ঢাকার পল্লবীতে আলোচিত শিশুহত্যা মামলার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ রোববার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ হলরুমে জেলা পরিষদের বরাদ্দকৃত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঝে চেক ও ফুটবল বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আগামী ১ জুন শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর ভিত্তিতে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতের কাছে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করবে।
সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে সরকারি দল থেকে সাতজন, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে পাঁচজন এবং বিরোধী দলের পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী সংসদ অধিবেশনেই কমিটি গঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়নি। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
পরে আইনমন্ত্রী শৈলকুপার কবিরপুরে মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে আয়োজিত ঝিনাইদহ মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে অংশ নেন। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সমাজে মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় পাড়া-মহল্লাভিত্তিক কমিটি গঠন করে জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মজিদ মাস্টার। এ সময় জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

