Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 20, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home»আন্তর্জাতিক»ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধ কীভাবে হজকে একটি অধরা স্বপ্নে পরিণত করেছে?
    আন্তর্জাতিক

    ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধ কীভাবে হজকে একটি অধরা স্বপ্নে পরিণত করেছে?

    নিউজ ডেস্কমে 19, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ২০২৬ সালের ১৮ই মে, সৌদি আরবের মক্কায় বার্ষিক হজ যাত্রার আগে মুসলিম তীর্থযাত্রীরা গ্র্যান্ড মসজিদের কাবা শরীফের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। ছবি: রয়টার্স
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যেখানে হাজার হাজার মুসলমান হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সেখানে ইসরায়েল রাফাহ সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখায় গাজার ফিলিস্তিনিরা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি পালনের সুযোগ থেকে আবারও বঞ্চিত হয়েছেন।

    বছরের পর বছর ধরে গাজার ফিলিস্তিনিদের হজ পালনের জন্য ভূখণ্ড ত্যাগ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে—এটি সকল মুসলমানের জন্য জীবনের এক অপরিহার্য পবিত্র তীর্থযাত্রা, যদি তারা শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম হন।

    পরিবর্তে, আমরা দূর থেকে এই তীর্থযাত্রা দেখতে বাধ্য হই। এই দূরত্ব মাইলে নয়, বরং রুদ্ধ সীমান্তে মাপা হয়, কারণ একটি দখলদার শক্তি আমাদের এবং আমাদের পবিত্র যাত্রার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে।

    গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের জন্য বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র প্রবেশদ্বার হলো রাফাহ সীমান্ত এবং যদিও এটি আংশিকভাবে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে, ইসরায়েল এখনও এর মধ্য দিয়ে চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে।

    হজ পালন করতে, যা ঈদুল আজহার উদযাপনের সঙ্গে একই সময়ে অনুষ্ঠিত হয়, আগামী দিনগুলোতে সারা বিশ্ব থেকে মুসলমানরা সৌদি আরবের মক্কায় যাবেন। কিন্তু গাজার মুসলমানরা সীমান্ত বন্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ক্ষুধা এবং তীব্র আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হবেন।

    যদিও গাজার মুসলমানদের জন্য হজ এখন অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে, তবে এটি বরাবরই একটি কঠিন বিষয় ছিল, যার জটিল ভ্রমণ ব্যবস্থাপনার জন্য হাজার হাজার ডলার খরচ হয়। তীর্থযাত্রীরা সাধারণত বাসে করে মিশরে যান, তারপর বিমানে করে সৌদি আরবে যান।

    “হজের টাকা জমাতে আমার পাঁচ বছর লেগেছিল,” গাজার ৬৫ বছর বয়সী নারী সালওয়া আকিলা মিডল ইস্ট আই-কে বলেন। “তারপর যুদ্ধ শুরু হলো এবং আমি সেই টাকা বাস্তুচ্যুতি ও খাবারের জন্য খরচ করে ফেললাম।”

    বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম

    পবিত্র কাবা শরীফের সামনে দাঁড়ানোর মুহূর্তটির কল্পনায় বছরের পর বছর কাটানোর পর আকিলা ও তার স্বামী ২০২৪ সালে হজ পালনের অনুমোদন পেয়েছিলেন।

    কিন্তু গাজা যুদ্ধ সবকিছু বদলে দিয়েছে। এখন, অবরুদ্ধ এই অঞ্চলের হাজার হাজার ফিলিস্তিনির মতো, ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে ঘরবাড়ি হারিয়ে তারা বাস্তুচ্যুত হয়ে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছেন।

    যারা একসময় গাজায় হজ ও উমরাহ সেবা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করতেন—অর্থাৎ ভ্রমণের ব্যবস্থা করা, দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং পুরো যাত্রাপথে সহায়তা করতেন—তারাও এখন এক গুরুতর সংকটের মুখোমুখি। অনেকেই হয় তাদের জীবিকা হারিয়েছেন অথবা গভীর আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।

    প্রকৃতপক্ষে, বিগত কয়েক বছরে গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা হজকে একটি আধ্যাত্মিক বাধ্যবাধকতা থেকে ক্রমশ এক অধরা স্বপ্নে রূপান্তরিত করেছে।

    সম্প্রতি এক বন্ধু আমার সঙ্গে মক্কায় সমবেত তীর্থযাত্রীদের কিছু ছবি শেয়ার করেছে, যেখানে তারা আল্লাহর ঘর জিয়ারতের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় আনন্দের অশ্রু ফেলছিল। আমার বন্ধুটি লিখেছে, “আশা করি শিগগিরই আমাদেরও সুযোগ আসবে।”

