Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তিন দশকের অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশীয় ব্যাংকিং খাতে নতুন গতি আনতে চাই
    মতামত

    তিন দশকের অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশীয় ব্যাংকিং খাতে নতুন গতি আনতে চাই

    মনিরুজ্জামানমার্চ 11, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বেসরকারি খাতের ব্যাংকিং অঙ্গনে নতুন নেতৃত্বে এসেছে মুহিত রহমান। সম্প্রতি তিনি ওয়ান ব্যাংক পিএলসি–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। দীর্ঘ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন দায়িত্বে যোগ দিয়ে ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দেশের ব্যাংক খাতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন।

    দুই দশকের বেশি সময় তিনি কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক–এ। এর আগে ১৯৯৫ সালে আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক–এ যোগদানের মধ্য দিয়ে তার পেশাজীবনের সূচনা হয়। দীর্ঘ সময় বহুজাতিক ব্যাংকে কাজ করার অভিজ্ঞতা এখন কাজে লাগাতে চান দেশীয় ব্যাংকিং খাতে।

    সম্প্রতি দেশের ব্যাংকিং খাত নানা ধরনের চাপ ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় নতুন দায়িত্ব নিয়ে কীভাবে এগোতে চান, ওয়ান ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী এবং সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের সামনে কী ধরনের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে—এসব বিষয় নিয়েই তিনি বিস্তারিত কথা বলেছেন।

    ব্যাংকের বর্তমান অবস্থান শক্তিশালী করা, সেবা উন্নত করা এবং গ্রাহক আস্থা বাড়ানোর বিষয়গুলোকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন। একই সঙ্গে পরিবর্তিত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ব্যাংকিং খাতকে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামুখী করে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন।

    তিন দশক বিদেশী ব্যাংকে কাজ করার পর এখন ওয়ান ব্যাংকের দায়িত্ব নিয়েছেন। ব্যাংকটিকে কেমন দেখছেন?

    ওয়ান ব্যাংক পিএলসিতে যোগ দেয়ার মাত্র তিন মাস পার হয়েছে। এ সংক্ষিপ্ত সময়ে আমার দারুণ কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে। ওয়ান ব্যাংকের শক্তির জায়গা হলো করপোরেট ব্যাংকিং এবং বিস্তৃত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। প্রায় তিন হাজার কর্মী বাহিনী নিয়ে ওয়ান ব্যাংক বিগত ২৭ বছর ধরে গ্রাহকসেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৩০ বছর বিদেশী ব্যাংকে কাজ করার ফলে স্থানীয় ও বৈশ্বিক ব্যাংকের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক ও অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। সে অভিজ্ঞতা থেকেই মনে হয়েছে, দেশের ব্যাংক খাত এখন যে রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সেখানে কাজ করলে আমি কিছু অবদান রাখতে পারব।

    ওয়ান ব্যাংকের দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে। দেশের অনেক বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের উত্থানে এ ব্যাংকের অবদান রয়েছে। এখন সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল উদ্ভাবন ও সংযোগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি রিটেল ব্যাংকিং ও এসএমই খাতেও আমাদের নজর বাড়ানোর ইচ্ছা আছে। রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, সেখানে ওয়ান ব্যাংকের আরো কাজ করার সুযোগ আছে বলে মনে করি। রফতানি খাতে ব্যাংকটি এরই মধ্যে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এখন ডিজিটাল সংযোগ বাড়িয়ে কীভাবে এটিকে আরো এগিয়ে নেয়া যায়, সেদিকেও আমরা কাজ করব। সব মিলিয়ে ওয়ান ব্যাংকের গতিপথ নিয়ে আমি যথেষ্ট আশাবাদী।

    বিদেশী ব্যাংকের তুলনায় দেশের ব্যাংকগুলো প্রযুক্তি ও অপারেশনাল দক্ষতায় কিছুটা পিছিয়ে আছে বলে মনে করা হয়। ওয়ান ব্যাংকের ক্ষেত্রে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

