দেশের পুঁজিবাজার পতনের পর থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। মূল্যসূচক টানা বাড়ছে। লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ফলে বাজারে ইতিবাচক মনোভাব ফিরে এসেছে।
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনও কিছুটা বেড়েছে। অধিকাংশ কোম্পানি এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডিএসই সূত্র জানিয়েছে, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ১০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের দুই কার্যদিবসে সূচক বেড়েছে ১৩২ পয়েন্ট। অর্থাৎ টানা তিন কার্যদিবসে প্রধান সূচক ১৪৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩০ পয়েন্টে উঠেছে। ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৯৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনেও ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। গতকাল ডিএসইতে মোট ৩৮৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২১০টির দর বেড়েছে। ১০৯টির দর কমেছে এবং ৬৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
বিভিন্ন ক্যাটেগরিতেও দর বাড়ার প্রবণতা দেখা গেছে।
-
‘এ’ ক্যাটেগরি: ২০৪টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে ১৩১টির দর বেড়েছে, ৪৪টির কমেছে, ২৯টির অপরিবর্তিত ছিল।
-
‘বি’ ক্যাটেগরি: ৭৯টির মধ্যে ৩৩টির দর বেড়েছে, ২৯টির কমেছে, ১৭টির অপরিবর্তিত।
-
‘জেড’ ক্যাটেগরি: ১০৫টির মধ্যে ৪৬টির দর বেড়েছে, ৩৬টির কমেছে, ২৩টির অপরিবর্তিত।
মিউচুয়াল ফান্ডেও ইতিবাচক প্রবণতা। লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৫টির ইউনিট দর বেড়েছে, ৬টির কমেছে, ১৩টির অপরিবর্তিত ছিল। গতকাল ডিএসইতে মোট ২০ কোটি ৪১ লাখ ৬৭ হাজার ১৮২টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেন মূল্য ৬৬৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে এটি ছিল ৫৯৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
সবচেয়ে বেশি লেনদেনে নেতৃত্ব দিয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন। এর শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ১৫ লাখ টাকার। দ্বিতীয় স্থানে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার, ২০ কোটি ৭৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ শেয়ার ১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকায় লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, সিটি ব্যাংক, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বেক্সিমকো ফার্মা, লাভেলো আইসক্রিম, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স।

