Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, নভে. 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » আদমজী থেকে মিরপুর: শ্রমিক আন্দোলনে ‘বহিরাগত’ তত্ত্বের ৭২ বছর
    মতামত

    আদমজী থেকে মিরপুর: শ্রমিক আন্দোলনে ‘বহিরাগত’ তত্ত্বের ৭২ বছর

    মিজান মাজনুননভেম্বর 4, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে পুলিশ এক শ্রমিকদে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মজুরি ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে আন্দোলন শুরু হলেই প্রশ্ন ওঠে, আন্দোলনকারীরা প্রকৃত শ্রমিক কি না। এই সন্দেহের আড়ালে চাপা পড়ে যায় শ্রমিকের ন্যায্য দাবি, কর্মপরিবেশ ও রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা।

    পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন আবারও বাংলাদেশের শ্রমনীতি, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে পুরোনো প্রশ্ন সামনে এনেছে। শ্রমিকদের দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। অথচ আন্দোলনের কয়েক দিনের মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে বহিরাগত, রাজনৈতিক উসকানি ও নাশকতার অভিযোগ।

    পুলিশের দাবি, মজুরি আন্দোলনের মধ্যে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ঢুকে নাশকতা চালাচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকেও আন্দোলনে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশের কথা বলা হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে দেখা জরুরি। কিন্তু একই সঙ্গে একটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তরও জরুরি: কেউ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হলেই কি তার শ্রমিক পরিচয় বাতিল হয়ে যায়?

    শ্রমিকের রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে, সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে, এমনকি কোনো আন্দোলনে রাজনৈতিক পক্ষের অনুপ্রবেশও ঘটতে পারে। কিন্তু এসবের কোনোটিই শ্রমিকের মজুরি, জীবনযাত্রার ব্যয় কিংবা কর্মক্ষেত্রে ন্যায্য অধিকারকে অস্বীকার করার যুক্তি হতে পারে না।

    শ্রমিকের পরিচয় নির্ধারণ করবে কে?

    পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের বড় অংশই ঢাকার বাইরের জেলার মানুষ। জীবিকার সন্ধানে তাঁরা রাজধানী ও শিল্পাঞ্চলে এসেছেন। তাঁদের জন্মস্থানকে বহিরাগত পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হলে দেশের শ্রমবাজারের বাস্তবতাকেই অস্বীকার করা হয়।

    রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন।
    রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন। ছবি: সংগৃহীত

    একজন শ্রমিক কোথায় জন্মেছেন, সেটি তাঁর শ্রমিক পরিচয়ের নির্ধারক নয়। তিনি কোন কারখানায় কাজ করেন, তাঁর কর্মসংস্থান কী, শ্রমের বিনিময়ে কী পান এবং তাঁর অধিকার কীভাবে নিশ্চিত হচ্ছে, এসবই হওয়া উচিত পরিচয় নির্ধারণের প্রধান ভিত্তি।

    অবশ্যই আন্দোলনের মধ্যে নাশকতা, সহিংসতা কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে শ্রমিকদের ব্যবহার করার ঘটনা ঘটলে তা তদন্ত ও বিচারের আওতায় আসতে হবে। কিন্তু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা যায় না। প্রমাণ, নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়াই হওয়া উচিত সিদ্ধান্তের ভিত্তি।

    শ্রমিকের দাবি ন্যায্য কি না, তা নির্ধারণ হবে তাঁর মজুরি, জীবনযাত্রার ব্যয় ও শ্রমের অধিকার দিয়ে। জন্মস্থান, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা আন্দোলনের পেছনে কারা আছে- এসব প্রশ্ন তদন্তের বিষয় হতে পারে, কিন্তু শ্রমিকের অধিকার অস্বীকারের অজুহাত নয়।

    এখানেই রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলতার প্রশ্ন। আন্দোলনের মধ্যে অপরাধ ঘটলে অপরাধীকে শনাক্ত করা রাষ্ট্রের কাজ। কিন্তু অপরাধের অভিযোগকে ব্যবহার করে শ্রমিকদের সম্মিলিত দাবিকে সন্দেহের মধ্যে ফেলে দেওয়া রাষ্ট্রের কাজ হতে পারে না।

    ইতিহাসের দীর্ঘ ছায়া

    বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এই প্রবণতা নতুন নয়। ১৯৫৪ সালে কর্ণফুলী কাগজকল ও আদমজী পাটকলের সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের পরিচয়, জাতিগত বিভাজন ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সামনে এসেছিল। শ্রমিকদের বিরোধকে শুধু জাতিগত সংঘাত হিসেবে দেখলে কারখানার ক্ষমতা, বৈষম্য ও শ্রমিকদের ওপর কর্তৃত্বের প্রশ্ন আড়ালে থেকে যায়।