    বিদেশী ব্যাংকগুলো বৈশ্বিক কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়। সেদিক থেকে তাদের অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা থাকে। তবে আমি বলব, ওয়ান ব্যাংকেও প্রযুক্তিগত সংযোগ ভালো। একটি বিষয় দেখে আমি বেশ অভিভূত হয়েছি যে পাসপোর্ট বা ট্যাক্সের মতো সরকারের বিভিন্ন ফি জমা দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক জায়গায় ওয়ান ব্যাংকের নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি দেখেই বোঝা যায় যে এ ব্যাংকের নেটওয়ার্ক ও সংযোগ ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী। অবশ্যই সামনে আরো অটোমেশন আসবে। দেশের অনেক ব্যাংকিং কার্যক্রম ডিজিটাল হয়ে যাবে। ওয়ান ব্যাংকের যেহেতু এরই মধ্যে একটি ভিত্তি তৈরি হয়েছে, তাই ভবিষ্যতে আরো এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

    এ ব্যাংকের কর্মীদের দক্ষতা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

    আমার অভিজ্ঞতায় ওয়ান ব্যাংকের কর্মীরা অত্যন্ত কর্মঠ ও দায়িত্বশীল। দক্ষতা ও যোগ্যতার যেকোনো মানদণ্ডে তারা পরীক্ষিত। আমি যোগ দেয়ার পর একটি টাউন হল মিটিং করেছি, যেখানে ৪০০-৫০০ কর্মী ছিলেন। পরে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিয়ে আরেকটি স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ মিটিংও হয়েছে। সেখানে আমি দেখেছি, যদি আমরা সঠিক নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দিতে পারি, তাহলে এ কর্মীরাই ব্যাংকটিকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে পারবেন। ব্যাংকটিতে স্বল্প সময়ের অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, সবাই স্বতঃস্ফূর্ত ও নিয়মতান্ত্রিকতার মধ্যেই কাজ করছে।

    ওয়ান ব্যাংকের ঋণ, আমানত বা বৈদেশিক বাণিজ্যের পোর্টফোলিওর আকার কেমন?

    আমাদের আমানত ও ঋণ পোর্টফোলিওর ভারসাম্য ভালো। সামগ্রিক তারল্য পরিস্থিতিও সন্তোষজনক। সম্পদের গুণগত মানও গত বছরের তুলনায় উন্নত হয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিতে সংকট থাকলেও এ ব্যাংকের আমানত প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক। রফতানি খাতেও আমরা গত বছর পর্যন্ত ভালোই করেছি। তবে এখন ট্রেড ব্যাংকিংয়ে ডিজিটাল সংযোগ বাড়ানো জরুরি। অনেক কিছু এখন আর ম্যানুয়ালি করা সম্ভব নয়। আমার পরিকল্পনা হলো আগামী ১৮-২৪ মাসের মধ্যে ট্রেড অপারেশনে আরো বেশি অটোমেশন আনা। এতে আমদানি-রফতানি ব্যবসায় আরো উন্নতি সম্ভব হবে।

    দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ এখন বড় আলোচনার বিষয়। এ পরিস্থিতিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

    খেলাপি ঋণ নতুন সমস্যা নয়; অনেক আগে থেকেই ছিল। এখন বিষয়টি সামনে এসেছে। এক অর্থে এটি ভালো, কারণ সমস্যাটি স্বীকার না করলে সমাধানও সম্ভব নয়। আমার যেটা মনে হয়, দেশের ব্যাংকগুলোর ঋণ দেয়ার পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। বিশেষ করে জামানতনির্ভর ঋণ থেকে নগদ প্রবাহভিত্তিক ঋণ ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে। বিদেশী ব্যাংকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আগাম সতর্কবার্তা। অর্থাৎ, কোনো ব্যবসায় সমস্যা শুরু হলে আগেই তা শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হয়। এতে ব্যাংক ও গ্রাহক উভয়েরই ঝুঁকি কমে। এছাড়া সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে গভর্ন্যান্স আরো শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমানে ব্যাংক খাতে সংস্কার চলছে। এ সংস্কার অব্যাহত থাকলে দেশের ব্যাংক খাতে যথেষ্ট উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    আপনি যেমনটা বলছিলেন, দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় জমিনির্ভর জামানত বেশি। প্রায় ১২ লাখ কোটি টাকার ঋণের বিপরীতে প্রধান জামানত হচ্ছে জমি। কিন্তু বাস্তবতা হলো এখন সেই জমি বিক্রি করেও বড় অংকের ঋণ আদায় করা অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে সমাধান কোন পথে?

