Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, এপ্রিল 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » যেখানেই প্রতারণা, সেখানেই ইউনূস
    মতামত

    যেখানেই প্রতারণা, সেখানেই ইউনূস

    এফ. আর. ইমরানএপ্রিল 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারিকৃত ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’-কে ‘সম্পূর্ণ বেআইনি ও অবৈধ’ বলে আখ্যায়িত করেছে সরকারি দল বিএনপি।

    দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল ও জাতীয় প্রতারণা। এ আদেশের কোনো আইনি বৈধতা নেই এবং এটি সূচনা থেকেই অবৈধ।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের শাসনকালে রাজনীতি ধ্বংসের একটি চিত্র পাওয়া যায়।

    রাজনৈতিক সংস্কারের নামে ইউনূস সরকার দেশের জনগণের সঙ্গে যে প্রতারণা করেছে, তা এখন জাতীয় সংসদে আমরা দেখতে পাচ্ছি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য আর বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছিলেন ড. ইউনূস।

    অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতারণা আজ জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। আর্থিক খাতে সংস্কারের নামে তিনি দেশের অর্থনীতি রীতিমতো ধ্বংস করেছেন।

    বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে বেসরকারি খাত। ইউনূসের শাসনামলে বেসরকারি খাত ধ্বংসের ভয়াবহ তাণ্ডব চলে। হাজার হাজার কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায়। লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়।

    মব সন্ত্রাস করে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় শত শত কলকারখানা। অন্তর্বর্তী সরকার এসব মব বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেয়নি, বরং মব সন্ত্রাসকে উৎসাহিত করা হয়েছে। বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে আজগুবি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। ইউনূসের ছত্রছায়ায় চাঁদাবাজি বেসরকারি খাতে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। অনেক ব?্যবসায়ী মব সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজির ভয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দেন।

    ইউনূসের ঘনিষ্ঠ আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে ব?্যাংকিং খাতকে করা হয় বিনিয়োগবিমুখ। সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, উচ্চ সুদহার, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে দেড় বছরে দেশিবিদেশি বিনিয়োগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিনিয়োগ না বাড়ায় নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়নি। অর্থনীতিবিদদের মতে এটাই অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় প্রতারণা। বিতর্কিত ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নতুন পর্ষদ গঠন, ঋণ অনিয়ম বন্ধের উদ্যোগ এবং পাঁচটি দুর্বল ইসলামি ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের সিদ্ধান্ত অর্থনীতিতে লাভের চেয়ে ক্ষতি করে বেশি। একীভূত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা তাঁদের আমানতের টাকার জন্য এখন রাস্তায়। ইউনূস যখন ক্ষমতা নিয়েছিলেন তখন যে পরিমাণ খেলাপি ঋণ ছিল, তাঁর বিদায়ের সময় তার চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ।

    ইউনূসের আরেকটি প্রতারণা ছিল বেসরকারি খাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কথিত তদন্ত। কোন ভিত্তিতে ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল, তার কোনো ব্যাখ্যা নেই। তদন্তের নামে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে বেসরকারি খাতের ইমেজ নষ্টের চেষ্টা করে ইউনূস সরকার। এটাও ছিল জাতির সঙ্গে প্রতারণা।

    এতদিন পর্যন্ত আমরা ইউনূস সরকারের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতারণার কথা শুনেছি। কিন্তু এখন ধীরে ধীরে সব ক্ষেত্রে তাঁর প্রতারণার চিত্র পরিষ্কার হচ্ছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর যেখানেই সমস্যা আর বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে, সেখানেই ইউনূসের প্রতারণার চিত্র ফুটে উঠছে। সারা দেশে ‘হাম’ নিয়ে চলছে ভয়াবহ স্বাস্থ্যসংকট। হামের টিকা দেওয়া বন্ধ করা হয় ইউনূস সরকারের আমলে। সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির হিসাব অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১২ মাস বয়সি শিশুদের হামসহ নানান টিকাদানের হার ছিল সর্বনিম্ন ৮৯ এবং সর্বোচ্চ ১০৩ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে সর্বনিম্ন ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ ছিল ২০১৮ সালে। আর সর্বোচ্চ ছিল ২০২২ সালে ১০৩ দশমিক ৬ শতাংশ। কিন্তু ২০২৪ সালে টিকাদানের হার কমে যায়, নেমে আসে ৮৬ দশমিক ৬ শতাংশে। আর গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে এ হার অনেক কমে গিয়ে হয় ৫৯ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি চালু ছিল এবং টিকাদানের উচ্চহার বজায় ছিল অন্তত ২০২৩ সাল পর্যন্ত। ইউনূসঘনিষ্ঠ নূরজাহান বেগম স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার পর একের পর এক ভুল পদক্ষেপের কারণে দেশের স্বাস্থ্য খাত আজ প্রতারিত।

