Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, এপ্রিল 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কীভাবে ব্যাংকার, আমলা এবং নীরব দর্শকেরা গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যাকে টিকিয়ে রাখে?
    মতামত

    কীভাবে ব্যাংকার, আমলা এবং নীরব দর্শকেরা গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যাকে টিকিয়ে রাখে?

    এফ. আর. ইমরানএপ্রিল 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই ব্যক্তির জন্য ফিলিস্তিনিরা শোক প্রকাশ করছেন (তারিক মোহাম্মদ/এপিএ ইমেজেস, রয়টার্সের সৌজন্যে)
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    তুলনামূলকভাবে বলতে গেলে, গণহত্যার ‘আধুনিক’ রূপে মানুষ অনুপস্থিত থাকে এবং কেবল ভুক্তভোগীরাই দৃশ্যমান হয়। গণহত্যার এই বিবর্তিত রূপটি এর অপরাধী এবং এতে জড়িতদের আড়াল করে রাখে।

    এটি নীতি, পদ্ধতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ যান্ত্রিক, প্রযুক্তিগত ও ডিজিটাল যুদ্ধের উপকরণের মাধ্যমে পরিচালিত হয়; যা অতীতের নৃশংসতা থেকে ভিন্ন, যখন হত্যা ও সন্ত্রাসের সরঞ্জামধারীরা সরাসরি উপস্থিত হয়ে চিৎকার করতে করতে ভুক্তভোগীদের শিরশ্ছেদ করত বা বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিত।

    উদাহরণস্বরূপ, ইসরায়েলি দখলদার সৈন্যরা যুদ্ধবিমান ও ট্যাংকের ভেতর থেকে গাজা উপত্যকার বেসামরিক এলাকাগুলোতে বোমাবর্ষণ চালিয়েছে, অন্যদিকে ড্রোন চালকেরা দূরবর্তী সামরিক ঘাঁটির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অবস্থান করে, অথবা তাদের দখল করা ফিলিস্তিনি বাড়িগুলোতে ঘাঁটি গেড়ে থাকে।

    এই প্রায় অদৃশ্য কর্মকর্তা ও সৈন্যদের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকে নেতা, কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক ও কার্যপদ্ধতি বাস্তবায়নকারী, সেইসাথে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সফটওয়্যারের নির্মাতারা এবং তাদের পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক গণহত্যার সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পৃষ্ঠপোষক ও প্রচারকেরা, যারা প্রায়শই নম্র ও সম্ভ্রান্ত বেশে আবির্ভূত হয়, কখনও কখনও রেশমি টাইও পরে থাকে।

    সবচেয়ে জটিল কাজগুলোর মধ্যে একটি হলো আধুনিক গণহত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করা, যেমনটি ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে গাজা উপত্যকায় সংঘটিত হয়েছিল। এক্ষেত্রে জড়িতদের ভূমিকা বহুস্তরীয় ও জটিল বলে মনে হয়, যার মধ্যে অনেকগুলিই পরোক্ষ বা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান নয়।

    তথাপি এই অসুবিধা প্রকাশ্য ও গোপন উভয় প্রকার দায়িত্ব খতিয়ে দেখতে ব্যর্থ হওয়ার কোনো ন্যায্যতা দেয় না।

    আধুনিক, বিবর্তিত গণহত্যার অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য, কিংবা এটিকে প্রতিরোধ করার এবং যেখানে সম্ভব এর পূর্বসূরিগুলোকে প্রতিহত করার প্রচেষ্টায় এমনটা করা একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা হিসেবেই থেকে যায়।

    লুকানো অপরাধীরা

    আধুনিক গণহত্যা একটি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে, যার মধ্যে বহুবিধ দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকে, যার কিছু অদৃশ্য বা মৌলিকভাবে অপ্রত্যাশিত। উদাহরণস্বরূপ, গণহত্যা ও জাতিগত নির্মূলের কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার তৈরিতে কোনো এক বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা কেন্দ্রের সম্পৃক্ততাও এর অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

    এর মধ্যে সার্বভৌম সম্পদ তহবিল বা সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান থেকে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব ও তার সংঘটিত যুদ্ধাপরাধকে সমর্থনকারী সামরিক শিল্পে তহবিল বরাদ্দও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