    স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পে শ্রমিকদের অধিকার ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পায়। রাষ্ট্র শ্রমিককে উৎপাদনের অংশীদার হিসেবে দেখলেও শ্রমিকের স্বাধীন সংগঠন ও দরকষাকষির অধিকার বারবার সংকুচিত হয়েছে।

    পরবর্তী সময়ে বেসরকারীকরণ, শ্রমিক ছাঁটাই, কারখানা বন্ধ ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিস্তার শ্রমিক সংগঠনগুলোকে আরও দুর্বল করেছে। আদমজী পাটকলের মতো বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে শুধু চাকরি হারানোর ঘটনা ঘটেনি, হারিয়ে গেছে শ্রমিকদের আবাসন, সামাজিক নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক জীবনের একটি বড় অংশ।

    পোশাকশিল্পে সেই সামাজিক নিরাপত্তার কাঠামো কখনোই যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠেনি। শ্রমিকদের একটি বড় অংশকে কর্মস্থলের আশপাশে ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। মজুরি বাড়লেও বাড়িভাড়া, খাদ্য, চিকিৎসা ও যাতায়াতের ব্যয় তাঁদের জীবনকে অনিশ্চিত করে রাখে।

    ২০১৭ সালে মর্মান্তিক ঘটনাটির ১০৬তম বার্ষিকী স্মরণে ট্রায়াঙ্গেল শার্টওয়েস্ট ফ্যাক্টরির অগ্নিকাণ্ডে নিহত এক ব্যক্তির নাম ও বয়স লেখা একটি শার্ট। ছবি: গেটি ইমেজেস

    আন্দোলন হলেই উসকানির অভিযোগ

    ২০০৬ সালের পোশাকশ্রমিক আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০১০, ২০১৩, ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের বিভিন্ন শ্রমিক অসন্তোষে একটি পরিচিত ভাষ্য বারবার ফিরে এসেছে। কখনো বিদেশি ষড়যন্ত্র, কখনো রাজনৈতিক উসকানি, কখনো বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ, আবার কখনো আন্দোলনকারীদের প্রকৃত শ্রমিক না হওয়ার অভিযোগ।

    সরকার বদলেছে, মালিকানা বদলেছে, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ব বদলেছে। কিন্তু শ্রমিক আন্দোলনের প্রতি সন্দেহের দৃষ্টিভঙ্গি খুব বেশি বদলায়নি।

    এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈপরীত্য রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। তাঁদের শ্রম দেশের রপ্তানি আয়, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি। অথচ সেই শ্রমিকরাই যখন নিজেদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানান, তখন তাঁদের দাবির চেয়ে আন্দোলনের পেছনে কারা আছে, সেই প্রশ্ন বেশি গুরুত্ব পায়।

    শ্রমিকের দাবি যাচাই করার আগে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় যাচাইয়ের প্রবণতা শ্রমিক অধিকারকে দুর্বল করে। এর ফলে প্রকৃত অসন্তোষের কারণগুলো সমাধান না হয়ে আরও গভীরে জমা হয়।

    মজুরি বোর্ড আছে, কার্যকর দরকষাকষি কোথায়?

    শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের জন্য আইন, মজুরি বোর্ড ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু এসব ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

    মজুরি পর্যালোচনার নির্ধারিত সময়, শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব, মালিকপক্ষের প্রভাব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বচ্ছতা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক রয়েছে। শ্রমিকদের দাবি যখন প্রাতিষ্ঠানিক পথে সমাধান হয় না, তখন তাঁরা রাস্তায় নামেন।

    এটি অবশ্যই গ্রহণযোগ্য নয় যে যেকোনো দাবির জন্য সড়ক অবরোধ কিংবা সহিংসতার আশ্রয় নিতে হবে। কিন্তু একই সঙ্গে এটিও অস্বীকার করা যায় না যে কার্যকর আলোচনার পথ বন্ধ হলে আন্দোলনই অনেক শ্রমিকের শেষ অবলম্বন হয়ে ওঠে।

    শ্রম আদালতে মামলার দীর্ঘসূত্রতা, সংগঠনের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব এবং শ্রমিক প্রতিনিধিত্বের সীমাবদ্ধতা তাঁদের ন্যায্য দাবি আদায়ের পথকে আরও কঠিন করে তোলে।

    গার্মেন্টস খাতের নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন | শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা  (বাসস)

    মজুরি বোর্ডে শ্রমিক প্রতিনিধি থাকলেই শ্রমিকের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয় না। যাঁরা কারখানায় কাজ করেন, যাঁরা মজুরি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা ও বক্তব্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, সেটিই আসল প্রশ্ন।