    গাজার অনেক মুসলমানের কাছে এই ছবিগুলো একদিকে যেমন মর্মস্পর্শী, তেমনই এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা কী থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। ইসরায়েলের গণহত্যা ফিলিস্তিনিদের শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করে দিয়েছে এবং একটি প্রধান ধর্মীয় কর্তব্য পালনে তাদের মধ্যে অসহায়ত্ব ও ব্যর্থতার অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছে।

    মক্কা সফর হলো নবায়ন, ভক্তি ও নিরাময়ের এক গভীর আধ্যাত্মিক যাত্রা। গাজার মুসলমানরা এমন এক সময়ে এই সুযোগটি হারিয়েছে, যখন তাদের এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

    সুতরাং ইসরায়েলের এই হামলা ফিলিস্তিনিদের শুধু খাদ্য, ওষুধ ও নিরাপত্তা থেকেই বঞ্চিত করে না, বরং বছরের পর বছর ধরে চলা নৃশংস বোমাবর্ষণের পর তাদের মর্যাদা, আশা ও মানসিক ক্ষত নিরাময়ে সহায়ক হতে পারে এমন অভিজ্ঞতা থেকেও তাদের বঞ্চিত করে।

    আশা ধরে রাখা

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, অনেক বয়স্ক মানুষ, যারা দীর্ঘদিন ধরে মক্কা সফরের স্বপ্ন দেখতেন, এখন শারীরিকভাবে সেই যাত্রা করতে অক্ষম। কেউ কেউ এমন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন, যার জন্য সার্বক্ষণিক পরিচর্যা প্রয়োজন এবং হজ তীর্থযাত্রা তাঁদের জন্য আর নিরাপদ নয়।

    বাইরের মানুষের কাছে এই সংকটটি হয়তো ভেঙে পড়া অর্থনীতি, বিপর্যস্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থা বা খাদ্য সরবরাহে অবরোধের চেয়ে কম জরুরি বলে মনে হতে পারে। কিন্তু গাজার মুসলমান হিসেবে আমরা হজকে একটি মৌলিক অধিকার এবং আমাদের জীবনযাত্রার এক অপরিহার্য অংশ হিসেবে দেখি।

    আমরা অর্থ, খাদ্য বা বস্তুগত সাহায্য চাইছি না, বরং আরও মৌলিক ও অপরিহার্য কিছু চাইছি: ইসলাম ধর্মের একটি পবিত্র স্তম্ভ পূরণের জন্য নিরাপদে যাত্রা ও দেশে ফেরার সুযোগসহ একটি উন্মুক্ত দ্বার।

    হজ পালনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি, গাজার মুসলমানরা টানা তৃতীয় বছরের মতো ঈদুল আজহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ধর্মীয় রীতি—পশু কোরবানি—থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। তীব্র ঘাটতি এবং ভূখণ্ডে পণ্য প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাসহ বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ঐতিহ্যটি পালন করা ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

    প্রকৃতপক্ষে, যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ধ্বংসযজ্ঞ এবং সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া অর্থনীতির কারণে গাজার মুসলমানরা আর পুরোপুরিভাবে ঈদুল আজহা উদযাপন করতে পারছেন না।

    প্রতি বছর হজ পালনের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিদের তালিকা থেকে আরও নাম হারিয়ে যাবে—তাদের সারাজীবনের এক পবিত্র কর্তব্য অপূর্ণই থেকে যাবে, কারণ সুযোগ পাওয়ার আগেই মৃত্যু এসে হাজির হয়।

    তথাপি এই সমস্ত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও, গাজার অনেক ফিলিস্তিনি মুসলমান আগামী বছর হজ বা উমরাহ পালনের আশায় তাদের সাধ্যমতো সামান্য অর্থ সঞ্চয় করে চলেছেন।

    • সারা আওয়াদ: ইতালিতে বসবাসকারী একজন ফিলিস্তিনি লেখিকা। সূত্র: ‘মিডল ইস্ট আই’-এর ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    আফ্রিকায় আইএসবিরোধী বড় অভিযান, তিন দিনে নিহত ১৭৫

    মে 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ‘ইরান ক্লান্ত, দ্রুত চুক্তি চায়’—ট্রাম্পের দাবি

    মে 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাবে কী কী শর্ত

    মে 19, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    অর্থনীতি জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.