Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পুরোনো আইনে ফিরলে আস্থা ফিরবে না
    মতামত

    পুরোনো আইনে ফিরলে আস্থা ফিরবে না

    মনিরুজ্জামানএপ্রিল 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    মো. নূর খান
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ক অধ্যাদেশটি গুমের সংজ্ঞা নির্ধারণ, অপরাধ নিরসন এবং গুমের ঘটনায় যুক্তদের বিচারের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য তৈরি হয়েছিল। আইনটি পাস করা সময়োপযোগী ও জরুরি ছিল। তবে বর্তমানে এটি কার্যকারিতা হারাতে যাচ্ছে। অধ্যাদেশটি পাস না হলে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এটি অকার্যকর হয়ে যাবে। সরকার নতুনভাবে এই অধ্যাদেশ নিয়ে বিল উত্থাপন করার কথা বললেও এর গুরুত্ব কতটুকু হবে, তা অনিশ্চিত।

    বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার গুমের ভয়ঙ্কর পরিবেশ তৈরি করেছিল, যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ছিল বিএনপি। সে সময় বিএনপিও গুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করার সুযোগ এলেও তা কার্যকর হতে পারছে না। অধ্যাদেশের পরিমার্জিত রূপে এটি আইনে রূপান্তরিত হলে সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে আস্থা তৈরি হতো। কিন্তু এখন সেই সুযোগও ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে।

    একটি আইনে দুর্বলতা থাকলে প্রায় সব সময় কোনো না কোনো মহল সুবিধা পায়। এই অধ্যাদেশ আইন না হলে বা আইন হলেও দুর্বল থাকলে গুম ও অন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।

    মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে কিছু প্রত্যাশা ছিল। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে অতীতের কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার সুযোগ ছিল। যদিও অধ্যাদেশটি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে পুরোপুরি পর্যাপ্ত নয়, তবুও অনেকেই ধারণা করেছিলেন এটি পরিস্থিতি উন্নত করতে পারে। কিন্তু এখন সেটাও কার্যকর হবে না। সংসদ অধিবেশনের সময় সংযোজন ও সংশোধনের মাধ্যমে অধ্যাদেশটিকে কার্যকর অবস্থায় আনা সম্ভব ছিল। তা না হলে দেশ আবার পুরোনো আইনের দিকে ফিরে যাবে, যা মানুষের আস্থার অভাব ও স্বস্তি বিঘ্নিত করবে।

    নতুন অধ্যাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনের জন্য কাঠামো থাকলেও বাস্তবে স্বাধীন ও মুক্তভাবে কাজ করতে পারবে কি না তা অনিশ্চিত। অতীতের মতো সরকারের সরাসরি ও পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হবে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে কমিশনের কার্যকর ভূমিকা কতটা সম্ভব হবে, তা নিশ্চিত নয়। যদি নতুন বিলেও ঘাটতি থেকে যায়, কার্যত স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠন করা সম্ভব হবে না।

    • মো. নূর খান সদস্য, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    “অ্যাটর্নি অ্যাট লার্জের” দায়িত্ব গ্রহণের কঠিন যাত্রা

    এপ্রিল 6, 2026
    অর্থনীতি

    সংস্কার না হলে অনেক বেশি মূল্য দিতে হবে

    এপ্রিল 6, 2026
    অর্থনীতি

    সংস্কার থেকে পিছু হটলে বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে

    এপ্রিল 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.