    রাজনৈতিক শ্রমিক সংগঠন ও প্রতিনিধিত্বের সংকট

    বাংলাদেশে শ্রমিক সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাবের বাইরে থাকতে পারেনি। ক্ষমতাসীন দলের শ্রমিক সংগঠন প্রায়ই শিল্পাঞ্চলে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সংগঠনের নেতৃত্ব ও কারখানার অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্যও বদলে যায়।

    এতে শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকের অধিকার রক্ষার পরিবর্তে রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে পড়ে।

    শ্রমিকের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে সংগঠনের গণতান্ত্রিক কাঠামো, নির্বাচিত নেতৃত্ব, আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

    একই সঙ্গে মালিকপক্ষ ও সরকারের প্রভাবমুক্ত শ্রমিক সংগঠন গড়ে তোলার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকারকে রাজনৈতিক আনুগত্যের শর্তে আবদ্ধ করা হলে শ্রমিক আন্দোলনের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    রাষ্ট্রের দায়িত্ব দমন নয়, সমাধান

    শ্রমিক আন্দোলনে সহিংসতা বা নাশকতা ঘটলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু সেই ব্যবস্থা যেন নির্দিষ্ট অপরাধীর বিরুদ্ধে হয়, শ্রমিকদের সম্মিলিত দাবির বিরুদ্ধে নয়।

    অজ্ঞাতপরিচয় বিপুলসংখ্যক মানুষকে মামলার আসামি করা, অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ না করা কিংবা গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রমাণ সামনে না আনা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে।

    রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে কঠোর অবস্থানে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

    রাষ্ট্রের কাছে ভিডিও, অডিও কিংবা অন্য কোনো তথ্য থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা উচিত। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। কিন্তু অভিযোগের আড়ালে শ্রমিকদের ভয় দেখানো কিংবা তাঁদের ন্যায্য দাবি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

    শ্রমিকের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি শিল্পের উৎপাদন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাও জরুরি। এই দুইয়ের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করাই সরকারের দায়িত্ব।

    শ্রমিককে সন্দেহ নয়, নাগরিক হিসেবে দেখতে হবে

    বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস একটি বিষয় স্পষ্ট করে: শ্রমিকের দাবি যখন উপেক্ষিত হয়, তখন অসন্তোষ ফিরে আসে। কখনো মজুরি নিয়ে, কখনো চাকরির নিরাপত্তা নিয়ে, কখনো সংগঠনের অধিকার নিয়ে।

    শ্রমিকের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে এই অসন্তোষ দূর করা সম্ভব নয়। বরং শ্রমিকের জীবনযাত্রার ব্যয়, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, আবাসন ও সামাজিক নিরাপত্তার প্রশ্নগুলো সমাধান করতে হবে।

    একজন শ্রমিকের রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে, তাঁর জন্মস্থান অন্য জেলা হতে পারে, তিনি কোনো সংগঠনের সদস্যও হতে পারেন। কিন্তু এসব পরিচয়ের ঊর্ধ্বে তিনি একজন শ্রমজীবী নাগরিক, যাঁর অধিকার রাষ্ট্রের কাছে স্বীকৃত।

    রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন। ছবি: সংগৃহীত

    ১৯৫৪ সালের আদমজী থেকে ২০২৬ সালের মিরপুর পর্যন্ত শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে প্রশ্নটি বারবার ফিরে এসেছে—কে প্রকৃত শ্রমিক, কে বহিরাগত?

    সময়ের সঙ্গে প্রশ্নের ভাষা বদলেছে, কিন্তু সন্দেহের প্রবণতা থেকে গেছে। এখন প্রয়োজন সেই পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসা।

    শ্রমিকের দাবি ন্যায্য কি না, তা নির্ধারণ হবে তাঁর মজুরি, জীবনযাত্রার ব্যয় ও শ্রমের অধিকার দিয়ে। জন্মস্থান, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা আন্দোলনের পেছনে কারা আছে- এসব প্রশ্ন তদন্তের বিষয় হতে পারে, কিন্তু শ্রমিকের অধিকার অস্বীকারের অজুহাত নয়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    ৪ বছরের ‘পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’- ৯ বছরে, ব্যয় বাড়ছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা

    নভেম্বর 4, 2026
    আন্তর্জাতিক

    কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাম্প কি ‘লেম ডাক’ প্রেসিডেন্টে পরিণত হচ্ছেন?

    নভেম্বর 4, 2026
    বাংলাদেশ

    শাহজালালে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার হতে মেনজিসের ১ কোটি ২০ লাখ ডলারের প্রস্তাব

    নভেম্বর 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.