    আপনি যথার্থই বলেছেন। ব্যাংকাররা বাড়ি-জমিসহ স্থাবর সম্পদ জামানত রেখে এতদিন বেশি ঋণ দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, খেলাপি হওয়ার পর সেসব জামানতের সম্পত্তি বিক্রি করে ঋণ আদায় সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ জায়গা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। ঋণ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মূল বিষয় হওয়া উচিত নগদ প্রবাহ। অবশ্যই জমি বা অন্য কোলাটেরাল দেখতে হবে, কিন্তু সেটা হওয়া উচিত দ্বিতীয় বিবেচ্য বিষয়। প্রথমে দেখতে হবে ব্যবসার নগদ প্রবাহ কেমন।

    সামনের দিকে আমাদের দুটি বিষয়ে কাজ করতে হবে। প্রথমত, যেসব শিল্প বা প্রতিষ্ঠান কিছুটা সমস্যায় আছে, তাদের কীভাবে আবার ব্যবসার চক্রে ফিরিয়ে আনা যায় সেটা দেখতে হবে। সবকিছু বিক্রি করে দিলে তো চলবে না। দেশের অর্থনীতিকে তো এগিয়ে নিতে হবে। অনেক প্রতিষ্ঠান হয়তো চাপের মধ্যে আছে, তাদের আবার ব্যবসায় কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায়, সেটাও দেখতে হবে। দ্বিতীয় বিষয় হলো উইলফুল ডিফল্টার বা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি। এ ধরনের খেলাপি যারা আছে, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থঋণ আদালতসহ বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঋণ পুনরুদ্ধারের কাজ চালাতে হবে।

    খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনার জন্য অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। বিশ্বের অনেক দেশে এমন পরিস্থিতিতে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে যদি আমরা এটি করতে পারি, তাহলে তারা ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে এনপিএল কিনে নেবে এবং কীভাবে সেই ঋণ নিষ্পত্তি করা হবে, সে কাজও তারা করবে।

    অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা হচ্ছে, কিন্তু অগ্রগতি হচ্ছে না কেন?

    সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বৈঠকেও আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমার ধারণা, এখন আবার এটি নিয়ে কাজ শুরু করা যেতে পারে। গত দেড় বছরে ব্যাংক খাতে অনেক সংস্কারমূলক উদ্যোগ এগিয়েছে। বর্তমান সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এ বিষয়ে পরিষ্কার অবস্থানে আছে। তবে একটা বিষয় আমাদের মানতে হবে যে রাতারাতি সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়।

    বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি প্রায় তলানিতে, ৬ শতাংশের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য ব্যাংকগুলোর কী ধরনের উদ্যোগ নেয়া দরকার বলে মনে করেন?

    বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি অনেক কম, এটা সত্য। অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থানে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব এখনো আছে। নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। সেজন্য বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আবার অনেক খাতে বিনিয়োগের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সেগুলো স্থবির হয়ে আছে। সেগুলো যদি আবার সক্রিয় করা যায়, তাহলেও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। বাংলাদেশ খুবই রেজিলিয়েন্ট একটি দেশ। আমরা বিভিন্ন চাপের মধ্যেও এগিয়ে যেতে পারি। কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।

    এক্ষেত্রে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আপনাদের প্রত্যাশা কী?

    কয়েকটি বিষয়ে এরই মধ্যে আমরা কথা বলেছি। যেমন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেবা স্তরে কিছু চুক্তি থাকলে ভালো হয়। অনেক অনুমোদন প্রক্রিয়ার গতি কীভাবে বাড়ানো যায়, সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। একটি ‘বাংলাদেশ ডে’ করার বিষয়েও আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। ঢাকায় যদি একটি নির্দিষ্ট সময়ে দুই দিনের একটি সম্মিলন করা যায়, যেখানে বিদেশী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। অনেক বৈশ্বিক ব্যাংক এরই মধ্যে বাংলাদেশে এক্সপোজার নিয়েছে।

