Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুন 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘিরে সংসদে উত্তাপের আভাস
    বাংলাদেশ

    ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘিরে সংসদে উত্তাপের আভাস

    নিউজ ডেস্কUpdated:জুন 7, 2026জুন 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন আজ বেলা ৩টায় শুরু হবে। এটি শুধু একটি নিয়মিত সংসদ অধিবেশন নয়; গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন। তাই এবারের অধিবেশন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন, অর্থনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন বসবে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পক্ষ থেকে এই অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন। নতুন সরকারের প্রথম বাজেট হওয়ায় এটি সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন, রাজনৈতিক অগ্রাধিকার এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ দেখার একটি বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে বাজেট অধিবেশন সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এবারের গুরুত্ব আরও বেশি। কারণ, এটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন দেশ গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন সরকার, নতুন সংসদ এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। জনগণের প্রত্যাশা অনেক বড়, অর্থনীতির চাপও কম নয়। মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, সামাজিক নিরাপত্তা, রাজস্ব আদায়, উন্নয়ন ব্যয় এবং সরকারি ঋণ—সবকিছু মিলিয়ে এই বাজেট সরকারের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।

    বিএনপির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দলীয় সংসদ-সদস্যদের বাজেট আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে বলা হয়েছে। তাদের সুনির্দিষ্ট মতামত দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ, সরকারি দল চায় বাজেট আলোচনাকে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে নিজেদের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে। অন্যদিকে বিরোধী দলের সদস্যরাও বাজেটের প্রতিটি দিক বিশ্লেষণ করতে প্রস্তুত। সরকারের ভুল, ঘাটতি, অগ্রাধিকার নির্বাচন এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে তারা কঠোর প্রশ্ন তুলতে পারেন।

    সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের বাজেট উপস্থাপনে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দীর্ঘ বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো স্লাইড উপস্থাপনার মাধ্যমে সংসদ-সদস্যদের সামনে তুলে ধরবেন। মৌখিক বক্তব্যের পাশাপাশি সংসদে একাধিক পর্দা, বহুমাধ্যম প্রক্ষেপণ এবং তথ্যচিত্রের মাধ্যমে আয়-ব্যয়ের খাতওয়ারি বরাদ্দ, অর্থনৈতিক প্রবণতা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র দেখানো হবে।

    এ ধরনের উপস্থাপনা বাজেট আলোচনাকে তুলনামূলকভাবে সহজবোধ্য করতে পারে। সাধারণত বাজেটের দীর্ঘ লিখিত বক্তব্যে অনেক তথ্য থাকলেও তা সব সময় সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছায় না। প্রযুক্তিনির্ভর উপস্থাপনা সংসদ-সদস্যদের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও নাগরিকদের জন্যও বাজেট বোঝার একটি কার্যকর উপায় হতে পারে। তবে শুধু উপস্থাপনার ধরন আধুনিক হলেই হবে না; বাজেটের বাস্তবতা, আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য এবং বাস্তবায়নযোগ্যতাই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় এটি প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। এই আকারের বাজেট দেশের ইতিহাসে অন্যতম উচ্চাভিলাষী বাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারা পুনরুদ্ধার করা।

    এই লক্ষ্যগুলো নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এগুলো বাস্তবে কতটা অর্জনযোগ্য। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে বাজার ব্যবস্থাপনা, আমদানি ব্যয়, মুদ্রানীতি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নজরদারি—সবকিছুতে সমন্বয় দরকার। শুধু বাজেটে ঘোষণা দিলেই মূল্যস্ফীতি কমে না। একইভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিতে হবে এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচি নিতে হবে।

    সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণও এবারের বাজেটের অন্যতম আলোচিত দিক হতে পারে। অর্থনৈতিক চাপ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে সামাজিক সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা এখন আরও বেশি। তবে বরাদ্দ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সহায়তা বিতরণের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও জরুরি।

    সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। এই লক্ষ্য বড় এবং উচ্চাভিলাষী। এমন লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শুধু বড় বাজেট নয়, দরকার শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, রপ্তানি বৈচিত্র্য, প্রযুক্তি সক্ষমতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বাজেট পরিকল্পনায় যদি এই দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবসম্মতভাবে প্রতিফলিত হয়, তবে তা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে।

    বাজেট অধিবেশন সাধারণত দীর্ঘ হয়। সংসদ-সদস্যদের আলোচনার পর ৩০ জুন নতুন অর্থবছরের বাজেট পাশ হবে। এর আগে চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাশ করা হবে। এবারের অধিবেশন কতদিন চলবে, তা জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে। রোববার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    তবে বাজেটই এবারের অধিবেশনের একমাত্র আলোচ্য বিষয় নয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অধিবেশনে একাধিক জনগুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপনের কথা রয়েছে। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন বিএনপি অধিবেশনের শুরুতেই তাদের নির্বাচনি ইশতেহার এবং জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন করতে চায়। এই বিষয়টি সংসদে বড় রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