    এইসব বাস্তবতা বিবেকবান মানুষকে তাড়া করে বেড়াতে পারে, যখন তারা নৃশংসতা সংঘটনকারী একটি ব্যবস্থায় নিজেদের অপ্রত্যাশিত সম্পৃক্ততা আবিষ্কার করেন; এমনকি যদি তারা ব্যক্তিগতভাবে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরের একটি আবাসিক এলাকা গুঁড়িয়ে দেওয়া বিশাল বিস্ফোরক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপকারী বোতামটি নাও টিপে থাকেন।

    ক্লদ ইথারলি কিছু ব্যক্তিকে পীড়িত করা বিবেকের যন্ত্রণার একটি প্রাথমিক উদাহরণ তুলে ধরেন।

    হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা ফেলার প্রস্তুতিতে সাহায্য করার মাধ্যমে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাইলট আধুনিক যুগের অন্যতম ভয়াবহ নৃশংসতায় নিজের সম্পৃক্ততা উপলব্ধি করেন।

    ইথারলি নিজে বোমাটি ফেলেননি। বিধ্বংসী হামলাটির আগে হিরোশিমার ওপর দিয়ে আকাশপথে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ চালানোর মধ্যেই তার ভূমিকা সীমাবদ্ধ ছিল।

    তবুও তিনি নিজেকে জাপানি শহরটি নিশ্চিহ্ন করার কাজে একজন সহযোগী হিসেবে দেখতে শুরু করেন এবং এই অপরাধবোধ তাকে এতটাই তাড়া করে যে তিনি দুবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন।

    জটিলতার স্তর

    পশ্চিমা দেশগুলোতে গাজা উপত্যকায় গণহত্যার সময় ইসরায়েলি পক্ষকে সমর্থনকারী অন্যরাও চলমান নৃশংসতাকে টিকিয়ে রাখা কার্যক্রমে অংশ নিতে অস্বীকার করে সরকার, মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন এবং আইটি কোম্পানির মর্যাদাপূর্ণ পদ থেকে প্রকাশ্যে পদত্যাগ করেছেন।

    কেউ কেউ আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছিলেন এবং অপরাধে সহযোগিতা ত্যাগ করতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল পথ বেছে নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন তরুণ মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা অ্যারন বুশনেল, যিনি ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ ওয়াশিংটন ডিসি-তে ইসরায়েলি দূতাবাসের প্রবেশপথে পৌঁছে নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন এবং একটি লাইভস্ট্রিমে ঘোষণা করেন, “আমি আর গণহত্যায় সহযোগিতা করব না” এবং দেহ পোড়ার সময় “ফিলিস্তিনকে মুক্ত করো” বলে চিৎকার করতে থাকেন।

    ২৫ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা বলেছেন যে, গণহত্যায় লিপ্ত একটি সেনাবাহিনীকে সরাসরি মার্কিন সামরিক সমর্থন দেওয়ায় তিনি এমন একটি অপরাধে জড়িত হয়ে পড়েছেন, যা সারা বিশ্ব সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছে। তার এই কাজটি ছিল সেই সম্পৃক্ততার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ।

    গণহত্যায় জড়িতদের অপ্রত্যাশিত জায়গাতেও খোঁজা প্রয়োজন, যার মধ্যে রয়েছে সেইসব স্থান যেখানে প্রকাশ্য বা গোপনে একে সমর্থনকারীরা বাস করে—যেমন—যারা সামরিক, রসদ, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক বা প্রচারণামূলক সহায়তা প্রদানে জড়িত; যারা গণহত্যায় অংশগ্রহণকারী সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া নিজেদের নাগরিকদের জবাবদিহি করতে ব্যর্থ হয়, অথবা যারা কর্পোরেশন, কারখানা এবং স্বার্থান্বেষী মহলের পর্যায়ে এই গণহত্যা ব্যবস্থা থেকে লাভবান হয়।

    ১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টার ফ্রান্সেসকা আলবানিজ ২০২৫ সালের জুলাই মাসে একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এতে তিনি প্রধান মার্কিন ও ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানসহ ৬০টিরও বেশি কোম্পানিকে চিহ্নিত করেন, যেগুলো তার ভাষায় “গণহত্যার অর্থনীতি”-র সঙ্গে কথিতভাবে জড়িত।

    সম্ভাব্য সহযোগীদের তালিকা আরো দীর্ঘ, এতে অন্তর্ভুক্ত আছেন বেতনভোগী ভাষ্যকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা, যারা নৃশংসতাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং এমন সরল যুক্তি দিয়ে দর্শকদের প্রভাবিত করেন, যা হয়তো তারা নিজেরাও বিশ্বাস করেন না।

