গত সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ১.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫,২৩৪ পয়েন্টে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেনও ১৫.৩২ শতাংশ বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইএক্স সূচক আগের সপ্তাহের ৫,১৫৪ পয়েন্ট থেকে ৮০.০৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫,২৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ ১,৯৮৭ থেকে ২,০২২ পয়েন্টে বৃদ্ধি পায়। ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ডিএসইএসও ১,০৩৪ থেকে ১,০৭২ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৩১টির, কমেছে ১৪১টির, অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির এবং লেনদেন হয়নি ২৪টির। সূচকের উত্থানে প্রধান অবদান রেখেছে ইসলামী ব্যাংক, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও রেনাটার শেয়ার। লেনদেনের দৈনিক গড় পরিমাণ চার কার্যদিবসে ৬৬৮ কোটি ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের সপ্তাহের ৫৭৯ কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকার তুলনায় ১৫.৩২ শতাংশ বেশি।
খাতভিত্তিক লেনদেনে ব্যাংক খাতের শেয়ার সর্বাধিক ছিল। মোট লেনদেনের ২০.০৩ শতাংশ দখল করে ব্যাংক খাত শীর্ষে অবস্থান করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত (১৪.৫৭%), তৃতীয় বস্ত্র খাত (৯.৩৪%), চতুর্থ সাধারণ বিমা খাত (৮.৮১%) এবং পঞ্চম প্রকৌশল খাত (৮.১১%)।
গত সপ্তাহে ছয়টি খাত বাদে সব খাতে ইতিবাচক রিটার্ন দেখা গেছে। প্রকৌশল খাতে সবচেয়ে বেশি ৫.৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতে ৩.৭৯% এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩.৪০% ইতিবাচক রিটার্ন হয়েছে। অন্যদিকে সাধারণ বিমা খাতে ৩.৮৯%, জীবন বিমা খাতে ১.৯৭% ও টেলিযোগাযোগ খাতে ১.৪৬% নেতিবাচক রিটার্ন ছিল।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) উত্থান দেখা গেছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১.৮১% বেড়ে ১৪,৭৩১ পয়েন্টে পৌঁছেছে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক সিএসসিএক্স ১.৭৬% বৃদ্ধি পেয়ে ৯,১২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সিএসইতে গত সপ্তাহে ২৬৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৬০টির, কমেছে ৮৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২২টির। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের ৪৪ কোটি ২২ লাখ টাকার তুলনায় কম।