    আগের অধিবেশনে সরকারি দলের নাম ঘোষণার পাশাপাশি বিরোধী দলের পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনো বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী-জাতীয় নাগরিক পার্টি জোট সাড়া দেয়নি। ফলে সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ইস্যু সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনকে উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। প্রথম অধিবেশনের মতো দ্বিতীয় অধিবেশনেও রাজনৈতিক বিতর্ক, পাল্টা বক্তব্য এবং কৌশলগত অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

    এই অধিবেশনে বাকি সংসদীয় কমিটিগুলো গঠন করা হবে বলেও জানা গেছে। সংসদীয় কমিটি গণতান্ত্রিক জবাবদিহির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মন্ত্রণালয়গুলোর কাজ পর্যবেক্ষণ, নীতি বিশ্লেষণ, ব্যয় যাচাই এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এসব কমিটির ভূমিকা বড়। তাই কমিটি গঠনে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য কতটা বজায় রাখা হয়, সেটিও নজরে থাকবে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিজয়ী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ-সদস্যরা এই বাজেট অধিবেশনেই প্রথম যোগ দেবেন। এছাড়া একজন নারী হুইপ নিয়োগ দেওয়া হবে এই অধিবেশনে। সংসদে নারীর অংশগ্রহণ শুধু সংখ্যার বিষয় নয়; আইন প্রণয়ন, বাজেট আলোচনা, সামাজিক নীতি এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় নারীর অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত হওয়া গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

    চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, আগামী অধিবেশনেই সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো গঠন করা হবে। তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, সরকার সংসদীয় কার্যক্রমকে দ্রুত কাঠামোবদ্ধ করতে চাইছে। তবে কার্যকর সংসদীয় কমিটি গঠনের জন্য শুধু নাম ঘোষণা যথেষ্ট নয়; নিয়মিত বৈঠক, তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ এবং স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার পরিবেশও নিশ্চিত করতে হবে।

    বাজেট অধিবেশন শুরুর আগের দিন শনিবার বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ৩টায় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় দলীয় সংসদ-সদস্যদের বাজেট আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে এবং সুনির্দিষ্ট মতামত দিতে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সরকার বাজেট আলোচনাকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে।

    সংসদ সচিবালয় সংসদ-সদস্যদের জন্য সংবিধান, কার্যপ্রণালি-বিধি, সংসদীয় রীতিনীতি এবং কার্যক্রম বিষয়ে ২ দিনের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। নতুন সংসদে অনেক সদস্য প্রথমবারের মতো যোগ দিলে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যকর হতে পারে। কারণ, সংসদীয় বিতর্ক, প্রস্তাব, সংশোধনী, প্রশ্নোত্তর এবং কমিটি কার্যক্রম—সবকিছুই নিয়ম ও পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল।

    নতুন সরকারের প্রথম অধিবেশনে ৯৪টি বিল পাশ হয়। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হয়। এই সংখ্যাগুলো দেখায়, নতুন সংসদের ওপর আইনগত ও প্রশাসনিক কাজের চাপ অনেক বেশি। ফলে দ্বিতীয় অধিবেশনেও শুধু বাজেট নয়, আইন প্রণয়ন এবং রাজনৈতিক পুনর্গঠনের কাজ সমান গুরুত্ব পাবে।

    চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের আগে সর্বশেষ সংসদ অধিবেশন শেষ হয় ২০২৪ সালের ৩ জুলাই। সেটি ছিল বাজেট অধিবেশন, যেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন ও পাশ করা হয়েছিল। ওই বছরের ৩০ জুন বাজেট পাশের পর ৩ জুলাই অধিবেশন শেষ হয়। এরপর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। সেই প্রেক্ষাপটে এবারের বাজেট অধিবেশন শুধু অর্থনৈতিক নয়, রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।

    অধিবেশনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন উপলক্ষ্যে সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শনিবার রাত ১২টা থেকে নির্দিষ্ট এলাকায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকর ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকবে। অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই আদেশ বলবৎ থাকবে।

    এই নিরাপত্তা নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সংসদ অধিবেশনকে ঘিরে প্রশাসন কোনো ধরনের অস্থিরতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রাখা জরুরি। সংসদীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা যেমন প্রয়োজন, তেমনি শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশের সাংবিধানিক গুরুত্বও উপেক্ষা করা যায় না।

    সব মিলিয়ে এবারের বাজেট অধিবেশন নতুন সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরীক্ষা। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি সরকারের অগ্রাধিকার, সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার প্রতিফলন। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা, উচ্চ প্রবৃদ্ধি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য—এসব প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মতভাবে বাজেটে জায়গা পায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

    একই সঙ্গে সংবিধান সংশোধন, সংসদীয় কমিটি গঠন, বিরোধী দলের ভূমিকা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত হতে পারে। তাই আজ শুরু হওয়া অধিবেশন শুধু বাজেট পেশের আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি নতুন বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতি কোন পথে এগোবে, তারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    আগামী অর্থবছরে সরকারের ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের পূর্বাভাস

    জুন 15, 2026
    বাংলাদেশ

    হলফনামা বিতর্কে হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হচ্ছে?

    জুন 15, 2026
    বাংলাদেশ

    পিকআপ চাঁপা দিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় আরিফকে, অতঃপর…

    জুন 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.