    নীরবতা এবং শক্তি

    এ কথাও মনে রাখতে হবে যে, যারা গণহত্যার জবাবে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হন, তারাও এটিকে সম্ভব করে তোলার ক্ষেত্রে একইভাবে সহযোগী হন, যখন তারা মুখ ফিরিয়ে নেন, এর নৃশংসতা সম্পর্কে নীরব থাকেন এবং গুরুতর প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকেন।

    তাদের নীরবতা গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরায়েলি নেতৃত্বের চাপিয়ে দেওয়া ভয়াবহতার পথ প্রশস্ত করার ক্ষেত্রে সহযোগী হয়ে উঠেছিল।

    এই প্রেক্ষাপটে, ‘নীরবতা হত্যা’—এই স্লোগানটি যথার্থ। সকলের চোখের সামনে ঘটে চলা একটি গণহত্যার মুখে যারা ন্যূনতম পদক্ষেপ নিতেও ব্যর্থ হয়, তারা সেইসব ব্যক্তির মতো, যারা কাছের কোনো জনবসতিপূর্ণ বাড়িতে আগুন লাগলে তা উপেক্ষা করে, সাড়া দেওয়ার বা এমনকি জরুরি পরিষেবা ডাকারও কোনো চেষ্টা করে না, বরং নিজেদের শখ পূরণে মগ্ন থাকে।

    এটা সর্বজনবিদিত যে, দুই বছর ধরে জনসমক্ষে নির্মমভাবে সংঘটিত গণহত্যার সময় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। ইউরোপীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সামান্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের ধারাবাহিক প্রচেষ্টাগুলোকে ব্যর্থ করে দিয়েছে এবং ইইউ-ইসরায়েল সহযোগিতা চুক্তির অধীনে ইসরায়েল যে বিশেষ সুবিধাগুলো ভোগ করে, তা প্রত্যাহারের প্রস্তাবগুলোকেও ভেস্তে দিয়েছে।

    এদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ইউরোপ রাশিয়ার ওপর হাজারো পদক্ষেপ সম্বলিত ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ অব্যাহত রেখেছে।

    যেহেতু নিষ্ক্রিয়তা বিরাজ করছিল, তাই ইউরোপীয় ও পশ্চিমা সরকারগুলোকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের বাধ্যবাধকতা থেকে রক্ষা করার জন্য অস্বীকার ও এড়িয়ে যাওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। এই পরিবেশে, ইসরায়েলি নেতৃত্বের মধ্যে এই ধারণা জন্মায় যে তারা জবাবদিহিতার সম্মুখীন না হয়েই নৃশংসতা চালিয়ে যেতে পারে।

    প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলো ছাড়া গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চালানো গণহত্যা দুই বছর ধরে চলতে পারত না।

    এদের মধ্যে রয়েছেন তারা, যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে একে সমর্থন, সহায়তা ও উৎসাহ জুগিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন তারা, যারা এর কার্যক্রমের বিভিন্ন দিকে অংশগ্রহণ করেছেন, যারা এর শিল্পে বিনিয়োগ করেছেন বা সংশ্লিষ্ট চুক্তি থেকে লাভবান হয়েছেন, এবং যারা একে থামানো বা এর বিরোধিতা করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছেন তারা, যারা এটিকে কেবল উপেক্ষা করে নীরব থেকেছেন, অথবা যারা এটিকে অস্বীকার করে গেছেন, এমনকি প্রথম থেকেই একে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এড়িয়ে গেছেন।

    একবিংশ শতাব্দীতে ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী ফিলিস্তিনি শরণার্থী অধ্যুষিত একটি ছোট ছিটমহলে দুই বছর ধরে সংঘটিত ভয়াবহ গণহত্যায় জড়িত থাকার সন্দেহ থেকে এদের কাউকেই অব্যাহতি দেওয়া যায় না।

    • হোসাম শাকার: একজন সাংবাদিক ও লেখক, যিনি ইউরোপে অভিবাসন বিষয়টি নিয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করেছেন। সূত্র: ‘মিডল ইস্ট আই’-এর ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যে কারণে ইরানের সামনে ব্যর্থ হচ্ছে আমেরিকা

    এপ্রিল 5, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানকে ভাঙার স্বপ্ন কি আবারও ভুল প্রমাণিত হচ্ছে?

    এপ্রিল 5, 2026
    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর বিষয়ে ওমান ও ইরানের মধ্যে চলছে আলোচনা

    এপ্রিল 5, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.