নতুন বছর শুরু হতেই পুঁজিবাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছিল। বছরের প্রথম দুই কার্যদিবসে অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ার পাশাপাশি সূচক ও লেনদেনও বেড়েছিল। তবে আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) নতুন বছরের তৃতীয় কার্যদিবসে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হয়েছে। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ও বাছাইকৃত শেয়ারের সূচকে পতন দেখা গেছে। লেনদেনের পরিমাণও কমেছে।
২০২৫ সালে পুঁজিবাজারে অধিকাংশ কার্যদিবসে শেয়ারের দরপতন হয়েছে। ফলে বছরের শেষে সবগুলো মূল সূচক নেমেছিল। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৫১ পয়েন্ট বা ৬.৭৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৮৬৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়। নতুন বছরের শুরুতে সূচক কিছুটা বেড়েছিল, কিন্তু তৃতীয় কার্যদিবসে আবারো পতন দেখা দিল।
বাজার বিশ্লেষণ বলছে, সোমবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ শেয়ার ও ইউনিটের দর বাড়ার সঙ্গে। তবে দিনের শেষে অধিকাংশ সিকিউরিটিজ দরপতনের তালিকায় আসে। শেষ পর্যন্ত সব খাত মিলিয়ে ১৪৩ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ১৮৯টির এবং ৫৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স দিনশেষে আগের দিনের তুলনায় ১০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৯৫৫ পয়েন্টে নেমেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক অপরিবর্তিত ১ হাজার ৬ পয়েন্টে রয়েছে। ডিএসই-৩০ সূচক, যা ৩০টি ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত, ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সূচকের পতনের সঙ্গে লেনদেনও কমেছে। আজ লেনদেন হয়েছে ৪৮৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা। গতকাল রোববার লেনদেন হয়েছিল ৫৩৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এ হিসেবে লেনদেন কমেছে ৫১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পরিস্থিতি ভিন্ন। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২০ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৮৩৯ পয়েন্টে উঠেছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৬০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৭৬টির এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ২৬ কোটি ৯০ লাখ টাকার চেয়ে বেশি।

