পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের মুসলমানদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ঈদের মূল শিক্ষা হিসেবে ত্যাগ, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির বিষয়গুলো সামনে এনে বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এ শুভেচ্ছা জানান। সেখানে তিনি ঈদুল আজহার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও ইসলামের ত্যাগের দর্শন নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বছর ঘুরে আবারও মুসলিম উম্মাহর জীবনে এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা, যা মানুষের মাঝে ত্যাগের শিক্ষা, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহভীতির বার্তা পৌঁছে দেয়। তিনি দেশবাসী ও বিশ্বের সব মুসলমানকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই উৎসব কেবল আনন্দের নয়, বরং আত্মত্যাগ ও বিশ্বাসের এক মহৎ প্রতীক।
বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর নিঃশর্ত আনুগত্য, অটল ঈমান এবং আত্মত্যাগের ঘটনাই ঈদুল আজহার মূল অনুপ্রেরণা। সেই মহান ত্যাগের শিক্ষা আজও মুসলিম বিশ্বের কাছে গভীর তাৎপর্য বহন করে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঈদুল আজহা মানুষকে কেবল কোরবানির শিক্ষা দেয় না, বরং ব্যক্তি ও সমাজজীবনে দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমাজে ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার বার্তাও বহন করে এই উৎসব।
তিনি দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন যেন মানুষের ত্যাগ ও ইবাদত কবুল হয়। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত, অস্থিরতা ও সহিংসতা থেকে মানবজাতির মুক্তি কামনা করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় উৎসব ও ধর্মীয় দিবসগুলোতে রাষ্ট্রপ্রধানদের শুভেচ্ছা বার্তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আবহ তৈরি করে। বিশেষ করে ঈদুল আজহার মতো ধর্মীয় উৎসব মানুষের মাঝে সহমর্মিতা, সংযম ও সামাজিক বন্ধনের গুরুত্ব আরও গভীরভাবে তুলে ধরে।
বার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, পবিত্র ঈদুল আজহার বরকতে মানুষের জীবন শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে। তিনি মহান আল্লাহর কাছে দেশের কল্যাণ এবং বিশ্ব মানবতার শান্তি কামনা করেন।

