোলি ও মেরিনদের বহন করা অন্যান্য উভচর আক্রমণকারী জাহাজ মূলত জাপানেই অবস্থান করে, তারা বেশ কয়েকদিন ধরে প্রশান্ত মহাসাগরে ছিল বলে সামরিক বাহিনীর দেওয়া ছবিতে দেখানো হয়েছে।

    বাণিজ্যিক উপগ্রহের ছবিতে ইউএসএস ত্রিপোলিকে দেখা গেছে তাইওয়ানের কাছে দেখা গেছে; সেখান থেকে ইরানের জলসীমায় আসতে নৌযানটির এক সপ্তাহের মতো সময় লাগতে পারে।

    বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ও ৮টি ডেস্ট্রয়ারসহ মার্কিন নৌবাহিনীর ১২টি জাহাজ এখন আরব সাগরে আছে। ত্রিপোলি এ বহরে যোগ দিলে তাদের শক্তি আরও অনেকখানে বাড়বে।

    মধ্যপ্রাচ্যে এখন কী পরিমাণ মার্কিন সেনা আছে তা জানা যায়নি। তবে ওই অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ মার্কিন বিমান ঘাঁটি আল-উদেইদে সাধারণত ৮ হাজারের মতো মার্কিন সেনা থাকে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ৬ মাসের শিশুসহ একই পরিবারের নিহত ৬

    মার্চ 14, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ‘ইরানে ট্রাম্পের অভ্যুত্থানের ডাক’—ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সেই ভুল স্মরণ করাচ্ছে

    মার্চ 14, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ খারগ দ্বীপ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

    মার্চ 14, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.