অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবি উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। আজ বুধবার জমা দেওয়া এই অভিযোগটি দুদক গ্রহণ করেছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, দায়িত্বে থাকা সময়ে আসিফ নজরুলের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) শামসুদ্দিন মাসুমের বিরুদ্ধেও নানা অনিয়ম ও সম্পদ গড়ার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে শামসুদ্দিন মাসুম জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার সম্পদের উৎস এবং কর্মকাণ্ডও তদন্তের আওতায় আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উল্লেখ করে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে প্রায় আট মাসে আইন মন্ত্রণালয়ে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ঘুষ লেনদেন হয়েছে। এই সময়ে বদলি প্রক্রিয়ায় কোনো নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।
আরও বলা হয়েছে, ঘুষের বিনিময়ে বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং প্রতিশ্রুত অর্থ পরিশোধ না হলে বদলির আদেশ স্থগিত রাখার ঘটনাও ঘটেছে। এসব লেনদেনের সঙ্গে তৎকালীন পিএস শামসুদ্দিন মাসুম জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুধুমাত্র সাব-রেজিস্ট্রার বদলি নিয়েই ঘুষ লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। এতে বলা হয়, সাবেক আইন উপদেষ্টা এবং তার পিএসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো প্রকাশ্য পর্যায়ে আলোচিত হয়েছে।
এছাড়া, বদলি বাণিজ্যের পাশাপাশি অনুরোধ ও নির্দেশনাভিত্তিক নানা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শামসুদ্দিন মাসুম ব্যাপক অনিয়মে জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। উল্লেখিত বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে দুদকের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সুত্র: কালের কন্ঠ

