Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মে 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আসলে কী ঘটলো?
    আইন আদালত

    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আসলে কী ঘটলো?

    এফ. আর. ইমরানUpdated:মে 16, 2026মে 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি
    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ১৩ ও ১৪ মে অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ঘিরে ভোটার উপস্থিতির নিম্ন হার, রাজনৈতিক প্যানেলভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, প্রার্থিতা বঞ্চনার অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ—সব মিলিয়ে একটি জটিল ও বিতর্কিত চিত্র সামনে এসেছে।

    নির্বাচনে মোট ১১ হাজার ৯৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৪৮ জন, যা প্রায় ৩৬ শতাংশের কিছু বেশি। গত পাঁচ বছরের তুলনায় এটিই সর্বনিম্ন ভোটার উপস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে বিএনপি-সমর্থিত নীল প্যানেল নিরঙ্কুশ জয় পায়। সভাপতি পদে এএম মাহবুবউদ্দিন খোকন এবং সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী বিপুল ব্যবধানে জয়ী হন। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত-সমর্থিত সবুজ প্যানেলের প্রার্থীরা। নির্বাচনে মোট তিনটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যেখানে এনসিপি-সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেলও অংশ নেয়।

    তবে এই নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের অংশগ্রহণ না থাকা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষ সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এর ফলে ঐতিহ্যগতভাবে সাদা প্যানেল হিসেবে পরিচিত এই অংশটি প্রথমবারের মতো নির্বাচনী প্রতিযোগিতার বাইরে থাকে। অভিযোগ উঠেছে যে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ৪১-৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ নিয়ে আইনজীবী মহলে অস্বস্তি ও বিতর্ক তৈরি হয়।

    জানা যায়, অ্যাডহক কমিটি ২৪ ঘণ্টার নোটিশে বিশেষ সাধারণ সভা করে সিদ্ধান্ত নেয়—আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

    সুপ্রিম কোর্ট বারের ৭৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনৈতিক পক্ষকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হলো।

    একটু পিছনের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে বিরোধী দলের ওপর নানা দমনপীড়ন চালানো হলেও আইনজীবী সমিতির মতো পেশাজীবী সংগঠনগুলোয় বিএনপিসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচন করতে পেরেছেন। সুপ্রিম কোর্ট বারেও বিএনপির প্রার্থী এএম মাহাবুব উদ্দিন খোকন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে—রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে কি পেশাজীবী সংগঠনগুলোর গণতান্ত্রিক পরিবেশও বদলে গেল?

    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ঘিরে আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল (১৩ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অভিযোগ করেন, শুধু আ.লীগপন্থী নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

    নির্বাচন ঘিরে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক হলো “টেকনিক্যাল মব” ধারণা। বিশিষ্ট আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এক ভিডিও বক্তব্যে দাবি করেন, সরাসরি সহিংসতা না থাকলেও প্রশাসনিক ও প্রক্রিয়াগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক অংশকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হয়েছে। তার মতে, এটি এক ধরনের “টেকনিক্যাল মব”, যেখানে আনুষ্ঠানিক নিয়মের আড়ালে অংশগ্রহণ সীমিত করা হচ্ছে। তার এই মন্তব্য আইনজীবী অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করে।

    নির্বাচনের আগে, বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছিলেন— ‘যে কারণে তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, একই কারণে বার নির্বাচনেও সুযোগ পাচ্ছেন না।’

    সব মিলিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন কেবল একটি পেশাগত সংগঠনের নির্বাচন হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি রাজনৈতিক প্রভাব, অংশগ্রহণের সীমাবদ্ধতা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বৈধতা এবং গণতান্ত্রিক চর্চার প্রশ্নে একটি বৃহত্তর বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। একদিকে নীল প্যানেলের বড় জয় এবং ভোটার উপস্থিতির পতন, অন্যদিকে প্রার্থী বঞ্চনা ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ—এই দ্বৈত বাস্তবতা বাংলাদেশের আইনজীবী রাজনীতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

    আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ও উদ্বেগ

    আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের দ্য ল সোসাইটি এক চিঠিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন বার নির্বাচন নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তোলে।

    তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া, শারীরিক হয়রানি এবং পুলিশের হস্তক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    চিঠিতে বলা হয়, কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিকভাবে “অপসারিত” বা “অবাঞ্ছিত” হিসেবে চিহ্নিত করে প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে, যা আইনজীবীদের স্বাধীন অংশগ্রহণের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

    দ্য ল সোসাইটি জাতিসংঘের আইনজীবীদের স্বাধীনতা সংক্রান্ত নীতিমালার উল্লেখ করে বলেছে, আইনজীবীদের পেশাগত কার্যক্রমে ভীতি প্রদর্শন, বাধা বা রাজনৈতিক প্রভাব গ্রহণযোগ্য নয়। সংগঠনটি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সব পক্ষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, অনিয়ম তদন্ত করা এবং আইনজীবীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।

    গণতান্ত্রিক সংকোচন ও আস্থার সংকট

    আইনজীবী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচন ঘিরে অংশগ্রহণের সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিযোগিতার ঘাটতি নিয়ে যে চিত্র সামনে এসেছে, তা গণতান্ত্রিক চর্চার স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। নির্দিষ্ট অংশের অংশগ্রহণ কার্যত সীমিত থাকায় নির্বাচন তুলনামূলকভাবে কম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে, যা ভোটার উপস্থিতি ও সামগ্রিক অংশগ্রহণে প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

    আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচন শুধু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি ন্যায্যতা, সমতা ও অন্তর্ভুক্তির মৌলিক নীতির প্রতিফলন। যখন এসব নীতি দুর্বল হয়, তখন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের প্রবণতা সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সংহতি দুর্বল করতে পারে এবং পেশাজীবী সমাজে বিভাজন বাড়াতে পারে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, আইনজীবীরা রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার অংশ। তাদের সংগঠনের নির্বাচন যদি বিতর্ক, বর্জন ও একতরফা প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়—তবে গণতন্ত্রের শেষ আশ্রয় কোথায় দাঁড়াবে?

    স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, যদি আদালতপাড়ার নির্বাচনেই সব পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ ভবিষ্যতে গণতন্ত্রের ন্যায্যতা কোথায় খুঁজবে?

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    সংকটের মুখে বিলিয়ন ডলারের চামড়া শিল্প

    মে 16, 2026
    বাংলাদেশ

    বন্দর ব্যবস্থার ফাঁকফোকরে বাড়ছে অবৈধ সিগারেট আমদানি

    মে 16, 2026
    বাংলাদেশ

    গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে বড় অভিযানে যাচ্ছে সরকার

    মে 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.