Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, এপ্রিল 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পুঁজিবাজারে ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত
    পুঁজিবাজার

    পুঁজিবাজারে ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত

    মনিরুজ্জামানUpdated:ডিসেম্বর 21, 2025ডিসেম্বর 21, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের পুঁজিবাজার কয়েক মাস ধরে মন্দার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসান ভোগ করছেন। বছরের অধিকাংশ সময় পুঁজিবাজারে মন্দা থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার মূল্যও অবমূল্যায়িত অবস্থায় রয়েছে। এমন অবস্থার মধ্যে ঝুঁকিতে পড়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কিছু কোম্পানি। বিশেষত খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড এবং বারাকা পাওয়ার লিমিটেড।

    নিরীক্ষকরা এই তিনটি কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ হওয়া, কেন্দ্র বন্ধ থাকা, আয় না থাকা এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে কোম্পানিগুলো টিকে থাকার সক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড:

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খুলনা পাওয়ারের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পিপিএ ২০২৪ সালের মার্চে শেষ হয়েছে। এরপর সরকার চুক্তি নবায়ন করেনি। এসএফ আহমেদ অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস কোম্পানিটির ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদনের নিরীক্ষায় এই অবস্থাকে কোম্পানির ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। নিরীক্ষকের মতে, ইউনিট-২ ও ইউনিট-৩-এর পিপিএ ২০২৪ সালের ২৩ মার্চ শেষ হয়। পরে ২৯ এপ্রিল ‘নো ইলেকট্রিসিটি নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে দুই বছরের জন্য একটি চুক্তি হলেও দেড় বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সরকার কোম্পানি থেকে বিদ্যুৎ কিনছে না। ফলে ভবিষ্যতে সরকার কোম্পানি থেকে বিদ্যুৎ কিনবে কি না, তা অনিশ্চিত।

    জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড:

    জিবিবি পাওয়ার লিমিটেডের বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে কোম্পানির টিকে থাকা নিয়েও শঙ্কা আছে। ২০২৩ সালের জুনে কোম্পানির বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি শেষ হয়েছে এবং পুনর্নবায়ন করা হয়নি। গত দুই অর্থবছর ধরে কোম্পানির মূল ব্যবসা থেকে কোনো আয় হয়নি। সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ১১ পয়সা হয়েছে, যেখানে আগের বছরে শেয়ারপ্রতি ৩৫ পয়সা লোকসান হয়েছিল। ৩০ জুন শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২০ টাকা ৩১ পয়সা। ডিএসইতে সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৬ টাকা ৪০ পয়সায়।

    বারাকা পাওয়ার লিমিটেড:

    বারাকা পাওয়ার লিমিটেডও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের নিরীক্ষায় দেখা যায়, কোম্পানি সহযোগী প্রতিষ্ঠানে জামানত ছাড়াই ১৫৫ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৭ টাকা ঋণ দিয়েছে। নথিপত্র দুর্বল হওয়ায় ঋণ ফেরতের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা নতুন বিনিয়োগকে সীমিত করছে।

    সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ৫১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে বন্ধ। আরও পাঁচ বছরের জন্য পিপিএ নবায়নের আবেদন করা হয়েছে, তবে অনুমোদন এখনও মেলেনি। তাই কেন্দ্র থেকে কোনো নিজস্ব আয় নেই। সহযোগী প্রতিষ্ঠান বারাকা ফ্যাশন লিমিটেডও লোকসানে রয়েছে, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত পুঞ্জীভূত লোকসান ৬৮ কোটি ৯১ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। শেয়ারপ্রতি আয় ৩৬ পয়সা, আগের বছর ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়ে ১৮ পয়সা হয়েছে।

    কোম্পানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের সাময়িক প্রভাব মোকাবিলায় কোম্পানি আগে থেকেই কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। ব্যবসা সম্প্রসারণ ও আয় বহুমুখীকরণের জন্য নতুন প্রকল্প অনুসন্ধান, বিদ্যমান সম্পদের দক্ষ ব্যবহার ও বিকল্প বিনিয়োগের দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। ব্যবস্থাপনা পর্ষদ কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা এবং শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

    নিরীক্ষকের পর্যবেক্ষণ:

    বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি নবায়নের অনিশ্চয়তা, কেন্দ্র বন্ধ থাকা ও আয় সংকটের কারণে এই তিনটি জ্বালানি খাতের কোম্পানির ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে পুঁজির সংকট এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক পুরোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ হারিয়েছেন। নভেম্বর মাসে ১৮টি কোম্পানি প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ৫টি কোম্পানি আলোচ্য সময়ে আয় বাড়াতে ব্যর্থ হয়েছে, বাকি ১৩টি আয় বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

    আয় বাড়াতে ব্যর্থ হওয়া কোম্পানিগুলো হলো- এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন, জিবিবি পাওয়ার, এমজেএল বিডি, পাওয়ার গ্রিড, তিতাস গ্যাস ও ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত জ্বালানির মজুদ না থাকলে দেশ বড় ঝুঁকিতে পড়বে। এতে অর্থনীতিতে বড় ধরনের ছন্দপতনের আশঙ্কা রয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    পুঁজিবাজার

    সিএসই-৫০ সূচকে পরিবর্তন: তিন কোম্পানি যোগ, তিনটি বাদ

    এপ্রিল 11, 2026
    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালি খুললেও কেন চলছে না স্বাভাবিক বাণিজ্য

    এপ্রিল 11, 2026
    পুঁজিবাজার

    ১৫ বছরের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে পুঁজিবাজারে বিশেষ কমিশন গঠনের ঘোষণা

    এপ্রিল 11, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.