ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) গত সপ্তাহে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এ সময়ে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বাজার মূলধন বেড়েছে ২০ হাজার ৫৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকার বেশি।
গতকাল শনিবার ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫৯.১৩ পয়েন্ট বা ৩.২৭ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ২৮ পয়েন্টে পৌঁছেছে। ডিএসই-৩০ সূচক ৫৬.৩৪ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৩৪ পয়েন্টে, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩৮.৫৬ পয়েন্ট বা ৩.৭৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৫৬ পয়েন্টে এবং ডিএসএমইএক্স সূচক ২৩.৭৮ পয়েন্ট বা ২.৮৮ শতাংশ বেড়ে ৮৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এটি ছিল ৬ লাখ ৮১ হাজার ৭৯৪ কোটি ৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার ৩৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকার, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ লেনদেন বেড়েছে ৬৩৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩৬৯টি কোম্পানি। এর মধ্যে ৩৩৫টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ১২টির দর কমেছে এবং ৩২টির দর অপরিবর্তিত ছিল। ৩৪টির কোনো লেনদেন হয়নি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসপিআই সূচক ৩৯৫.১২ পয়েন্ট বা ২.৮৯ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৩৭ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সিএসই-৩০ সূচক ২.১৩ শতাংশ বেড়ে ১২ হাজার ৪২৭ পয়েন্টে, সিএসসিএক্স ২.৬৫ শতাংশ বেড়ে ৮ হাজার ৬৪২ পয়েন্টে, সিএসআই সূচক ২.৩৩ শতাংশ বেড়ে ৮৮১ পয়েন্টে এবং এসইএসএমইএক্স সূচক ৬.৩০ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬২৯ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৮৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৮৩২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ১০ হাজার ২৫১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকার, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৪৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৬৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নিয়েছে ২৯৭টি কোম্পানি। এর মধ্যে ২৪৫টির দর বেড়েছে, ৪২টির দর কমেছে এবং ১০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। বাজার বিশ্লেষকরা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গুজবের প্রতি মনোযোগ না দিয়ে, তথ্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন।

