দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সোমবারও অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বৃদ্ধি করেছে।
ডিএসইতে দাম বেড়েছে প্রায় চার গুণ বেশি সংখ্যক শেয়ার ও ইউনিটের, যা দরপতনের চেয়ে অনেক বেশি। এতে এক্সচেঞ্জের সব মূল সূচক ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আড়াই মাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে। বাজারে লেনদেনও দুই মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সিএসইতেও একই ধারা দেখা গেছে। অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। সব মূল সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে। লেনদেন দিনভিত্তিতে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজার নিম্নমুখী ছিল। আসন্ন ত্রয়াদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাজারের পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা থাকলেও তা দেখা যায়নি। তবে নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে বাজারে গতি ফিরে এসেছে। চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবসে উত্থান ও লেনদেনে চাঙাভাব দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে প্রাণ ফিরে এসেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯৪টি শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ২৬৮টির, কমেছে ৭২টির এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৫৬ পয়েন্ট বা ১.১২ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৯২ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। এটি ৩০ অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ। ওইদিন সূচকটি ছিল ৫ হাজার ১২২ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৪ পয়েন্ট বা ১.৪০ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৪ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক ২৬ পয়েন্ট বা ১.৩৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৬৫ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
আজ ডিএসইতে মোট ৫৯৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এটি ২৫ নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৪৭৪ কোটি ৯ লাখ টাকার।
সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ৭৯১ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১১২ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ১৯৯ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক সিএসআই ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৮৬৮ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৩২ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৮৩৩ পয়েন্টে এবং সিএসই-৫০ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসইতে মোট ১৮০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১৮টির দর বেড়েছে, ৩৬টির কমেছে এবং ২৬টির অপরিবর্তিত রয়েছে। আজ সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার, আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