    অন্তর্বর্তী সরকার বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য ঢাকায় বিদেশি বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করেছিল। তাতে বেশ কিছু বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেলেও কার্যত কোনো বিনিয়োগ আসেনি। তবে বিদেশিদের কাছে কাজ হস্তান্তর করার ক্ষেত্রে মনোযোগ ছিল পুরোটা সময়। বিশেষজ্ঞদের মত উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। যদিও শেষ মুহূর্তে পিছু হটে ডিপি ওয়ার্ল্ড। সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ধর্মঘট ডাকতে বাধ্য হন শ্রমিক-কর্মচারীরা। সরকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

    গত ১৭ নভেম্বর চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে ড্যানিশ কোম্পানি এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চুক্তি করে সরকার। একই দিন পানগাঁওয়ের নৌ টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে চুক্তি হয় সুইজারল্যান্ডের কোম্পানি মেডলগের সঙ্গে। এসব চুক্তি নিয়ে মিথ্যাচার ও প্রতারণা করে ইউনূস সরকার।

    শেষ সময়ে বিদেশিদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি এবং চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করা হয় গোটা জাতিকে অন্ধকারে রেখে। চীনের সঙ্গে ড্রোন কারখানা স্থাপনের জিটুজি চুক্তি, পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার এবং চীন থেকে জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান ক্রয়, ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম থেকে ইউরোফাইটার টাইফুন ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন ক্রয়, তুরস্ক থেকে টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার সংগ্রহ এবং জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে বেশ সমালোচনা আছে সব মহলে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত এই সরকারের আমলে নেওয়া হয়।

    বিদায়ের আগে তড়িঘড়ি করে বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদন ছিল ইউনূস সরকারের আরেকটি প্রতারণা। জানুয়ারি মাসে তড়িঘড়ি করে ১ লাখ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ের ৬৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকার ৪০টি প্রকল্পই সম্পূর্ণ নতুন। দেড় বছর মেয়াদে এ সরকার ১৩৫টি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। ১৮ মাসে ২ লাখ কোটি টাকার ১৩৫টি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, এর মধ্যে ৩৮ শতাংশ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে ইউনূসের নিজের জেলা চট্টগ্রামে। অথচ ২১টি জেলার জন্য কোনো উন্নয়ন প্রকল্পই নেওয়া হয়নি। শুধু ড. ইউনূস নন, অন্য উপদেষ্টাদের বিশেষ করে ছাত্র উপদেষ্টাদের জেলাতেও বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে।

    বিদায়ের আগ পর্যন্ত সেই আইনশৃঙ্খলার একটুও উন্নতি হয়নি, বরং দিনে দিনে অবনতিই হয়েছে। ইউনূস সরকারের দেড় বছরে দেশে কয়েক হাজার মবের ঘটনা ঘটেছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, অন্তত ৩০০ মানুষ শুধু মব সহিংসতায় মারা গেছে। ২০২৪ সালের চেয়ে ২০২৫ সালে মবে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। শুধু ২০২৫ সালে ঢাকা শহরে ৬৪৩টি বেওয়ারিশ লাশ উদ্ধার হয়েছে এবং রাজধানীর বিভিন্ন কবরস্থানে দাফন ও সৎকার করা হয়েছে। নদনদীগুলো অপরাধীদের ‘ডাম্পিং স্টেশন’ হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালে প্রতিদিন শুধু নদী থেকে ৪৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কতজনের মৃতদেহ তলিয়ে গেছে বা ভেসে গেছে তা অজানা। দিনে দুপুরে ডাকাতি, চুরি, মারধর এসব ছিল নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা। অথচ ড. ইউনূস ক্ষমতা নিয়ে বলেছিলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে।’ এটাও ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের আরেকটি সীমাহীন প্রতারণা।

    ক্ষমতা নেওয়ার শুরুতে মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলেও, বাস্তবে তাঁর করা কোনো গোল আমরা উদ্?যাপন করতে পারিনি। পাকিস্তান ছাড়া আর কোনো দেশের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য নেই। বলেছিলেন, ‘রোহিঙ্গারা এ বছরের রোজার ঈদ করবেন মিয়ানমারে।’ কার্যত সেটা যে হচ্ছে না, তা না বললেও চলে। উল্টো এর মধ্যে অন্তত লাখ দুয়েক রোহিঙ্গা নতুন করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। ৭০ হাজার সৌদিপ্রবাসী রোহিঙ্গা বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাচ্ছে। আরাকান আর্মির গুলিতে আমাদের এক মেয়ের মাথার খুলি উড়ে গেছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকলেও আমদানিনির্ভরতা কমাতে পারেননি, বরং কথার বাণে সম্পর্কটাকে বিষিয়ে তুলেছেন। এ দেড় বছরে একটি দেশেরও ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে ঢাকায় সরিয়ে আনতে পারেননি, ফলে বিদেশে পড়তে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। যেসব দেশে ভিসা ছাড়া বাংলাদেশের নাগরিকরা প্রবেশ করতে পারতেন, সেসব দেশের অধিকাংশই ভিসা ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে, বাকি অধিকাংশ দেশ ভিসা দেওয়ার হার কমিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তো রীতিমতো ভিসার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টের মান ইয়েমেন, আফগানিস্তান বা ফিলিস্তিন লেভেলে নেমে গেছে। দেড় বছরে ১৪ বার এবং প্রথম ১২ মাসে ১১ বার বিদেশ সফর করলেও ‘ইউনূস ম্যাজিক’ কার্যত ফেল করেছে। কূটনীতির নামেও এটা ছিল জাতির সঙ্গে প্রতারণা।