    তারা বিভিন্ন সময়ে এখানে আসে। যদি নির্দিষ্ট সময়ে সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো যায়, তাহলে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির গল্প তুলে ধরতে পারব। আমাদের অনেক ভালো সাফল্যের গল্প আছে, কিন্তু সেগুলো ঠিকভাবে বলা হয় না। বরং অনেক সময় নেতিবাচক খবরই বেশি সামনে আসে। আমরা যদি পোশাকসহ অন্যান্য খাতের সাফল্যের গল্পগুলো ভালোভাবে তুলে ধরতে পারি, তাহলে বিদেশী ব্যাংক এবং বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগে আরো স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে।

    একটা কথা মনে রাখতে হবে, শুরুতেই বিদেশী বিনিয়োগ সহজে আসবে না। যারা এরই মধ্যে বাংলাদেশে এক্সপোজার নিয়েছে, তারা যদি আরো স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, তাহলে ভবিষ্যতে তারাই বড় বিনিয়োগ নিয়ে আসবে। আমাদের প্রবৃদ্ধির ভালো গল্প রয়েছে। সেগুলো তুলে ধরতে পারলে বড় সাফল্য আসতে পারে। গভর্নর বলেছেন, স্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকগুলো মিলে যদি এমন উদ্যোগ নেয়, তাহলে তিনি সেটিকে খুব ইতিবাচকভাবেই দেখবেন।

    ওয়ান ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? দায়িত্বকালীন বছরগুলোতে আপনি ব্যাংকটিকে কোথায় দেখতে চান?

    শুরুতেই বলেছি, ওয়ান ব্যাংকের একটি শক্তিশালী করপোরেট ব্যাংকিং গ্রাহক ভিত্তি রয়েছে। সেখানে আরো প্রবৃদ্ধির সুযোগ আছে। করপোরেট ক্লায়েন্টদের ৩৬০ ডিগ্রি সেবা দিতে চাই আমরা। অর্থাৎ শুধু ঋণ নয়, ডিস্ট্রিবিউটর ফাইন্যান্সিং, সাপ্লায়ার ফাইন্যান্সিং, পেরোল ম্যানেজমেন্ট—তাদের সব ধরনের সহায়তায় আমরা এগিয়ে আসতে চাই। এছাড়া তাদের যদি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ডলার ফাইন্যান্সিং বা ক্যাপিটাল অ্যাডভাইজরি প্রয়োজন হয়, সেই সহায়তাও দিতে চাই আমরা।

    দ্বিতীয়ত, এসএমই খাতে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা আছে। সেখানে একটি শক্তিশালী প্লাটফর্ম তৈরি করতে চাই। বিদেশী ব্যাংক ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় এসএমই গ্রিন বা টেকসই প্রকল্পে ঝুঁকি ভাগাভাগি করে অর্থায়ন করতে চায়। তবে এজন্য একটি ভালো প্লাটফর্ম দরকার। সেটি তৈরি করা গেলে ঝুঁকি ভাগাভাগির মাধ্যমে আমরা এসএমই খাতে অর্থায়ন বাড়াতে পারব। রিটেইল ব্যাংকিং এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনায় আমাদের অনেক কাজ করার সুযোগ আছে। ডিজিটাল ব্যাংকিংয়েও বড় পরিবর্তন আসবে বলে আমি মনে করি। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ডিজিটাল ও ফিনটেক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখতে চাই।

    আরেকটি বিষয় হলো ওয়ান ব্যাংকে খুবই ভালো একটি কর্মীবাহিনী রয়েছে। কিন্তু ব্যাংক খাত দ্রুত বদলাচ্ছে। ভবিষ্যতে ডিজিটাল ও ফিনটেকের গুরুত্ব অনেক বেশি হবে। তাই কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো, নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাদের মানিয়ে নেয়া ও সেগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতের ওপরও আমরা গুরুত্ব দেব। সূত্র: বণিক বার্তা

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সম্পাদকীয়

    নগর জীবনের শ্বাসরুদ্ধকর দূষণ থেকে মুক্তির উপায় কী?

    মার্চ 10, 2026
    মতামত

    নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা রক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক ন্যায়বিচার প্রয়োজন

    মার্চ 10, 2026
    ব্যাংক

    এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দাম বেশি চাইছে ব্যাংকগুলো

    মার্চ 10, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.