    গ্রামীণ ব্যাংকের সফলতা থেকে নোবেল পুরস্কার, মুহাম্মদ ইউনূসের উত্থানের পেছনে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে নারী। কিন্তু তাঁর শাসনকালে নারীরা সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত সময় পার করেছে। জনপরিসরে নারীদের বিপদ আগের তুলনায় বেড়েছে, পোশাক নিয়ে ভীতি সৃষ্টি করা হয়েছে, এসব করেছে সমাজের উগ্রপন্থিরা; এই শ্রেণির ব্যাপক উত্থান হয়েছে এই সময়ে; কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ক্রমে বিভক্ত হতে থাকা দেশটাকে একত্র করে ইউনূসের সামনে জাতীয় হিরো বনে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল। বহু বছর পরে আসা এ সুযোগ কাজে না লাগিয়ে পরিষ্কারভাবে দেশটাকে তিন ভাগে ভাগ করে ফেলেছেন তিনি। ‘ডেভিল হান্ট’ নামে দুই দফা অপারেশন চালিয়ে তৃণমূলের অন্তত ৫ লাখ মানুষকে জেলে ভরে রেখেছেন। জামিন পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। জাতিসংঘ এসবকে মানবতাবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছে। জুলাইয়ে রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস চেয়েছিল দেশের মানুষ। কিন্তু ইউনূস সরকারের গত দেড় বছরে একটি বিশ্ববিদ্যালয়েও নিরপেক্ষ ভিসি নিয়োগ হয়নি। শিক্ষায় কোনো গতি আসেনি। ছেলেমেয়েদের ক্লাসরুমে ফেরানো যায়নি। সারা দেশে ছাত্রদের হাতে শিক্ষকরা নিগৃহীত হয়েছেন। বছরের অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীরা নতুন বই পায়নি। বইয়ের মান ও নিম্নমানের কাগজে বই ছাপানো নিয়ে দুর্নীতির কথা আর না বলি! সংবাদমাধ্যম যথেষ্ট স্বাধীনতা ভোগ করেছে বলা হলেও ইউনূস সরকারের দেড় বছরের তথ্য-উপাত্ত সেটি বলছে না। প্রায় সব মিডিয়ায় নিজেদের পছন্দের মানুষ বসানো হয়েছে এ সময়ে। ৩০ জন সাংবাদিক এখনো জেলে। ৫২টি মিডিয়ায় নিজেদের পছন্দমতো লোক বসিয়েছে সরকার। হামলা চালিয়ে সেসব মিডিয়া দখলের ঘটনাও ঘটেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, ডেইলি সান কার্যালয়ে হামলা এবং ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো পুড়িয়ে দেওয়ার দায় এবং সে সময় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা মুহাম্মদ ইউনূসকে আজীবন পিছু তাড়া করবে।

    গত দেড় বছরে মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে অপমানিত হতে হয়েছে, গলায় জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানো হয়েছে, নানান জায়গায় মার খেতে হয়েছে, দফায় দফায় ৩২ নম্বরের বাড়িটি ভাঙা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুকে যতভাবে নিগৃহীত করা হয়েছে গত ৫৪ বছরে এমনটা আর ঘটেনি।

    ইউনূস সরকার খেলাধুলা নিয়েও জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার আরেকটি অধ্যায়। বিগত ১৮ মাস বাংলাদেশের জনগণ শুধুই প্রতারিত হয়েছে। ধন্যবাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই প্রতারণার কথা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করার জন্য।

    • লেখক—অদিতি করিম। সূত্র: কালের কণ্ঠ
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    ইউনূস গণতন্ত্র শেখাতে ও রাষ্ট্র সংস্কার করতে এসেছিলেন, শুনলেই হাসি পায়

    এপ্রিল 3, 2026
    বাংলাদেশ

    সিঙ্গাপুর থেকে ডিজেলভর্তি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে

    এপ্রিল 3, 2026
    বাংলাদেশ

    জ্বালানি সংকটে অফিস ৯টা–৪টা, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই বন্ধ মার্কেট

    এপ্রিল 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.